অবশেষে বহুল প্রতীক্ষিত শান্তিচুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। দীর্ঘ উত্তেজনা ও যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে দুই দেশই সমঝোতার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। আর এই ঐতিহাসিক খবরের ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা গেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বাজার
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বৈশ্বিক
মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩.৫৮ ডলার বা
৪.১০ শতাংশ কমে
৮৩.৭৫ ডলারে নেমে
এসেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের
ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৪.০১
ডলার বা ৪.৭২
শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮০.৮৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
কেসিএম
ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার এ
প্রসঙ্গে বলেন: "তেলের দামের সঙ্গে যুক্ত ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকির
যে অতিরিক্ত মূল্যায়ন এত দিন ছিল,
তা এখন দ্রুত কমে
যাচ্ছে। কারণ ব্যবসায়ীরা বাজারে
তেল সরবরাহ পুনরায় পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনাকে বিবেচনায় নিচ্ছেন।"
মধ্যপ্রাচ্যের
চলমান যুদ্ধের কারণে দীর্ঘ তিন মাসেরও বেশি
সময় ধরে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ 'হরমুজ প্রণালী' বন্ধ ছিল। এর
ফলে বিশ্ববাজারে লাখ লাখ ব্যারেল
তেল ও গ্যাসের সরবরাহ
মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। উল্লেখ্য, বিশ্বের
মোট উৎপাদিত তেল ও তরলীকৃত
প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ (২০%)
এই নৌপথ দিয়েই পরিবহন
করা হয়।
ইরানের
আধা-সরকারি সংবাদ মাধ্যম 'মেহর নিউজ এজেন্সি'
জানিয়েছে, দুই দেশের মধ্যকার
খসড়া চুক্তি অনুযায়ী—আগামী ৩০ দিনের মধ্যে
ইরানের তত্ত্বাবধানে হরমুজ প্রণালী পুনরায় সব ধরনের বাণিজ্যিক
জাহাজের জন্য পুরোপুরি খুলে
দেওয়া হবে।
এই ঐতিহাসিক চুক্তির মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান জানিয়েছে,
আগামী শুক্রবার (১৯ জুন) সুইজারল্যান্ডে
দুই দেশের শীর্ষ প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই শান্তিচুক্তি সই
হবে।
বিশ্লেষকরা
মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের এই চুক্তির ফলে
বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতিতে স্বস্তি ফিরে আসবে।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
অবশেষে বহুল প্রতীক্ষিত শান্তিচুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। দীর্ঘ উত্তেজনা ও যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে দুই দেশই সমঝোতার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। আর এই ঐতিহাসিক খবরের ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা গেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বাজার
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বৈশ্বিক
মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩.৫৮ ডলার বা
৪.১০ শতাংশ কমে
৮৩.৭৫ ডলারে নেমে
এসেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের
ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৪.০১
ডলার বা ৪.৭২
শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮০.৮৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
কেসিএম
ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার এ
প্রসঙ্গে বলেন: "তেলের দামের সঙ্গে যুক্ত ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকির
যে অতিরিক্ত মূল্যায়ন এত দিন ছিল,
তা এখন দ্রুত কমে
যাচ্ছে। কারণ ব্যবসায়ীরা বাজারে
তেল সরবরাহ পুনরায় পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনাকে বিবেচনায় নিচ্ছেন।"
মধ্যপ্রাচ্যের
চলমান যুদ্ধের কারণে দীর্ঘ তিন মাসেরও বেশি
সময় ধরে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ 'হরমুজ প্রণালী' বন্ধ ছিল। এর
ফলে বিশ্ববাজারে লাখ লাখ ব্যারেল
তেল ও গ্যাসের সরবরাহ
মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। উল্লেখ্য, বিশ্বের
মোট উৎপাদিত তেল ও তরলীকৃত
প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ (২০%)
এই নৌপথ দিয়েই পরিবহন
করা হয়।
ইরানের
আধা-সরকারি সংবাদ মাধ্যম 'মেহর নিউজ এজেন্সি'
জানিয়েছে, দুই দেশের মধ্যকার
খসড়া চুক্তি অনুযায়ী—আগামী ৩০ দিনের মধ্যে
ইরানের তত্ত্বাবধানে হরমুজ প্রণালী পুনরায় সব ধরনের বাণিজ্যিক
জাহাজের জন্য পুরোপুরি খুলে
দেওয়া হবে।
এই ঐতিহাসিক চুক্তির মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান জানিয়েছে,
আগামী শুক্রবার (১৯ জুন) সুইজারল্যান্ডে
দুই দেশের শীর্ষ প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই শান্তিচুক্তি সই
হবে।
বিশ্লেষকরা
মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের এই চুক্তির ফলে
বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতিতে স্বস্তি ফিরে আসবে।

আপনার মতামত লিখুন