বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে প্রথম জয়ের স্বাদ পেল মিশর। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুরুতে পিছিয়ে পড়েও অধিনায়ক মোহাম্মদ সালাহ'র জাদুকরী পারফরম্যান্সে নিউজিল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে হোসাম হোসেনের দল।
কানাডার ভ্যানকুভার স্টেডিয়ামে সোমবার অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে এক গোল ও এক অ্যাসিস্ট করে দলের ঐতিহাসিক জয়ে মূল ভূমিকা রাখেন মিশরের সবচেয়ে বড় তারকা সালাহ। বাকি দুটি গোল করেছেন মোস্তফা জিকো ও ত্রেজেগে। নিউজিল্যান্ডের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন ফিন সারম্যান।
১৯৩৪ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার পর ১৯৯০ এবং সর্বশেষ ২০১৮ সালের আসরেও কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি উত্তর আফ্রিকার এই দেশটি। অবশেষে দীর্ঘ ৯২ বছরের জয়ের খরা কাটিয়ে আজ আনন্দের উপলক্ষ পেল সালাহরা। এই স্মরণীয় জয়ের পর ‘জি’ গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলে দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে উঠে এসেছে মিশর।
সমান ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে ইরান দ্বিতীয় ও বেলজিয়াম তৃতীয় স্থানে রয়েছে। আর ১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তলানিতে নিউজিল্যান্ড। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে আগামী ২৭ জুন ইরানের মুখোমুখি হবে মিশর, যেখানে মাত্র ১ পয়েন্ট পেলেই নকআউটে চলে যাবে ফারাওরা। তবে গ্রুপটি এখনো সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকায় চার দলের সামনেই শেষ ৩২-এ ওঠার সুযোগ টিকে রয়েছে।
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য মিশরের জন্য মোটেও সুখকর ছিল না। সোমবার খেলার ১৫ মিনিটে কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে দারুণ এক হেডে গোল করে নিউ জিল্যান্ডকে এগিয়ে দেন ডিফেন্ডার ফিন সারম্যান। গোল হজম করে প্রথমার্ধে ৫৭ শতাংশ বল দখলে রাখলেও প্রতিপক্ষের জালে মাত্র একটি শট নিতে পেরেছিল মিশর। ফলে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যেতে হয় সালাহদের।
দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে আক্রমণের ধার বাড়ায় মিশর। ম্যাচের ৫৯ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে মোহাম্মদ হানির চমৎকার ক্রসে লাফিয়ে উঠে হেডের সাহায্যে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান মোস্তফা জিকো।
সমতা ফেরার ঠিক ৮ মিনিট পর, অর্থাৎ ৬৭ মিনিটে জিকোর পাস থেকে বাঁ পায়ের বাঁকানো ও গতিময় শটে লড়াকু এক গোল করে মিশরকে লিড এনে দেন লিভারপুল কিংবদন্তি মোহাম্মদ সালাহ। পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে ফিরতে মরিয়া নিউ জিল্যান্ডের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন বদলি ফরোয়ার্ড ত্রেজেগে।
৮২ মিনিটে সালাহর নেওয়া নিখুঁত কর্নার থেকে পোস্টের খুব কাছ থেকে হেডের সাহায্যে গোল করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের ব্যবধানে মাঠ ছেড়ে উল্লাসে মেতে ওঠে পুরো মিশর শিবির।

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে প্রথম জয়ের স্বাদ পেল মিশর। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুরুতে পিছিয়ে পড়েও অধিনায়ক মোহাম্মদ সালাহ'র জাদুকরী পারফরম্যান্সে নিউজিল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে হোসাম হোসেনের দল।
কানাডার ভ্যানকুভার স্টেডিয়ামে সোমবার অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে এক গোল ও এক অ্যাসিস্ট করে দলের ঐতিহাসিক জয়ে মূল ভূমিকা রাখেন মিশরের সবচেয়ে বড় তারকা সালাহ। বাকি দুটি গোল করেছেন মোস্তফা জিকো ও ত্রেজেগে। নিউজিল্যান্ডের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন ফিন সারম্যান।
১৯৩৪ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার পর ১৯৯০ এবং সর্বশেষ ২০১৮ সালের আসরেও কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি উত্তর আফ্রিকার এই দেশটি। অবশেষে দীর্ঘ ৯২ বছরের জয়ের খরা কাটিয়ে আজ আনন্দের উপলক্ষ পেল সালাহরা। এই স্মরণীয় জয়ের পর ‘জি’ গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলে দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে উঠে এসেছে মিশর।
সমান ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে ইরান দ্বিতীয় ও বেলজিয়াম তৃতীয় স্থানে রয়েছে। আর ১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তলানিতে নিউজিল্যান্ড। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে আগামী ২৭ জুন ইরানের মুখোমুখি হবে মিশর, যেখানে মাত্র ১ পয়েন্ট পেলেই নকআউটে চলে যাবে ফারাওরা। তবে গ্রুপটি এখনো সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকায় চার দলের সামনেই শেষ ৩২-এ ওঠার সুযোগ টিকে রয়েছে।
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য মিশরের জন্য মোটেও সুখকর ছিল না। সোমবার খেলার ১৫ মিনিটে কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে দারুণ এক হেডে গোল করে নিউ জিল্যান্ডকে এগিয়ে দেন ডিফেন্ডার ফিন সারম্যান। গোল হজম করে প্রথমার্ধে ৫৭ শতাংশ বল দখলে রাখলেও প্রতিপক্ষের জালে মাত্র একটি শট নিতে পেরেছিল মিশর। ফলে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যেতে হয় সালাহদের।
দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে আক্রমণের ধার বাড়ায় মিশর। ম্যাচের ৫৯ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে মোহাম্মদ হানির চমৎকার ক্রসে লাফিয়ে উঠে হেডের সাহায্যে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান মোস্তফা জিকো।
সমতা ফেরার ঠিক ৮ মিনিট পর, অর্থাৎ ৬৭ মিনিটে জিকোর পাস থেকে বাঁ পায়ের বাঁকানো ও গতিময় শটে লড়াকু এক গোল করে মিশরকে লিড এনে দেন লিভারপুল কিংবদন্তি মোহাম্মদ সালাহ। পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে ফিরতে মরিয়া নিউ জিল্যান্ডের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন বদলি ফরোয়ার্ড ত্রেজেগে।
৮২ মিনিটে সালাহর নেওয়া নিখুঁত কর্নার থেকে পোস্টের খুব কাছ থেকে হেডের সাহায্যে গোল করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের ব্যবধানে মাঠ ছেড়ে উল্লাসে মেতে ওঠে পুরো মিশর শিবির।

আপনার মতামত লিখুন