সংবাদ

কালুখালীতে পাটক্ষেত থেকে তরুণের মরদেহ উদ্ধার


প্রতিনিধি, রাজবাড়ী
প্রতিনিধি, রাজবাড়ী
প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০২:৪৮ পিএম

কালুখালীতে পাটক্ষেত থেকে তরুণের মরদেহ উদ্ধার
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে আলামত সংগ্রহ করছেন পুলিশ। ছবি : সংবাদ

রাজবাড়ীর কালুখালীতে নিখোঁজের এক দিন পর আসাদুল ইসলাম (২৫) নামে এক তরুণের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) সকালে উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের সূর্যদিয়া এলাকার একটি পাটক্ষেত থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যার পর মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

নিহত আসাদুল ইসলাম উপজেলার বিলমানুষমারি গ্রামের শাহজাহান মণ্ডলের ছেলে। তিনি মীর মশাররফ হোসেন সরকারি ডিগ্রি কলেজের ছাত্র ছিলেন। জেলা জামায়াতে ইসলামীর দাবি, আসাদুল তাদের দলের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১৪ জুন) দুপুরে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আসাদুল আর ফিরে আসেননি। স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি। পরে রাত ১০টার দিকে কালুখালী থানায় নিখোঁজের বিষয়টি জানানো হয়। সোমবার (১৫ জুন) সকাল সাড়ে সাতটার দিকে স্থানীয় লোকজন সূর্যদিয়া মাদ্রাসার পাশের একটি পাটক্ষেতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন।

পাংশা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার দেবব্রত সরকার বলেন, আসাদুলকে হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যার পর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।

রাজবাড়ী জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাডভোকেট মো. নূরুল ইসলাম বলেন, ‘আসাদুল আমাদের দলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। গতকাল বিকেলে সোনাপুর হাটে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন।’

/

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


কালুখালীতে পাটক্ষেত থেকে তরুণের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬

featured Image

রাজবাড়ীর কালুখালীতে নিখোঁজের এক দিন পর আসাদুল ইসলাম (২৫) নামে এক তরুণের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) সকালে উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের সূর্যদিয়া এলাকার একটি পাটক্ষেত থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যার পর মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

নিহত আসাদুল ইসলাম উপজেলার বিলমানুষমারি গ্রামের শাহজাহান মণ্ডলের ছেলে। তিনি মীর মশাররফ হোসেন সরকারি ডিগ্রি কলেজের ছাত্র ছিলেন। জেলা জামায়াতে ইসলামীর দাবি, আসাদুল তাদের দলের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১৪ জুন) দুপুরে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আসাদুল আর ফিরে আসেননি। স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি। পরে রাত ১০টার দিকে কালুখালী থানায় নিখোঁজের বিষয়টি জানানো হয়। সোমবার (১৫ জুন) সকাল সাড়ে সাতটার দিকে স্থানীয় লোকজন সূর্যদিয়া মাদ্রাসার পাশের একটি পাটক্ষেতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন।

পাংশা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার দেবব্রত সরকার বলেন, আসাদুলকে হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যার পর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।

রাজবাড়ী জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাডভোকেট মো. নূরুল ইসলাম বলেন, ‘আসাদুল আমাদের দলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। গতকাল বিকেলে সোনাপুর হাটে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন।’

/


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত