দীর্ঘ এক দশক ধরে ঝুলে থাকার পর অবশেষে আলোর মুখ দেখছে ‘চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল’ প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন বেইজিং সফরের আগেই এই বড় উদ্যোগটি গতি পেল। আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সচিবালয়ে চলমান জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক
অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) আগামী ৫ বছরের মধ্যে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার কাজ সম্পন্ন
করবে। চট্টগ্রামের আনোয়ারায় মোট ৭৮৩ একর জমির ওপর এই বিশেষ জোন তৈরি করা হবে। প্রকল্প
বাস্তবায়নে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ১৮৯ কোটি টাকা। মোট ব্যয়ের মধ্যে
প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা ঋণ হিসেবে দেবে চীন। প্রকল্পটির সমীক্ষা ও ডেভেলপার
হিসেবে মনোনীত হয়েছে ‘চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ কর্পোরেশন’ (সিআরবিসি)।
পরিকল্পনা কমিশন
জানিয়েছে, দেশে চীনা বিনিয়োগের পরিধি ব্যাপকভাবে বাড়াতেই এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা
হয়েছে। এই জোনটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে প্রায় ৫০ কোটি ডলারের সরাসরি বিদেশি
বিনিয়োগ আসবে। এর ফলে দেশের অন্তত ১ লাখ মানুষের বিশাল কর্মসংস্থানের সুযোগ
সৃষ্টি হবে।
অর্থনৈতিক অঞ্চলটিকে
আধুনিক রূপ দিতে এর আওতায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের অবকাঠামো তৈরি করা হবে। যার মধ্যে রয়েছে
গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ, সড়ক ও সেতু নির্মাণ, ১ হাজার ২০০ মিটার দীর্ঘ জেটি, পানি সংরক্ষণাগার
এবং ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট।
আজকের একনেক
সভায় চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল ছাড়াও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প টেবিলে রয়েছে। এর মধ্যে
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের তিনটি বড় প্রকল্প পর্যালোচনার তালিকায় রয়েছে। পাশাপাশি, দেশের
১০০টি উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপনের সংশোধিত প্রকল্প প্রস্তাবটি নিয়েও
সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
দীর্ঘ এক দশক ধরে ঝুলে থাকার পর অবশেষে আলোর মুখ দেখছে ‘চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল’ প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন বেইজিং সফরের আগেই এই বড় উদ্যোগটি গতি পেল। আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সচিবালয়ে চলমান জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক
অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) আগামী ৫ বছরের মধ্যে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার কাজ সম্পন্ন
করবে। চট্টগ্রামের আনোয়ারায় মোট ৭৮৩ একর জমির ওপর এই বিশেষ জোন তৈরি করা হবে। প্রকল্প
বাস্তবায়নে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ১৮৯ কোটি টাকা। মোট ব্যয়ের মধ্যে
প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা ঋণ হিসেবে দেবে চীন। প্রকল্পটির সমীক্ষা ও ডেভেলপার
হিসেবে মনোনীত হয়েছে ‘চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ কর্পোরেশন’ (সিআরবিসি)।
পরিকল্পনা কমিশন
জানিয়েছে, দেশে চীনা বিনিয়োগের পরিধি ব্যাপকভাবে বাড়াতেই এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা
হয়েছে। এই জোনটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে প্রায় ৫০ কোটি ডলারের সরাসরি বিদেশি
বিনিয়োগ আসবে। এর ফলে দেশের অন্তত ১ লাখ মানুষের বিশাল কর্মসংস্থানের সুযোগ
সৃষ্টি হবে।
অর্থনৈতিক অঞ্চলটিকে
আধুনিক রূপ দিতে এর আওতায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের অবকাঠামো তৈরি করা হবে। যার মধ্যে রয়েছে
গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ, সড়ক ও সেতু নির্মাণ, ১ হাজার ২০০ মিটার দীর্ঘ জেটি, পানি সংরক্ষণাগার
এবং ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট।
আজকের একনেক
সভায় চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল ছাড়াও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প টেবিলে রয়েছে। এর মধ্যে
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের তিনটি বড় প্রকল্প পর্যালোচনার তালিকায় রয়েছে। পাশাপাশি, দেশের
১০০টি উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপনের সংশোধিত প্রকল্প প্রস্তাবটি নিয়েও
সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন