মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার রমজানপুর রামের হাটে অগ্নিকাণ্ডে একটি বড় মুদি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বুধবার (১০ জুন) দিবাগত গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। এতে নগদ টাকাসহ প্রায় ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীর নাম রাজু বেপারী। তিনি ওই এলাকার আলাউদ্দিন বেপারীর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে রামের হাটে মুদি ব্যবসা করে আসছিলেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি চলে যান রাজু বেপারী। গভীর রাতে হঠাৎ দোকানে আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় লোকজন চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে তার আগেই দোকানের সব মালামাল পুড়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী রাজু বেপারী বলেন, ‘দোকানে বিক্রির নগদ ১ লাখ টাকা ছিল। এছাড়া পাইকারি ও খুচরা বিক্রির জন্য বিপুল পরিমাণ পণ্য মজুত ছিল। আগুনে সব মিলিয়ে আমার ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমি এখন নিঃস্ব হয়ে গেছি।’
বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার পর গতকাল সকালে বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তারা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীর প্রতি সমবেদনা জানিয়ে সহায়তার আশ্বাস দেন।
এদিকে বাজারে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা জোরদার ও বৈদ্যুতিক সংযোগ পরীক্ষা করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
/

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার রমজানপুর রামের হাটে অগ্নিকাণ্ডে একটি বড় মুদি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বুধবার (১০ জুন) দিবাগত গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। এতে নগদ টাকাসহ প্রায় ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীর নাম রাজু বেপারী। তিনি ওই এলাকার আলাউদ্দিন বেপারীর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে রামের হাটে মুদি ব্যবসা করে আসছিলেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি চলে যান রাজু বেপারী। গভীর রাতে হঠাৎ দোকানে আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় লোকজন চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে তার আগেই দোকানের সব মালামাল পুড়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী রাজু বেপারী বলেন, ‘দোকানে বিক্রির নগদ ১ লাখ টাকা ছিল। এছাড়া পাইকারি ও খুচরা বিক্রির জন্য বিপুল পরিমাণ পণ্য মজুত ছিল। আগুনে সব মিলিয়ে আমার ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমি এখন নিঃস্ব হয়ে গেছি।’
বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার পর গতকাল সকালে বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তারা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীর প্রতি সমবেদনা জানিয়ে সহায়তার আশ্বাস দেন।
এদিকে বাজারে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা জোরদার ও বৈদ্যুতিক সংযোগ পরীক্ষা করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
/

আপনার মতামত লিখুন