একটা সংখ্যা দিয়েই শুরু করা যাক- ৬৯ হাজার ৩০৯ কোটি টাকা। এটাই ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ, যা গত অর্থবছরের ৩৪ হাজার ৭১৯ কোটি টাকার তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। এই বরাদ্দের ফলে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ জিডিপির ১ শতাংশের গণ্ডি পেরিয়ে ১.১ শতাংশে পৌঁছেছে। সংখ্যাটি শুনতে চমকপ্রদ লাগলেও বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের ইতিহাস ঘাঁটলে একটা পুরনো প্রশ্ন বারবার ফিরে আসে- বরাদ্দ আর ব্যয়ের মধ্যে কতটা ফারাক থাকে? গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত এই বাজেটে আরও একটি বড় উদ্যোগ যুক্ত হয়েছে ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য’ নীতির আলোকে সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে ২৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ, যা স্বাস্থ্যখাতের ইতিহাসে অন্যতম বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ২৫ লাখ নাগরিকের জন্য ‘ই-হেলথ কার্ড’ কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা। কাগজে-কলমে এ এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। কিন্তু বাস্তবায়নের ইতিহাস আমাদের সতর্ক হতে শেখায়।
পুরনো রোগ: বরাদ্দ পড়ে থাকে, ব্যয় হয় না। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের সংকট কখনোই কেবল অর্থের অভাব ছিল না, সংকট ছিল সেই অর্থ যথাসময়ে ও যথাযথভাবে ব্যয় করার সাংগঠনিক সক্ষমতায়। বিগত সাত বছরের পরিসংখ্যান বলছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তার বার্ষিক উন্নয়ন বাজেটের গড়ে মাত্র ৭৬ শতাংশ ব্যয় করতে পেরেছে। বাকি প্রায় এক-চতুর্থাংশ অর্থ অব্যবহৃত থেকে যায়, যে টাকায় হয়তো আরও কয়েকশ' কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসক নিয়োগ দেয়া যেত, কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করা যেত। এর পাশাপাশি মোট সরকারি ব্যয়ের অনুপাতে স্বাস্থ্য ব্যয় ৬.২ শতাংশ থেকে নেমে ৪.০৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছিল অর্থাৎ সামগ্রিক বাজেট বাড়লেও স্বাস্থ্যখাত ক্রমশ পেছনের সারিতে চলে যাচ্ছিল। এবারের বরাদ্দ বৃদ্ধি যেন সেই প্রবণতা উল্টে দেয়ার একটি সাহসী প্রচেষ্টা।
বিশেষজ্ঞরা স্পষ্ট করেই বলছেন, এই বাজেট তখনই বাস্তবমুখী প্রমাণিত হবে যখন কেবল বরাদ্দ বৃদ্ধিই নয়, বরং প্রশাসনিক সংস্কার, জনগণের পকেট খরচ কমানো এবং অর্থ ব্যয়ের পূর্ণ সক্ষমতা অর্জিত হবে। আজও দেশের মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসে মানুষের নিজের পকেট থেকে, এই ভার দরিদ্র পরিবারগুলোকে বারবার অর্থনৈতিক সংকটে ঠেলে দেয়। এই বাস্তবতা বদলাতে দরকার উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালীকরণ, পর্যাপ্ত চিকিৎসক-নার্স নিয়োগ, ওষুধ সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা এবং কার্যকর ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থাপনা।
যে চিকিৎসা পদ্ধতি এখনও অবহেলিত। এই কাঠামোগত সংকটের মাঝে একটি বাস্তবতা আমরা প্রায়ই উপেক্ষা করি— বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ, বিশেষত গ্রামাঞ্চলের জনগোষ্ঠী, আজও ˆদনন্দিন স্বাস্থ্যসেবার জন্য আয়ুর্বেদ, ইউনানী ও হোমিওপ্যাথির ওপর নির্ভর করেন। যেখানে আধুনিক চিকিৎসকের নাগাল সীমিত, সেখানে এই ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসাব্যবস্থাই কোটি মানুষের প্রথম ও প্রধান ভরসা, এই বাস্তবতাকে অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিজেই এই সত্যতা স্বীকার করেছে। তাদের ট্র্যাডিশনাল মেডিসিন স্ট্র্যাটেজি ২০২৫-২০৩৪ সদস্যরাষ্ট্রগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে প্রমাণভিত্তিক ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসাকে জাতীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থায় একীভূত করতে। গবেষণা শক্তিশালীকরণ, নিরাপদ চিকিৎসার নিয়ন্ত্রণ কাঠামো গঠন এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় সংযুক্তির মধ্য দিয়ে। ভারতের অণটঝঐ মন্ত্রণালয় এক্ষেত্রে অনুসরণযোগ্য মডেল— প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি, গবেষণা অর্থায়ন এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় সংযুক্তির মাধ্যমে দেশটি তার স্বাস্থ্যসেবার পরিধি উল্লেখযোগ্যভাবে বিস্তৃত করেছে।
