নওগাঁর পোরশা উপজেলায় রপ্তানিযোগ্য আমবাগান পরিদর্শন করেছে জাপানের এক ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল। বাগান পরিদর্শন শেষে নিরাপদ ও সুস্বাদু আম দেখে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ আম আমদানির আগ্রহ দেখিয়েছেন।
শুক্রবার (১৯ জুন) উপজেলার বন্ধুপাড়া এলাকায় ‘ফ্রুটস মিউজিয়াম অ্যাগ্রো ফার্ম’ নামের একটি বাগান পরিদর্শন করেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। এই দলে ছিলেন জাপানি ব্যবসায়ী কাওয়ামতু, সাকাকিবারা, ইশিমটু ও শিগিমরি। বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানি দূতাবাসের আমন্ত্রণে তারা রাজশাহী ও নওগাঁ অঞ্চলের আম বাগানগুলো ঘুরে দেখছেন।
প্রতিনিধিদলের সদস্য কাওয়ামতু বলেন, ‘জাপানে আমের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। নওগাঁর আম অত্যন্ত সুমিষ্ট ও সুস্বাদু বলে আমরা জেনেছি। এখানকার আম কতটা রপ্তানিযোগ্য, তা যাচাই করতেই আমরা এসেছি। সব ঠিক থাকলে বাগান থেকে সরাসরি ফ্রেশ আম আমরা জাপানের বাজারে নিতে চাই।’
ব্যবসায়ীরা জানান, তারা আম বাগান পরিদর্শনের পাশাপাশি আম গ্রেডিং, শর্টিং ও শোধনকেন্দ্রগুলোও যাচাই করে দেখছেন। উত্তম কৃষি চর্চার (গ্যাপ) মাধ্যমে উৎপাদিত আম্রপালি, বারি-৪, কাটিমন ও ব্যানানা ম্যাংগো জাতের আম দেখে তারা মুগ্ধ হয়েছেন।
বাগান মালিক রায়হান সিদ্দিক বলেন, নওগাঁর আম বর্তমানে ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও চিনে রপ্তানি হচ্ছে। এ বছর জাপানের বাজারে আম পাঠানোর উজ্জ্বল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এতে চাষিরা আম বিক্রি করে লাভবান হতে পারবেন। আরেক চাষি সালাউদ্দিন বলেন, কোনো তৃতীয় পক্ষ ছাড়া সরাসরি জাপানে আম রপ্তানি করা গেলে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হবে।
পোরশা উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সেলিম রেজা জানান, জাপানি রাষ্ট্রদূতের নির্দেশনায় এই প্রতিনিধিদল বাগান পরিদর্শন করেছে। তারা আমের উৎপাদন প্রক্রিয়া দেখে সন্তুষ্ট হয়েছেন।
কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে নওগাঁ জেলায় ৩০ হাজার ৫০০ হেক্টর বাগান থেকে ৪ লাখ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা।
/

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
নওগাঁর পোরশা উপজেলায় রপ্তানিযোগ্য আমবাগান পরিদর্শন করেছে জাপানের এক ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল। বাগান পরিদর্শন শেষে নিরাপদ ও সুস্বাদু আম দেখে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ আম আমদানির আগ্রহ দেখিয়েছেন।
শুক্রবার (১৯ জুন) উপজেলার বন্ধুপাড়া এলাকায় ‘ফ্রুটস মিউজিয়াম অ্যাগ্রো ফার্ম’ নামের একটি বাগান পরিদর্শন করেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। এই দলে ছিলেন জাপানি ব্যবসায়ী কাওয়ামতু, সাকাকিবারা, ইশিমটু ও শিগিমরি। বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানি দূতাবাসের আমন্ত্রণে তারা রাজশাহী ও নওগাঁ অঞ্চলের আম বাগানগুলো ঘুরে দেখছেন।
প্রতিনিধিদলের সদস্য কাওয়ামতু বলেন, ‘জাপানে আমের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। নওগাঁর আম অত্যন্ত সুমিষ্ট ও সুস্বাদু বলে আমরা জেনেছি। এখানকার আম কতটা রপ্তানিযোগ্য, তা যাচাই করতেই আমরা এসেছি। সব ঠিক থাকলে বাগান থেকে সরাসরি ফ্রেশ আম আমরা জাপানের বাজারে নিতে চাই।’
ব্যবসায়ীরা জানান, তারা আম বাগান পরিদর্শনের পাশাপাশি আম গ্রেডিং, শর্টিং ও শোধনকেন্দ্রগুলোও যাচাই করে দেখছেন। উত্তম কৃষি চর্চার (গ্যাপ) মাধ্যমে উৎপাদিত আম্রপালি, বারি-৪, কাটিমন ও ব্যানানা ম্যাংগো জাতের আম দেখে তারা মুগ্ধ হয়েছেন।
বাগান মালিক রায়হান সিদ্দিক বলেন, নওগাঁর আম বর্তমানে ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও চিনে রপ্তানি হচ্ছে। এ বছর জাপানের বাজারে আম পাঠানোর উজ্জ্বল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এতে চাষিরা আম বিক্রি করে লাভবান হতে পারবেন। আরেক চাষি সালাউদ্দিন বলেন, কোনো তৃতীয় পক্ষ ছাড়া সরাসরি জাপানে আম রপ্তানি করা গেলে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হবে।
পোরশা উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সেলিম রেজা জানান, জাপানি রাষ্ট্রদূতের নির্দেশনায় এই প্রতিনিধিদল বাগান পরিদর্শন করেছে। তারা আমের উৎপাদন প্রক্রিয়া দেখে সন্তুষ্ট হয়েছেন।
কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে নওগাঁ জেলায় ৩০ হাজার ৫০০ হেক্টর বাগান থেকে ৪ লাখ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা।
/

আপনার মতামত লিখুন