ফুটবল মহাযজ্ঞের শুরুতেই যেন এক রুদ্রমূর্তি ধারণ করলেন কাই হাভার্টজ। মাঠের বাইরের সব সমালোচনা, সংশয় আর বিতর্ককে বুটের নিচে পিষে ফেলে কুরাসাওয়ের রক্ষণভাগকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দিলেন এই জার্মান ফরোয়ার্ড।
বিশ্বকাপের
উদ্বোধনী ম্যাচেই কুরাসাওকে ৭-১ গোলে
বিধ্বস্ত করার রাতে জোড়া
গোল করে জার্মানির বড়
জয়ের রাজকীয় নায়ক এখন তিনিই।
এই বিস্ফোরক পারফরম্যান্সের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
বিশ্বজুড়ে জার্মান সমর্থকদের মাঝে যেন আনন্দের
সুনামি বয়ে যাচ্ছে।
প্রিয়
তারকার এমন রাজকীয় প্রত্যাবর্তনে
উচ্ছ্বসিত ভক্তরা সগৌরবে লিখেছেন, "সে আসলেই একজন
টপ প্লেয়ার।" আবার অনেক চেনা
সমর্থক বুক ফুলিয়ে মনে
করছেন, মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই দীর্ঘদিনের সব সমালোচনার যথাযথ
জবাব দিয়েছেন হাভার্টজ।
বিশ্বকাপের
মহাবীরত্বগাথা লেখার আগে হাভার্টজকে নিয়ে
প্রশ্নের কোনো কমতি ছিল
না। জাতীয় দলের জার্সিতে তার
ধারাবাহিকতা এবং প্রথম একাদশে
জায়গা পাওয়া নিয়ে খোদ জার্মানির
ভেতরেই চলছিল তুমুল বিতর্ক। তবে কুরাসাওয়ের বিপক্ষে
মাঠে নেমে তিনি শুধু
গোলই করেননি, বরং বুঝিয়ে দিয়েছেন
কেন কোচ হুলিয়ান নাগেলসমান
তার ওপর অন্ধ আস্থা
রেখেছিলেন।
জোড়া
গোলের সুবাদে টুর্নামেন্টের শুরুতেই গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে নিজের নামটা বেশ জোরেশোরেই তুলে
ফেলেছেন এই আর্সেনাল তারকা।
২০১৮ এবং ২০২২ বিশ্বকাপের
গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়ের
সেই দুঃসহ স্মৃতি আর হতাশার বেড়াজাল
ভেঙে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা যে এবার ট্রফি
পুনরুদ্ধার করতেই এসেছে, কুরাসাওয়ের বিপক্ষে এই দাপুটে জয়
সেই মিশনেরই এক শক্তিশালী ও
ভয়ংকর বার্তা।
খেলার
মাঠে হাভার্টজের সঙ্গে জামাল মুসিয়ালা ও ফ্লোরিয়ান উইর্টজদের
আক্রমণভাগের জাদুকরী রসায়ন টুর্নামেন্টের বাকি দলগুলোর জন্য
বড় আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে
বলে মনে করছেন ফুটবল
বিশ্লেষকেরা।
বিশ্বকাপের
শুরুতেই এমন অতিমানবীয় পারফরম্যান্সের
মাধ্যমে হাভার্টজ শুধু জার্মান শিবিরে
স্বস্তিই ফিরিয়ে আনেননি, বরং কোটি সমর্থকের
মনে পঞ্চমবারের মতো বিশ্বজয়ের সুপ্ত
স্বপ্নকে নতুন করে জাগিয়ে
তুলেছেন। সমালোচকদের বুড়ো আঙুল দেখিয়ে
হাভার্টজের এই রাজকীয় পথচলা
কতদূর যায়, এখন সেটাই
দেখার অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
ফুটবল মহাযজ্ঞের শুরুতেই যেন এক রুদ্রমূর্তি ধারণ করলেন কাই হাভার্টজ। মাঠের বাইরের সব সমালোচনা, সংশয় আর বিতর্ককে বুটের নিচে পিষে ফেলে কুরাসাওয়ের রক্ষণভাগকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দিলেন এই জার্মান ফরোয়ার্ড।
বিশ্বকাপের
উদ্বোধনী ম্যাচেই কুরাসাওকে ৭-১ গোলে
বিধ্বস্ত করার রাতে জোড়া
গোল করে জার্মানির বড়
জয়ের রাজকীয় নায়ক এখন তিনিই।
এই বিস্ফোরক পারফরম্যান্সের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
বিশ্বজুড়ে জার্মান সমর্থকদের মাঝে যেন আনন্দের
সুনামি বয়ে যাচ্ছে।
প্রিয়
তারকার এমন রাজকীয় প্রত্যাবর্তনে
উচ্ছ্বসিত ভক্তরা সগৌরবে লিখেছেন, "সে আসলেই একজন
টপ প্লেয়ার।" আবার অনেক চেনা
সমর্থক বুক ফুলিয়ে মনে
করছেন, মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই দীর্ঘদিনের সব সমালোচনার যথাযথ
জবাব দিয়েছেন হাভার্টজ।
বিশ্বকাপের
মহাবীরত্বগাথা লেখার আগে হাভার্টজকে নিয়ে
প্রশ্নের কোনো কমতি ছিল
না। জাতীয় দলের জার্সিতে তার
ধারাবাহিকতা এবং প্রথম একাদশে
জায়গা পাওয়া নিয়ে খোদ জার্মানির
ভেতরেই চলছিল তুমুল বিতর্ক। তবে কুরাসাওয়ের বিপক্ষে
মাঠে নেমে তিনি শুধু
গোলই করেননি, বরং বুঝিয়ে দিয়েছেন
কেন কোচ হুলিয়ান নাগেলসমান
তার ওপর অন্ধ আস্থা
রেখেছিলেন।
জোড়া
গোলের সুবাদে টুর্নামেন্টের শুরুতেই গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে নিজের নামটা বেশ জোরেশোরেই তুলে
ফেলেছেন এই আর্সেনাল তারকা।
২০১৮ এবং ২০২২ বিশ্বকাপের
গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়ের
সেই দুঃসহ স্মৃতি আর হতাশার বেড়াজাল
ভেঙে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা যে এবার ট্রফি
পুনরুদ্ধার করতেই এসেছে, কুরাসাওয়ের বিপক্ষে এই দাপুটে জয়
সেই মিশনেরই এক শক্তিশালী ও
ভয়ংকর বার্তা।
খেলার
মাঠে হাভার্টজের সঙ্গে জামাল মুসিয়ালা ও ফ্লোরিয়ান উইর্টজদের
আক্রমণভাগের জাদুকরী রসায়ন টুর্নামেন্টের বাকি দলগুলোর জন্য
বড় আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে
বলে মনে করছেন ফুটবল
বিশ্লেষকেরা।
বিশ্বকাপের
শুরুতেই এমন অতিমানবীয় পারফরম্যান্সের
মাধ্যমে হাভার্টজ শুধু জার্মান শিবিরে
স্বস্তিই ফিরিয়ে আনেননি, বরং কোটি সমর্থকের
মনে পঞ্চমবারের মতো বিশ্বজয়ের সুপ্ত
স্বপ্নকে নতুন করে জাগিয়ে
তুলেছেন। সমালোচকদের বুড়ো আঙুল দেখিয়ে
হাভার্টজের এই রাজকীয় পথচলা
কতদূর যায়, এখন সেটাই
দেখার অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব।

আপনার মতামত লিখুন