সমন্বয়ের পথে চারটি ধাপ:
বাংলাদেশে এই সমন্বয় বাস্তবায়নে চারটি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ অপরিহার্য। প্রথমত, বিদ্যমান ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক বোর্ডকে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতায় শক্তিশালী করতে হবে। দ্বিতীয়ত, কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রশিক্ষিত ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসকদের আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় যুক্ত করতে হবে। তৃতীয়ত, দেশীয় ভেষজ সম্পদের ওপর প্রমাণভিত্তিক ক্লিনিক্যাল গবেষণায় বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে অর্থায়ন করতে হবে। চতুর্থত, মেডিকেল শিক্ষার পাঠ্যক্রমে ইন্টিগ্রেটিভ মেডিসিনের মৌলিক ধারণা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, যাতে আধুনিক চিকিৎসকরা সামগ্রিক চিকিৎসা পরিকল্পনায় দক্ষ হয়ে ওঠেন।
৬৯ হাজার কোটি টাকার এই বরাদ্দ একটি শুরু মাত্র, শেষ নয়। প্রকৃত পরীক্ষা হবে এই অর্থ মাঠ পর্যায়ে কতটা দক্ষতার সঙ্গে, কতটা স্বচ্ছতার সঙ্গে এবং কতটা দ্রুততার সঙ্গে ব্যয় হয় তার ওপর। একই সঙ্গে প্রয়োজন স্বাস্থ্যসেবার একমাত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি ছেড়ে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও আর্থসামাজিক বাস্তবতাকে আমলে নেয়া— যেখানে আধুনিক অ্যালোপ্যাথি ও ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং পরস্পরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে পারে।
এই দুই পথ একসঙ্গে নিলেই কেবল সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিতে পারে — শুধু কাগজের বাজেট সংখ্যায় নয়, প্রতিটি বাংলাদেশির প্রকৃত সুস্বাস্থ্যে।
(লেখকের নিজস্ব মত)
[লেখক: সাবেক নির্বাহী পরিচালক, পাবলিক হেলথ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ]

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
একটা সংখ্যা দিয়েই শুরু করা যাক- ৬৯ হাজার ৩০৯ কোটি টাকা। এটাই ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ, যা গত অর্থবছরের ৩৪ হাজার ৭১৯ কোটি টাকার তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। এই বরাদ্দের ফলে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ জিডিপির ১ শতাংশের গণ্ডি পেরিয়ে ১.১ শতাংশে পৌঁছেছে। সংখ্যাটি শুনতে চমকপ্রদ লাগলেও বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের ইতিহাস ঘাঁটলে একটা পুরনো প্রশ্ন বারবার ফিরে আসে- বরাদ্দ আর ব্যয়ের মধ্যে কতটা ফারাক থাকে? গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত এই বাজেটে আরও একটি বড় উদ্যোগ যুক্ত হয়েছে ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য’ নীতির আলোকে সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে ২৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ, যা স্বাস্থ্যখাতের ইতিহাসে অন্যতম বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ২৫ লাখ নাগরিকের জন্য ‘ই-হেলথ কার্ড’ কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা। কাগজে-কলমে এ এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। কিন্তু বাস্তবায়নের ইতিহাস আমাদের সতর্ক হতে শেখায়।
পুরনো রোগ: বরাদ্দ পড়ে থাকে, ব্যয় হয় না। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের সংকট কখনোই কেবল অর্থের অভাব ছিল না, সংকট ছিল সেই অর্থ যথাসময়ে ও যথাযথভাবে ব্যয় করার সাংগঠনিক সক্ষমতায়। বিগত সাত বছরের পরিসংখ্যান বলছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তার বার্ষিক উন্নয়ন বাজেটের গড়ে মাত্র ৭৬ শতাংশ ব্যয় করতে পেরেছে। বাকি প্রায় এক-চতুর্থাংশ অর্থ অব্যবহৃত থেকে যায়, যে টাকায় হয়তো আরও কয়েকশ' কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসক নিয়োগ দেয়া যেত, কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করা যেত। এর পাশাপাশি মোট সরকারি ব্যয়ের অনুপাতে স্বাস্থ্য ব্যয় ৬.২ শতাংশ থেকে নেমে ৪.০৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছিল অর্থাৎ সামগ্রিক বাজেট বাড়লেও স্বাস্থ্যখাত ক্রমশ পেছনের সারিতে চলে যাচ্ছিল। এবারের বরাদ্দ বৃদ্ধি যেন সেই প্রবণতা উল্টে দেয়ার একটি সাহসী প্রচেষ্টা।
