বিচারকের কণ্ঠস্বর নকল করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় জড়িত এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম মো. মেহেদী হাসান মিম (২৭)। তিনি নাটোর জেলার রামাইগাছি এলাকার বাসিন্দা।
গত ১০ জুন দিবাগত রাতে তথ্য প্রযুক্তি বিশ্লেষণ ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাইবার পুলিশ সেন্টারের (সিপিসি) একটি চৌকস দল নাটোর জেলার নিজ বাসভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খানের স্বাক্ষর করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদী যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে অজ্ঞাতনামা একটি চক্র তার নাম, পরিচয় ও পদবী ব্যবহার করে বন্ধু-বান্ধব, সহকর্মী ও আত্মীয়স্বজনদের কাছে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়।
প্রতারকরা কৃত্রিমভাবে বিচারকের কণ্ঠস্বরের অনুকরণ করে তার পরিচিত বিভিন্ন ব্যক্তিকে ফোন করে জানায়, বিচারকের মা ঢাকার একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন। হাসপাতাল ও অ্যাম্বুলেন্সের খরচ বাবদ জরুরিভিত্তিতে অর্থ প্রয়োজন বলে জানানো হয়।
এই প্রতারণামূলক কৌশলে বিভ্রান্ত হয়ে বিচারকের এক পরিচিত ব্যক্তি মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে প্রতারকদের কাছে ৫০ হাজার টাকা প্রেরণ করেন।
এ ছাড়া বিচারকের আরও কয়েকজন বন্ধু, সহকর্মী ও পরিচিত ব্যক্তির কাছে একই কৌশলে ফোন ও বার্তা পাঠিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হয়।
বিষয়টি জানার পর বাদী শেরপুর জেলার সদর থানায় মামলা করেন।
সিআইডি মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে তথ্য বিশ্লেষণ ও প্রযুক্তির সহায়তায় জানতে পারে, প্রতারণার সঙ্গে একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত। তারা বিভিন্ন ব্যক্তির পরিচয় ও কণ্ঠস্বর নকল করে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামি মামলার ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছে। তাকে সংশ্লিষ্ট আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বর্তমানে মামলার তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)। প্রতারণা চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত আছে।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
বিচারকের কণ্ঠস্বর নকল করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় জড়িত এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম মো. মেহেদী হাসান মিম (২৭)। তিনি নাটোর জেলার রামাইগাছি এলাকার বাসিন্দা।
গত ১০ জুন দিবাগত রাতে তথ্য প্রযুক্তি বিশ্লেষণ ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাইবার পুলিশ সেন্টারের (সিপিসি) একটি চৌকস দল নাটোর জেলার নিজ বাসভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খানের স্বাক্ষর করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদী যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে অজ্ঞাতনামা একটি চক্র তার নাম, পরিচয় ও পদবী ব্যবহার করে বন্ধু-বান্ধব, সহকর্মী ও আত্মীয়স্বজনদের কাছে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়।
প্রতারকরা কৃত্রিমভাবে বিচারকের কণ্ঠস্বরের অনুকরণ করে তার পরিচিত বিভিন্ন ব্যক্তিকে ফোন করে জানায়, বিচারকের মা ঢাকার একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন। হাসপাতাল ও অ্যাম্বুলেন্সের খরচ বাবদ জরুরিভিত্তিতে অর্থ প্রয়োজন বলে জানানো হয়।
এই প্রতারণামূলক কৌশলে বিভ্রান্ত হয়ে বিচারকের এক পরিচিত ব্যক্তি মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে প্রতারকদের কাছে ৫০ হাজার টাকা প্রেরণ করেন।
এ ছাড়া বিচারকের আরও কয়েকজন বন্ধু, সহকর্মী ও পরিচিত ব্যক্তির কাছে একই কৌশলে ফোন ও বার্তা পাঠিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হয়।
বিষয়টি জানার পর বাদী শেরপুর জেলার সদর থানায় মামলা করেন।
সিআইডি মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে তথ্য বিশ্লেষণ ও প্রযুক্তির সহায়তায় জানতে পারে, প্রতারণার সঙ্গে একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত। তারা বিভিন্ন ব্যক্তির পরিচয় ও কণ্ঠস্বর নকল করে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামি মামলার ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছে। তাকে সংশ্লিষ্ট আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বর্তমানে মামলার তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)। প্রতারণা চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত আছে।

আপনার মতামত লিখুন