দেশের ক্রিয়েটিভ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে এবং তরুণদের বৈশ্বিক মানের কনটেন্ট উৎপাদনে উৎসাহিত করতে বাদ্যযন্ত্র, ডিজিটাল মিডিয়া ও চলচ্চিত্রসংক্রান্ত আমদানি শুল্ক ও কর কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পেশ করার সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব প্রস্তাব ঘোষণা করেন।
গিটার, পিয়ানো, ভায়োলিনসহ বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র এবং সেগুলোর প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আমদানিতে বিদ্যমান ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে এসব বাদ্যযন্ত্রের দাম কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
সংগীতশিল্পী ও নতুন প্রজন্মের সংগীতপ্রেমীদের জন্য এটি ইতিবাচক পদক্ষেপ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাজ করা কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের জন্যও বড় কর সুবিধা ঘোষণা করা হয়েছে। তাদের সেবার ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মভিত্তিক আয়ের ওপর চাপ কমবে। অনলাইন কনটেন্ট নির্মাণে নতুন উদ্যোক্তা ও তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
চলচ্চিত্র ও ক্রিয়েটিভ মিডিয়ার প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে উচ্চপ্রযুক্তির সিনেমাটোগ্রাফিক ক্যামেরা, প্রজেক্টর এবং এসব যন্ত্রের খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক হার ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
এতে চলচ্চিত্র নির্মাণ ব্যয় কিছুটা কমবে এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রোডাকশন তৈরির সুযোগ তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
সরকারের এসব পদক্ষেপকে ক্রিয়েটিভ ইকোনমি বিকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগামী দিনে ডিজিটাল মিডিয়া, সংগীত ও চলচ্চিত্র খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে এই সিদ্ধান্ত।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শুল্ক ও কর কমানোর এই পদক্ষেপ দেশের তরুণ প্রতিভাদের বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতার সুযোগ করে দেবে এবং ক্রিয়েটিভ অর্থনীতির বিকাশকে ত্বরান্বিত করবে।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
দেশের ক্রিয়েটিভ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে এবং তরুণদের বৈশ্বিক মানের কনটেন্ট উৎপাদনে উৎসাহিত করতে বাদ্যযন্ত্র, ডিজিটাল মিডিয়া ও চলচ্চিত্রসংক্রান্ত আমদানি শুল্ক ও কর কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পেশ করার সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব প্রস্তাব ঘোষণা করেন।
গিটার, পিয়ানো, ভায়োলিনসহ বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র এবং সেগুলোর প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আমদানিতে বিদ্যমান ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে এসব বাদ্যযন্ত্রের দাম কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
সংগীতশিল্পী ও নতুন প্রজন্মের সংগীতপ্রেমীদের জন্য এটি ইতিবাচক পদক্ষেপ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাজ করা কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের জন্যও বড় কর সুবিধা ঘোষণা করা হয়েছে। তাদের সেবার ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মভিত্তিক আয়ের ওপর চাপ কমবে। অনলাইন কনটেন্ট নির্মাণে নতুন উদ্যোক্তা ও তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
চলচ্চিত্র ও ক্রিয়েটিভ মিডিয়ার প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে উচ্চপ্রযুক্তির সিনেমাটোগ্রাফিক ক্যামেরা, প্রজেক্টর এবং এসব যন্ত্রের খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক হার ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
এতে চলচ্চিত্র নির্মাণ ব্যয় কিছুটা কমবে এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রোডাকশন তৈরির সুযোগ তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
সরকারের এসব পদক্ষেপকে ক্রিয়েটিভ ইকোনমি বিকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগামী দিনে ডিজিটাল মিডিয়া, সংগীত ও চলচ্চিত্র খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে এই সিদ্ধান্ত।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শুল্ক ও কর কমানোর এই পদক্ষেপ দেশের তরুণ প্রতিভাদের বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতার সুযোগ করে দেবে এবং ক্রিয়েটিভ অর্থনীতির বিকাশকে ত্বরান্বিত করবে।

আপনার মতামত লিখুন