বিশেষজ্ঞরা স্পষ্ট করেই বলছেন, এই বাজেট তখনই বাস্তবমুখী প্রমাণিত হবে যখন কেবল বরাদ্দ বৃদ্ধিই নয়, বরং প্রশাসনিক সংস্কার, জনগণের পকেট খরচ কমানো এবং অর্থ ব্যয়ের পূর্ণ সক্ষমতা অর্জিত হবে। আজও দেশের মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসে মানুষের নিজের পকেট থেকে, এই ভার দরিদ্র পরিবারগুলোকে বারবার অর্থনৈতিক সংকটে ঠেলে দেয়। এই বাস্তবতা বদলাতে দরকার উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালীকরণ, পর্যাপ্ত চিকিৎসক-নার্স নিয়োগ, ওষুধ সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা এবং কার্যকর ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থাপনা।
যে চিকিৎসা পদ্ধতি এখনও অবহেলিত। এই কাঠামোগত সংকটের মাঝে একটি বাস্তবতা আমরা প্রায়ই উপেক্ষা করি— বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ, বিশেষত গ্রামাঞ্চলের জনগোষ্ঠী, আজও ˆদনন্দিন স্বাস্থ্যসেবার জন্য আয়ুর্বেদ, ইউনানী ও হোমিওপ্যাথির ওপর নির্ভর করেন। যেখানে আধুনিক চিকিৎসকের নাগাল সীমিত, সেখানে এই ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসাব্যবস্থাই কোটি মানুষের প্রথম ও প্রধান ভরসা, এই বাস্তবতাকে অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিজেই এই সত্যতা স্বীকার করেছে। তাদের ট্র্যাডিশনাল মেডিসিন স্ট্র্যাটেজি ২০২৫-২০৩৪ সদস্যরাষ্ট্রগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে প্রমাণভিত্তিক ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসাকে জাতীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থায় একীভূত করতে। গবেষণা শক্তিশালীকরণ, নিরাপদ চিকিৎসার নিয়ন্ত্রণ কাঠামো গঠন এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় সংযুক্তির মধ্য দিয়ে। ভারতের অণটঝঐ মন্ত্রণালয় এক্ষেত্রে অনুসরণযোগ্য মডেল— প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি, গবেষণা অর্থায়ন এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় সংযুক্তির মাধ্যমে দেশটি তার স্বাস্থ্যসেবার পরিধি উল্লেখযোগ্যভাবে বিস্তৃত করেছে।
সমন্বয়ের পথে চারটি ধাপ:
বাংলাদেশে এই সমন্বয় বাস্তবায়নে চারটি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ অপরিহার্য। প্রথমত, বিদ্যমান ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক বোর্ডকে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতায় শক্তিশালী করতে হবে। দ্বিতীয়ত, কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রশিক্ষিত ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসকদের আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় যুক্ত করতে হবে। তৃতীয়ত, দেশীয় ভেষজ সম্পদের ওপর প্রমাণভিত্তিক ক্লিনিক্যাল গবেষণায় বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে অর্থায়ন করতে হবে। চতুর্থত, মেডিকেল শিক্ষার পাঠ্যক্রমে ইন্টিগ্রেটিভ মেডিসিনের মৌলিক ধারণা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, যাতে আধুনিক চিকিৎসকরা সামগ্রিক চিকিৎসা পরিকল্পনায় দক্ষ হয়ে ওঠেন।
৬৯ হাজার কোটি টাকার এই বরাদ্দ একটি শুরু মাত্র, শেষ নয়। প্রকৃত পরীক্ষা হবে এই অর্থ মাঠ পর্যায়ে কতটা দক্ষতার সঙ্গে, কতটা স্বচ্ছতার সঙ্গে এবং কতটা দ্রুততার সঙ্গে ব্যয় হয় তার ওপর। একই সঙ্গে প্রয়োজন স্বাস্থ্যসেবার একমাত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি ছেড়ে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও আর্থসামাজিক বাস্তবতাকে আমলে নেয়া— যেখানে আধুনিক অ্যালোপ্যাথি ও ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং পরস্পরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে পারে।
এই দুই পথ একসঙ্গে নিলেই কেবল সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিতে পারে — শুধু কাগজের বাজেট সংখ্যায় নয়, প্রতিটি বাংলাদেশির প্রকৃত সুস্বাস্থ্যে।
(লেখকের নিজস্ব মত)
[লেখক: সাবেক নির্বাহী পরিচালক, পাবলিক হেলথ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ]

আপনার মতামত লিখুন