দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান এবং দুইজন কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ প্রদানের জন্য সার্চ কমিটি গঠন করেছে সরকার। পদগুলো শূন্য হওয়ার ১১০ দিন পর পাঁচ সদস্যের একটি সার্চ (বাছাই) কমিটি গঠন করে সোমবার (২২ জুন) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হককে কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। কমিটিতে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে: হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি রাজিক আল জলিল, বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি), বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে।
গত ৩ মার্চ দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল মোমেনের কমিশন পদত্যাগ করার পর ৪ মার্চ থেকে সংস্থাটির শীর্ষ পদটি শূন্য রয়েছে। একই সময়ে দুই কমিশনারের পদও খালি হয়। ফলে এতদিন কমিশন ছাড়াই সংস্থাটির কার্যক্রম চলছিল। এতে নতুন কোনো অভিযোগ অনুসন্ধান বা মামলা অনুমোদনের প্রক্রিয়া বন্ধ ছিল। পদ শুন্য হওয়ার পর অতি দ্রুত এসব পদে নিয়োগ দেবে সরকার, এমনটাই ধারণা ছিল সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলের।
দুদক আইন অনুযায়ী চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের আগে একটি বাছাই কমিটি গঠন করতে হয়। ওই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন। সোমবারের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হল।
২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ দিতে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দুদকের কমিশনারের প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে বাছাই কমিটি দুইজন করে প্রার্থীর নামের তালিকা করবে। পরে সেই তালিকা নিয়োগের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হবে। বাছাই কমিটির কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় সচিবালয় সহায়তা দেবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান এবং দুইজন কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ প্রদানের জন্য সার্চ কমিটি গঠন করেছে সরকার। পদগুলো শূন্য হওয়ার ১১০ দিন পর পাঁচ সদস্যের একটি সার্চ (বাছাই) কমিটি গঠন করে সোমবার (২২ জুন) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হককে কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। কমিটিতে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে: হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি রাজিক আল জলিল, বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি), বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে।
গত ৩ মার্চ দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল মোমেনের কমিশন পদত্যাগ করার পর ৪ মার্চ থেকে সংস্থাটির শীর্ষ পদটি শূন্য রয়েছে। একই সময়ে দুই কমিশনারের পদও খালি হয়। ফলে এতদিন কমিশন ছাড়াই সংস্থাটির কার্যক্রম চলছিল। এতে নতুন কোনো অভিযোগ অনুসন্ধান বা মামলা অনুমোদনের প্রক্রিয়া বন্ধ ছিল। পদ শুন্য হওয়ার পর অতি দ্রুত এসব পদে নিয়োগ দেবে সরকার, এমনটাই ধারণা ছিল সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলের।
দুদক আইন অনুযায়ী চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের আগে একটি বাছাই কমিটি গঠন করতে হয়। ওই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন। সোমবারের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হল।
২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ দিতে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দুদকের কমিশনারের প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে বাছাই কমিটি দুইজন করে প্রার্থীর নামের তালিকা করবে। পরে সেই তালিকা নিয়োগের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হবে। বাছাই কমিটির কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় সচিবালয় সহায়তা দেবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

আপনার মতামত লিখুন