সংবাদ

তরুণদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা বাড়ছে, সতর্ক করছেন চিকিৎসকরা


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:৩৪ পিএম

তরুণদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা বাড়ছে, সতর্ক করছেন চিকিৎসকরা

বিশ্বজুড়ে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে চলেছে। চিকিসা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ৪০ বছরের কম বয়সি তরুণদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বিশেষভাবে চোখে পড়ার মতো হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

চিকিসকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্তদের প্রায় ১৫ শতাংশের বয়স ৪০ বছরের নিচে। এর প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে অস্বাস্থ্যকর জীবনধারা, অতিরিক্ত ওজন, উচ্চ রক্তচাপ, খাদ্যাভ্যাসে অনিয়ম এবং নিয়মিত শারীরিক কসরতের অভাব।

করাচির হাসপাতালগুলোর পরিসংখ্যানেও পরিস্থিতির গুরুত্ব স্পষ্ট হচ্ছে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজেসে (এনআইসিভিডি) প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬০ জন হার্ট অ্যাটাকের রোগী ভর্তি হচ্ছেন। সিভিল হাসপাতালে দৈনিক প্রায় পাঁচজন এবং বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ৩০ জনের বেশি রোগীর হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা রেকর্ড করা হচ্ছে।

এনআইসিভিডির প্রধান ডা. তাহির সগীরের তথ্যানুযায়ী, হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্তদের ১৫ থেকে ২০ শতাংশই ৪০ বছরের কম বয়সি, এবং এদের অনেকেই হাসপাতালে আসার আগেই প্রাণ হারাচ্ছেন।

হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সলিম বিরানির মতে, হৃদরোগ প্রতিরোধে সুষম খাবার গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান ও তামাকজাত পণ্য থেকে দূরে থাকা এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো অপরিহার্য।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, তরুণরা যদি এখনই তাদের জীবনযাত্রায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন না আনে, তাহলে আগামী দিনে হার্ট অ্যাটাক একটি বড় সামাজিক সমস্যায় রূপ নিতে পারে।

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬


তরুণদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা বাড়ছে, সতর্ক করছেন চিকিৎসকরা

প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬

featured Image

বিশ্বজুড়ে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে চলেছে। চিকিসা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ৪০ বছরের কম বয়সি তরুণদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বিশেষভাবে চোখে পড়ার মতো হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

চিকিসকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্তদের প্রায় ১৫ শতাংশের বয়স ৪০ বছরের নিচে। এর প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে অস্বাস্থ্যকর জীবনধারা, অতিরিক্ত ওজন, উচ্চ রক্তচাপ, খাদ্যাভ্যাসে অনিয়ম এবং নিয়মিত শারীরিক কসরতের অভাব।

করাচির হাসপাতালগুলোর পরিসংখ্যানেও পরিস্থিতির গুরুত্ব স্পষ্ট হচ্ছে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজেসে (এনআইসিভিডি) প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬০ জন হার্ট অ্যাটাকের রোগী ভর্তি হচ্ছেন। সিভিল হাসপাতালে দৈনিক প্রায় পাঁচজন এবং বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ৩০ জনের বেশি রোগীর হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা রেকর্ড করা হচ্ছে।

এনআইসিভিডির প্রধান ডা. তাহির সগীরের তথ্যানুযায়ী, হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্তদের ১৫ থেকে ২০ শতাংশই ৪০ বছরের কম বয়সি, এবং এদের অনেকেই হাসপাতালে আসার আগেই প্রাণ হারাচ্ছেন।

হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সলিম বিরানির মতে, হৃদরোগ প্রতিরোধে সুষম খাবার গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান ও তামাকজাত পণ্য থেকে দূরে থাকা এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো অপরিহার্য।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, তরুণরা যদি এখনই তাদের জীবনযাত্রায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন না আনে, তাহলে আগামী দিনে হার্ট অ্যাটাক একটি বড় সামাজিক সমস্যায় রূপ নিতে পারে।

 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত