প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং। বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার করা, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার
(২৫ জুন) চীনের স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় দিয়াওইউতাই অতিথি
ভবনে এই উচ্চপর্যায়ের সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে সিপিসি
মন্ত্রী লিউ হাইশিং বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের
(এমওইউ) কথা উল্লেখ করেন। তিনি দুই দলের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আগ্রহ
প্রকাশ করে বলেন, "ভবিষ্যতে গণমাধ্যম, থিংক ট্যাংক, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং
জীবনমান উন্নয়নের ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে।"
তিনি আরও স্পষ্ট
করে বলেন, চীন সবসময় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের দৃঢ় সমর্থক। পারস্পরিক
সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক আগামীতে আরও এগিয়ে যাবে।
সাক্ষাৎকালে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের বিভিন্ন চলমান উন্নয়ন প্রকল্প এবং 'চীন-বাংলাদেশ
মৈত্রী হাসপাতাল' নির্মাণে চীনের আন্তরিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত
করে বলেন, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ঐতিহ্য রয়েছে, তা
ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
প্রধানমন্ত্রীর
বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে চীনের মন্ত্রী লিউ হাইশিং বলেন, তারেক রহমানের দূরদর্শী
নেতৃত্বে বাংলাদেশের জনগণ আরও উন্নত ও সমৃদ্ধ জীবন লাভ করবে বলে তারা আশাবাদী।
এর আগে, একই
স্থানে বিএনপি এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে প্রথমবারের মতো একটি দ্বিপাক্ষিক
সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। বিএনপির পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক
উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং চীনের পক্ষে কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী
লিউ হাইশিং এই স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
এই চুক্তির
মাধ্যমে দুই দেশের রাজনৈতিক যোগাযোগ, গণমাধ্যম, থিংক ট্যাংক এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক
উন্নয়নে সহযোগিতা আরও বাড়বে বলে উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করেছে। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে
দুই দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং। বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার করা, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার
(২৫ জুন) চীনের স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় দিয়াওইউতাই অতিথি
ভবনে এই উচ্চপর্যায়ের সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে সিপিসি
মন্ত্রী লিউ হাইশিং বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের
(এমওইউ) কথা উল্লেখ করেন। তিনি দুই দলের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আগ্রহ
প্রকাশ করে বলেন, "ভবিষ্যতে গণমাধ্যম, থিংক ট্যাংক, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং
জীবনমান উন্নয়নের ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে।"
তিনি আরও স্পষ্ট
করে বলেন, চীন সবসময় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের দৃঢ় সমর্থক। পারস্পরিক
সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক আগামীতে আরও এগিয়ে যাবে।
সাক্ষাৎকালে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের বিভিন্ন চলমান উন্নয়ন প্রকল্প এবং 'চীন-বাংলাদেশ
মৈত্রী হাসপাতাল' নির্মাণে চীনের আন্তরিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত
করে বলেন, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ঐতিহ্য রয়েছে, তা
ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
প্রধানমন্ত্রীর
বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে চীনের মন্ত্রী লিউ হাইশিং বলেন, তারেক রহমানের দূরদর্শী
নেতৃত্বে বাংলাদেশের জনগণ আরও উন্নত ও সমৃদ্ধ জীবন লাভ করবে বলে তারা আশাবাদী।
এর আগে, একই
স্থানে বিএনপি এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে প্রথমবারের মতো একটি দ্বিপাক্ষিক
সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। বিএনপির পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক
উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং চীনের পক্ষে কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী
লিউ হাইশিং এই স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
এই চুক্তির
মাধ্যমে দুই দেশের রাজনৈতিক যোগাযোগ, গণমাধ্যম, থিংক ট্যাংক এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক
উন্নয়নে সহযোগিতা আরও বাড়বে বলে উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করেছে। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে
দুই দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন