ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় ৪ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৪ জুন) রাতে উপজেলার গোয়াতলা ইউনিয়নের ট্যাংগাটি গ্রামে কংশ নদীর পাড় থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সোমবার (১৫ জুন) সকালে পুলিশ মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত শিশুর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১৪ জুন) বিকেলে মায়ের কাছ থেকে বিস্কুট খেয়ে বাড়ির বাইরে খেলতে যায় ওই শিশু। সন্ধ্যা হয়ে গেলেও সে ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পাশে কংশ নদীর পাড়ে শিশুটির নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন তারা।
পরিবারের সদস্যরা জানান, রাতেই শিশুটিকে দাফন করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দাফনের আগে গোসল করানোর সময় শিশুটির শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন ও শারীরিক বিকৃতি দেখতে পান এক নারী। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
গোসল করানোর দায়িত্বে থাকা মেহের বানু বলেন, ‘গোসল করাইতে গিয়ে দেখি শিশুর শরীরে বিকৃতি। পরে সবাইকে বিষয়টি জানাই।’
গোয়াতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকিরুল ইসলাম টুটন বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত নৃশংস। আমরা চাই প্রকৃত দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।’
ধোবাউড়া-হালুয়াঘাট সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো যাবে।
নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় উত্তেজনা ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
/

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় ৪ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৪ জুন) রাতে উপজেলার গোয়াতলা ইউনিয়নের ট্যাংগাটি গ্রামে কংশ নদীর পাড় থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সোমবার (১৫ জুন) সকালে পুলিশ মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত শিশুর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১৪ জুন) বিকেলে মায়ের কাছ থেকে বিস্কুট খেয়ে বাড়ির বাইরে খেলতে যায় ওই শিশু। সন্ধ্যা হয়ে গেলেও সে ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পাশে কংশ নদীর পাড়ে শিশুটির নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন তারা।
পরিবারের সদস্যরা জানান, রাতেই শিশুটিকে দাফন করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দাফনের আগে গোসল করানোর সময় শিশুটির শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন ও শারীরিক বিকৃতি দেখতে পান এক নারী। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
গোসল করানোর দায়িত্বে থাকা মেহের বানু বলেন, ‘গোসল করাইতে গিয়ে দেখি শিশুর শরীরে বিকৃতি। পরে সবাইকে বিষয়টি জানাই।’
গোয়াতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকিরুল ইসলাম টুটন বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত নৃশংস। আমরা চাই প্রকৃত দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।’
ধোবাউড়া-হালুয়াঘাট সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো যাবে।
নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় উত্তেজনা ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
/

আপনার মতামত লিখুন