নেদারল্যান্ডস-জাপান ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলের খেলায় না ছিল গোলের তাগিদ, না ছিল আগ্রাসন। দ্বিতীয়ার্ধে সেই দুই দলের খেলাই আমূল বদলে গেলো। খেলায় গতি এলো, প্রাণ ফিরে পেলো ম্যাচ। দেখা গেলো লড়াকু, আগ্রাসী জাপানকে। এশিয়ার দল রুখে দিলো নেদারল্যান্ডসকে। গত রোববার ডালাসে শেষ মুহূর্তের করা গোলে ২-২ ড্র হলো ম্যাচ।
তিন মিনিটের মধ্যেই এগিয়ে যাওয়ার
সুযোগ পেয়েছিল নেদারল্যান্ডস। কিন্তু মালেনের শট বারের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। এরপর থেকে
দু’দলের খেলায় শুধু নিষ্প্রাণ ফুটবল। নেদারল্যান্ডস যতটা পারছিল নিজেদের মধ্যে পাস
খেলছিল। চেষ্টা করছিল বলের দখল রাখার। কিন্তু গোলের সুযোগ সেভাবে তৈরিই হচ্ছিল না।
বরং তারা মাঝে মধ্যে শারীরিক ফুটবলে জাপানকে বেগ দেয়ার চেষ্টা করছিল, যার কোনো দরকারই
ছিল না। যে কয়েকটি সুযোগ তারা তৈরি করেছিল তা রুখে দেন জাপানের গোলকিপার সুজুকি।
সাম্প্রতিক অতীতে ইংল্যান্ড,
ব্রাজিলের মতো দেশকে হারিয়েছে জাপান। গতবারের বিশ্বকাপে হারিয়েছে জার্মানির মতো দলকে।
সেই দলের এমন নিষ্প্রভ ফুটবল দেখে অবাক সমর্থকরা। জাপান মানেই আগ্রাসী ফুটবল, প্রতি
আক্রমণে ঝড় তুলে দেয়া খেলা। কিন্তু এদিন প্রথমার্ধে জাপানকে দেখে মনে হচ্ছিল খেলার
ইচ্ছেই নেই তাদের। কোনো মতে জোর করে মাঠে নামানো হয়েছে। চোটের কারণে মিনামিনো, মিতোমারা
না থাকায় এমনিতেই তারা একটু দুর্বল। তা বলে লড়াইটুকু দেখা যাবে না, এটা অনেকেই প্রত্যাশা
করেননি।
দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলের খেলাই
বদলে গেলো। শুরুটা হয় নেদারল্যান্ডসকে দিয়ে। সেটাও জাপানের রক্ষণের ভুলে। ডান দিক থেকে
ভেসে আসা ক্রস যখন ভ্যান ডাইক হেড করার সময় জাপানের কোনো খেলোয়াড় তাকে মার্ক করেননি।
কার্যত ফাঁকায় গোল করে যান নেদারল্যান্ডসের অধিনায়ক। জাপান স্বমূর্তি ধারণ করে পিছিরে
যাওয়ার ৭ মিনিট পর। তাকেফুসা কুবো নেদারল্যান্ডসের বক্সে ঢুকে পাস দেন সতীর্থ নাকামুরাকে।
তিনি বল ধরে সামান্য এগিয়ে নিচু শটে পরাস্ত করেন ভারব্রুগেনকে। নাকামুরার এক সতীর্থ
অফসাইডে দাঁড়িয়েছিলেন। তার পায়ে হালকা স্পর্শ লেগে বল গোলে ঢোকে। যদি রেফারি অফসাইড
দেননি। কয়েক মিনিট পরে আবার এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। এবার গোল করেন সামারভিল। তার
গোল আসে অনেকটা আর্জেন রবেনের কায়দায়। জাপানের বক্সে ঢুকে বাঁ দিকে কাট করে বিপক্ষের
ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বাঁ পায়ের নিচু শটে গোল করেন তিনি। জাপানের গোলকিপারের কিছু করারই
ছিল না।
খেলা শেষ হতে তখন দু’মিনিট বাকি।
মনে হচ্ছিল তিন পয়েন্ট নিয়েই ফিরবে নেদারল্যান্ডস। তা হতে দিলেন না কোকি ওগাওয়া। তার
শট দাইচি কামাদার গায়ে লেগে গোলে ঢুকে যায়। পিছিয়েও পড়েও ডালাসে এক পয়েন্ট ছিনিয়ে নেয়
জাপান।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
