পুলিশের হাতে মারধর ও হেনস্থার শিকার হওয়া জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসান ‘তাড়াতাড়ি স্বাভাবিক’ হয়ে উঠতে মাঠে ফিরছেন। বিসিবি চিকিৎসকদের পরামর্শে দ্রুত খেলায় ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
রোববার (১৪ জুন) বিকেলে নাঈম ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার বড় ভাই কামরুল আলম সাব্বির।
সাব্বির জানান, ‘বিসিবির চিকিৎসকরা গতকাল (শনিবার) এসে তাকে দেখে গেছেন। তাদের মতামত হলো, খেলায় থাকলে নাঈম তাড়াতাড়ি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। শরীরের আঘাতজনিত ব্যথা ধীরে ধীরে সেরে যাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা পরিবারের সদস্যরাও মনে করছি, মাঠে থাকলেই সে ভালো থাকবে। তাই দ্রুত খেলায় ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
নাঈম আগামীকাল ঢাকায় ‘এ’ দলের খেলায় অংশ নেবেন। এরপর সিলেট যাবেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে।
এর আগে গত শুক্রবার রাতে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান নাঈম। সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন। নগরীর লালখান বাজার মোড়ে অটোরিকশাটি থামিয়ে তাকে মারধর করেন পুলিশ সদস্যরা। পরে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
থানায় পরিচয় দেওয়ার পরও খুলশী থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান ‘চোখ নামিয়ে কথা বলার’ নির্দেশ দেন বলে অভিযোগ নাঈমের। পরে বিসিবির শীর্ষ কর্তাদের ফোন পেয়ে ওসি নাঈমকে ‘আপনি’ সম্বোধন করে বসতে বলেন।
এই ঘটনায় নাঈম হাসানের সঙ্গে ‘অপেশাদার’ আচরণের অভিযোগে শনিবার দুপুরে দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি)। রাতে খুলশী থানার ওসি মো. আরিফুর রহমানকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।
ঘটনার পর জাতীয় দলের সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটাররা সামাজিক মাধ্যমে এর তীব্র নিন্দা জানান। শনিবার দুপুরে নাঈমের বাড়ি যান সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী।

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
পুলিশের হাতে মারধর ও হেনস্থার শিকার হওয়া জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসান ‘তাড়াতাড়ি স্বাভাবিক’ হয়ে উঠতে মাঠে ফিরছেন। বিসিবি চিকিৎসকদের পরামর্শে দ্রুত খেলায় ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
রোববার (১৪ জুন) বিকেলে নাঈম ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার বড় ভাই কামরুল আলম সাব্বির।
সাব্বির জানান, ‘বিসিবির চিকিৎসকরা গতকাল (শনিবার) এসে তাকে দেখে গেছেন। তাদের মতামত হলো, খেলায় থাকলে নাঈম তাড়াতাড়ি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। শরীরের আঘাতজনিত ব্যথা ধীরে ধীরে সেরে যাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা পরিবারের সদস্যরাও মনে করছি, মাঠে থাকলেই সে ভালো থাকবে। তাই দ্রুত খেলায় ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
নাঈম আগামীকাল ঢাকায় ‘এ’ দলের খেলায় অংশ নেবেন। এরপর সিলেট যাবেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে।
এর আগে গত শুক্রবার রাতে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান নাঈম। সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন। নগরীর লালখান বাজার মোড়ে অটোরিকশাটি থামিয়ে তাকে মারধর করেন পুলিশ সদস্যরা। পরে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
থানায় পরিচয় দেওয়ার পরও খুলশী থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান ‘চোখ নামিয়ে কথা বলার’ নির্দেশ দেন বলে অভিযোগ নাঈমের। পরে বিসিবির শীর্ষ কর্তাদের ফোন পেয়ে ওসি নাঈমকে ‘আপনি’ সম্বোধন করে বসতে বলেন।
এই ঘটনায় নাঈম হাসানের সঙ্গে ‘অপেশাদার’ আচরণের অভিযোগে শনিবার দুপুরে দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি)। রাতে খুলশী থানার ওসি মো. আরিফুর রহমানকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।
ঘটনার পর জাতীয় দলের সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটাররা সামাজিক মাধ্যমে এর তীব্র নিন্দা জানান। শনিবার দুপুরে নাঈমের বাড়ি যান সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী।

আপনার মতামত লিখুন