বৈশাখী টিভিতে চলছে নতুন ধারাবাহিক নাটক ‘গ্রামের নাম সুন্দরপুর’। নাটকটি সপ্তাহে তিন দিন শনি, রবি ও সোমবার রাত ৮টা ৪০ মিনিটে প্রচারিত হবে। মো. শাহাদাৎ হোসেনের গল্প অবলম্বনে নির্মিত নাটকটির চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন আকাশ রঞ্জন। এতে অভিনয় করেছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, রোজী সিদ্দিকী, শফিক খান দিলু, শাকিলা পারভিন, মুকুল সিরাজ, সিদ্দিক মাস্টার, বাদল শহিদ, সাহেলা আক্তার, রূপক রেজা, রাহুল দেবরাজ, সোনিয়া ও সাগরিকাসহ আরও অনেকে।
নাটকের গল্প প্রসঙ্গে
পরিচালক আকাশ রঞ্জন বলেন, একসময় সুন্দরপুর গ্রামের মানুষের মধ্যে ছিল সম্প্রীতি, ভালোবাসা
ও পারস্পরিক সম্মান। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সমাজে নৈতিক অবক্ষয় ও অমানবিকতা
বেড়েছে। গ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও মানুষের মানসিকতা ও সামাজিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে
এসেছে বড় পরিবর্তন।
তিনি জানান, একসময়
গ্রামের যুবকেরা ফুটবল, হাডুডু, দাঁড়িয়াবান্ধা ও গোল্লাছুট খেলায় মেতে থাকত, যাত্রাপালা
ও সিনেমা উপভোগ করত। কিন্তু বর্তমান সময়ে অধিকাংশ তরুণ-তরুণী মোবাইল ফোনকেন্দ্রিক জীবনে
অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। ফলে পারস্পরিক যোগাযোগ, সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা আগের তুলনায়
অনেকটাই কমে গেছে। সমাজের এই নৈতিক ও মানবিক অবক্ষয়ের চিত্রই তুলে ধরা হয়েছে ধারাবাহিক
নাটক ‘গ্রামের নাম সুন্দরপুর’-এ।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
বৈশাখী টিভিতে চলছে নতুন ধারাবাহিক নাটক ‘গ্রামের নাম সুন্দরপুর’। নাটকটি সপ্তাহে তিন দিন শনি, রবি ও সোমবার রাত ৮টা ৪০ মিনিটে প্রচারিত হবে। মো. শাহাদাৎ হোসেনের গল্প অবলম্বনে নির্মিত নাটকটির চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন আকাশ রঞ্জন। এতে অভিনয় করেছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, রোজী সিদ্দিকী, শফিক খান দিলু, শাকিলা পারভিন, মুকুল সিরাজ, সিদ্দিক মাস্টার, বাদল শহিদ, সাহেলা আক্তার, রূপক রেজা, রাহুল দেবরাজ, সোনিয়া ও সাগরিকাসহ আরও অনেকে।
নাটকের গল্প প্রসঙ্গে
পরিচালক আকাশ রঞ্জন বলেন, একসময় সুন্দরপুর গ্রামের মানুষের মধ্যে ছিল সম্প্রীতি, ভালোবাসা
ও পারস্পরিক সম্মান। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সমাজে নৈতিক অবক্ষয় ও অমানবিকতা
বেড়েছে। গ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও মানুষের মানসিকতা ও সামাজিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে
এসেছে বড় পরিবর্তন।
তিনি জানান, একসময়
গ্রামের যুবকেরা ফুটবল, হাডুডু, দাঁড়িয়াবান্ধা ও গোল্লাছুট খেলায় মেতে থাকত, যাত্রাপালা
ও সিনেমা উপভোগ করত। কিন্তু বর্তমান সময়ে অধিকাংশ তরুণ-তরুণী মোবাইল ফোনকেন্দ্রিক জীবনে
অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। ফলে পারস্পরিক যোগাযোগ, সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা আগের তুলনায়
অনেকটাই কমে গেছে। সমাজের এই নৈতিক ও মানবিক অবক্ষয়ের চিত্রই তুলে ধরা হয়েছে ধারাবাহিক
নাটক ‘গ্রামের নাম সুন্দরপুর’-এ।

আপনার মতামত লিখুন