নেদারল্যান্ডস-জাপান ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলের খেলায় না ছিল গোলের তাগিদ, না ছিল আগ্রাসন। দ্বিতীয়ার্ধে সেই দুই দলের খেলাই আমূল বদলে গেলো। খেলায় গতি এলো, প্রাণ ফিরে পেলো ম্যাচ। দেখা গেলো লড়াকু, আগ্রাসী জাপানকে। এশিয়ার দল রুখে দিলো নেদারল্যান্ডসকে। গত রোববার ডালাসে শেষ মুহূর্তের করা গোলে ২-২ ড্র হলো ম্যাচ।
তিন মিনিটের মধ্যেই এগিয়ে যাওয়ার
সুযোগ পেয়েছিল নেদারল্যান্ডস। কিন্তু মালেনের শট বারের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। এরপর থেকে
দু’দলের খেলায় শুধু নিষ্প্রাণ ফুটবল। নেদারল্যান্ডস যতটা পারছিল নিজেদের মধ্যে পাস
খেলছিল। চেষ্টা করছিল বলের দখল রাখার। কিন্তু গোলের সুযোগ সেভাবে তৈরিই হচ্ছিল না।
বরং তারা মাঝে মধ্যে শারীরিক ফুটবলে জাপানকে বেগ দেয়ার চেষ্টা করছিল, যার কোনো দরকারই
ছিল না। যে কয়েকটি সুযোগ তারা তৈরি করেছিল তা রুখে দেন জাপানের গোলকিপার সুজুকি।
সাম্প্রতিক অতীতে ইংল্যান্ড,
ব্রাজিলের মতো দেশকে হারিয়েছে জাপান। গতবারের বিশ্বকাপে হারিয়েছে জার্মানির মতো দলকে।
সেই দলের এমন নিষ্প্রভ ফুটবল দেখে অবাক সমর্থকরা। জাপান মানেই আগ্রাসী ফুটবল, প্রতি
আক্রমণে ঝড় তুলে দেয়া খেলা। কিন্তু এদিন প্রথমার্ধে জাপানকে দেখে মনে হচ্ছিল খেলার
ইচ্ছেই নেই তাদের। কোনো মতে জোর করে মাঠে নামানো হয়েছে। চোটের কারণে মিনামিনো, মিতোমারা
না থাকায় এমনিতেই তারা একটু দুর্বল। তা বলে লড়াইটুকু দেখা যাবে না, এটা অনেকেই প্রত্যাশা
করেননি।
দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলের খেলাই
বদলে গেলো। শুরুটা হয় নেদারল্যান্ডসকে দিয়ে। সেটাও জাপানের রক্ষণের ভুলে। ডান দিক থেকে
ভেসে আসা ক্রস যখন ভ্যান ডাইক হেড করার সময় জাপানের কোনো খেলোয়াড় তাকে মার্ক করেননি।
কার্যত ফাঁকায় গোল করে যান নেদারল্যান্ডসের অধিনায়ক। জাপান স্বমূর্তি ধারণ করে পিছিরে
যাওয়ার ৭ মিনিট পর। তাকেফুসা কুবো নেদারল্যান্ডসের বক্সে ঢুকে পাস দেন সতীর্থ নাকামুরাকে।
তিনি বল ধরে সামান্য এগিয়ে নিচু শটে পরাস্ত করেন ভারব্রুগেনকে। নাকামুরার এক সতীর্থ
অফসাইডে দাঁড়িয়েছিলেন। তার পায়ে হালকা স্পর্শ লেগে বল গোলে ঢোকে। যদি রেফারি অফসাইড
দেননি। কয়েক মিনিট পরে আবার এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। এবার গোল করেন সামারভিল। তার
গোল আসে অনেকটা আর্জেন রবেনের কায়দায়। জাপানের বক্সে ঢুকে বাঁ দিকে কাট করে বিপক্ষের
ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বাঁ পায়ের নিচু শটে গোল করেন তিনি। জাপানের গোলকিপারের কিছু করারই
ছিল না।
খেলা শেষ হতে তখন দু’মিনিট বাকি।
মনে হচ্ছিল তিন পয়েন্ট নিয়েই ফিরবে নেদারল্যান্ডস। তা হতে দিলেন না কোকি ওগাওয়া। তার
শট দাইচি কামাদার গায়ে লেগে গোলে ঢুকে যায়। পিছিয়েও পড়েও ডালাসে এক পয়েন্ট ছিনিয়ে নেয়
জাপান।

আপনার মতামত লিখুন