রাজধানীর পল্লবীতে চাঞ্চল্যকর ও নির্মম শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আপিল এবং ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য পেপারবুক প্রস্তুত করা হয়েছে। হাইকোর্টে আসামিদের জেল আপিল শুনানির জন্য গৃহীত হওয়ায় এখন যেকোনো দিন এই স্পর্শকাতর মামলার চূড়ান্ত শুনানি শুরু হতে পারে।
আজ মঙ্গলবার
(১৬ জুন) অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের জেল আপিল শুনানির জন্য পেপারবুক
প্রস্তুত করেছে হাইকোর্ট।
গত ১৯ মে পল্লবীতে
দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসাকে নৃশংসভাবে ধর্ষণ ও হত্যা করা হয়। এই ঘটনার মাত্র ১৯
দিনের মাথায় বিচারিক আদালত মূল আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ
দেন। এরপর আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী মামলাটি হাইকোর্টে আসে:
৯ জুন: বিচারিক আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায়সহ যাবতীয়
নথিপত্র হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পাঠানো হয় এবং এটি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে নথিভুক্ত
হয়।
১১ জুন: কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দণ্ডপ্রাপ্ত
দুই আসামি পৃথকভাবে জেল আপিল দায়ের করেন।
১৪ জুন: বিচারপতি মোহাম্মদ আলী ও বিচারপতি মো.
সাইফুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আবেদন দুটি শুনানির জন্য গ্রহণের আদেশ
দেন।
পরবর্তী
ধাপ: এরপর হাইকোর্টের
বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ
বেঞ্চে আবেদনটি গৃহীত হয়।
পেপারবুক প্রস্তুত
হয়ে যাওয়ায় এখন সুপ্রিম কোর্টের কজলিস্ট (কার্যতালিকা) অনুযায়ী যেকোনো দিন এই মামলার
আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শুরু হবে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে চাঞ্চল্যকর ও নির্মম শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আপিল এবং ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য পেপারবুক প্রস্তুত করা হয়েছে। হাইকোর্টে আসামিদের জেল আপিল শুনানির জন্য গৃহীত হওয়ায় এখন যেকোনো দিন এই স্পর্শকাতর মামলার চূড়ান্ত শুনানি শুরু হতে পারে।
আজ মঙ্গলবার
(১৬ জুন) অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের জেল আপিল শুনানির জন্য পেপারবুক
প্রস্তুত করেছে হাইকোর্ট।
গত ১৯ মে পল্লবীতে
দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসাকে নৃশংসভাবে ধর্ষণ ও হত্যা করা হয়। এই ঘটনার মাত্র ১৯
দিনের মাথায় বিচারিক আদালত মূল আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ
দেন। এরপর আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী মামলাটি হাইকোর্টে আসে:
৯ জুন: বিচারিক আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায়সহ যাবতীয়
নথিপত্র হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পাঠানো হয় এবং এটি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে নথিভুক্ত
হয়।
১১ জুন: কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দণ্ডপ্রাপ্ত
দুই আসামি পৃথকভাবে জেল আপিল দায়ের করেন।
১৪ জুন: বিচারপতি মোহাম্মদ আলী ও বিচারপতি মো.
সাইফুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আবেদন দুটি শুনানির জন্য গ্রহণের আদেশ
দেন।
পরবর্তী
ধাপ: এরপর হাইকোর্টের
বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ
বেঞ্চে আবেদনটি গৃহীত হয়।
পেপারবুক প্রস্তুত
হয়ে যাওয়ায় এখন সুপ্রিম কোর্টের কজলিস্ট (কার্যতালিকা) অনুযায়ী যেকোনো দিন এই মামলার
আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শুরু হবে।

আপনার মতামত লিখুন