সংবাদ

চিকিৎসায় বিদেশমুখিতা কমাতে স্বাস্থ্যে ব্যাপক বিনিয়োগ


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৫:৪৯ পিএম

চিকিৎসায় বিদেশমুখিতা কমাতে স্বাস্থ্যে ব্যাপক বিনিয়োগ
ছবি : সংগৃহীত

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য স্বাস্থ্য খাতে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১ দশমিক ০১ শতাংশ।

গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ ছিল ৩৫ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা, যা জিডিপির ০ দশমিক ৫৮ শতাংশ। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় বরাদ্দ বাড়ছে প্রায় দ্বিগুণ।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘একটি স্বাস্থ্যবান জাতি গঠন টেকসই উন্নয়ন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের পূর্বশর্ত।’

তবে তিনি ‘ফ্যাসিবাদী’ সময়ের স্বাস্থ্য খাতের অবস্থা নিয়ে সমালোচনা করে বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী সময়ে স্বাস্থ্য খাতে অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণ ও উপকরণ ক্রয়ে বিপুল ব্যয় হলেও সেবার মানে প্রত্যাশিত উন্নতি হয়নি।’

অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশের হাসপাতালগুলো অতিরিক্ত রোগীর চাপে হিমশিম খাচ্ছে। অনেক মানুষ মানসম্মত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। একইসঙ্গে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ায় মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রাও দেশ থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী স্বাস্থ্য খাতে সরকারের নীতিগত অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরেন। যার মধ্যে রয়েছে, সর্বজনীন ও ন্যায়সংগত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, চিকিৎসাকেন্দ্রিক ব্যবস্থা থেকে প্রতিরোধকেন্দ্রিক ব্যবস্থায় রূপান্তর, গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য, পুষ্টি ও টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা ও স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি ও চিকিৎসা শিল্পের বিকাশ ঘটানো।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬


চিকিৎসায় বিদেশমুখিতা কমাতে স্বাস্থ্যে ব্যাপক বিনিয়োগ

প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬

featured Image

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য স্বাস্থ্য খাতে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১ দশমিক ০১ শতাংশ।

গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ ছিল ৩৫ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা, যা জিডিপির ০ দশমিক ৫৮ শতাংশ। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় বরাদ্দ বাড়ছে প্রায় দ্বিগুণ।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘একটি স্বাস্থ্যবান জাতি গঠন টেকসই উন্নয়ন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের পূর্বশর্ত।’

তবে তিনি ‘ফ্যাসিবাদী’ সময়ের স্বাস্থ্য খাতের অবস্থা নিয়ে সমালোচনা করে বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী সময়ে স্বাস্থ্য খাতে অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণ ও উপকরণ ক্রয়ে বিপুল ব্যয় হলেও সেবার মানে প্রত্যাশিত উন্নতি হয়নি।’

অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশের হাসপাতালগুলো অতিরিক্ত রোগীর চাপে হিমশিম খাচ্ছে। অনেক মানুষ মানসম্মত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। একইসঙ্গে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ায় মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রাও দেশ থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী স্বাস্থ্য খাতে সরকারের নীতিগত অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরেন। যার মধ্যে রয়েছে, সর্বজনীন ও ন্যায়সংগত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, চিকিৎসাকেন্দ্রিক ব্যবস্থা থেকে প্রতিরোধকেন্দ্রিক ব্যবস্থায় রূপান্তর, গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য, পুষ্টি ও টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা ও স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি ও চিকিৎসা শিল্পের বিকাশ ঘটানো।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত