সংবাদ

লিনেকারকে টপকে কেইনের রেকর্ড: পানামাকে হারিয়ে গ্রুপসেরা হয়ে নকআউটে ইংল্যান্ড


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৮:৫৭ এএম

লিনেকারকে টপকে কেইনের রেকর্ড: পানামাকে হারিয়ে গ্রুপসেরা হয়ে নকআউটে ইংল্যান্ড

প্রথমার্ধে একের পর এক গোল মিসের মহড়া দিলেও দ্বিতীয়ার্ধের দারুণ পারফরম্যান্সে পানামাকে হারিয়ে দিয়েছে ইংল্যান্ড। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে পানামাকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপসেরা হয়েই নকআউটে পা রাখল ইংলিশরা।

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে প্রথম গোলটি করেন জুড বেলিংহ্যাম এবং পরে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন হ্যারি কেইন। এই গোলের মাধ্যমে কিংবদন্তি গ্যারি লিনেকারকে টপকে বিশ্বকাপের ইতিহাসে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার নতুন রেকর্ড গড়লেন কেইন।
​ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল ইংল্যান্ডের জন্য চরম হতাশার। একের পর এক আক্রমণ করেও তারা গোল আদায় করতে পারেনি। ম্যাচের ৮ম মিনিটে মার্কাস রাশফোর্ডের জোরালো শট পানামার গোলরক্ষক মসকেরা দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন। এর কিছুক্ষণ পর কর্নার থেকে বল পেয়ে বুকায়ো সাকার নেওয়া শটটিও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
১৫ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে ওঠে পানামা। ছোট ছোট পাসে এলিয়ট অ্যান্ডারসনকে কাটিয়ে রদ্রিগেজের সামনে শটের সুযোগ তৈরি হলে জুড বেলিংহ্যাম পা বাড়িয়ে বল ক্লিয়ার করে ইংল্যান্ডকে বিপদমুক্ত করেন। এরপর ৩৮ মিনিটে বক্সের ভেতর সাকাকে ফেলে দেওয়া হলে পেনাল্টির জোরালো আবেদন জানায় ইংল্যান্ড, তবে রেফারি তাতে সাড়া দেননি। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে রাশফোর্ডের একটি বাঁকানো ফ্রি-কিক পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে গেলে গোলশূন্যভাবেই শেষ হয় প্রথমার্ধ।
​দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও ভুলের মহড়া ধরে রাখে ইংল্যান্ড। ৫২ মিনিটে রাশফোর্ডের ক্রস থেকে কেইন ঠিকঠাক শট নিতে পারেননি এবং ৫৫ মিনিটে রাশফোর্ডের শট সাইডনেটে লাগে। উল্টো ৫৭ মিনিটে প্রায় গোল পেয়ে যাচ্ছিল পানামা, তবে হোসে লুইস রদ্রিগেসের একটি শক্তিশালী শট গোলবারের ওপর দিয়ে চলে যায়।
অবশেষে ম্যাচের ৬২ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন জুড বেলিংহ্যাম। বুকায়ো সাকার উড়িয়ে দেওয়া কর্নার থেকে ডিফেন্ডারের চাপে থেকেও শরীর বাঁকিয়ে চমৎকার এক ভলিতে বল জালে পাঠান বেলিংহ্যাম।
​প্রথম গোলের ঠিক পাঁচ মিনিট পর, অর্থাৎ ৬৭ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ইংল্যান্ড। এবার জুড বেলিংহ্যাম প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারকে পেছনে ফেলে গোললাইন থেকে একটি ক্রস ভাসিয়ে দেন, আর সেই বল হেডে জালে জড়াতে কোনো ভুল করেননি হ্যারি কেইন।
এটি বিশ্বকাপে কেইনের ১১তম গোল, যার মাধ্যমে তিনি গ্যারি লিনেকারকে ছাড়িয়ে যান। ম্যাচের শেষ দিকে ৮৯ মিনিটে পানামার হোসে ফাখার্দো ইংল্যান্ডের জালে বল পাঠালেও অফসাইডের কারণে রেফারি তা বাতিল করে দেন। শেষ পর্যন্ত ২-০ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬


লিনেকারকে টপকে কেইনের রেকর্ড: পানামাকে হারিয়ে গ্রুপসেরা হয়ে নকআউটে ইংল্যান্ড

প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬

featured Image

প্রথমার্ধে একের পর এক গোল মিসের মহড়া দিলেও দ্বিতীয়ার্ধের দারুণ পারফরম্যান্সে পানামাকে হারিয়ে দিয়েছে ইংল্যান্ড। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে পানামাকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপসেরা হয়েই নকআউটে পা রাখল ইংলিশরা।

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে প্রথম গোলটি করেন জুড বেলিংহ্যাম এবং পরে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন হ্যারি কেইন। এই গোলের মাধ্যমে কিংবদন্তি গ্যারি লিনেকারকে টপকে বিশ্বকাপের ইতিহাসে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার নতুন রেকর্ড গড়লেন কেইন।
​ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল ইংল্যান্ডের জন্য চরম হতাশার। একের পর এক আক্রমণ করেও তারা গোল আদায় করতে পারেনি। ম্যাচের ৮ম মিনিটে মার্কাস রাশফোর্ডের জোরালো শট পানামার গোলরক্ষক মসকেরা দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন। এর কিছুক্ষণ পর কর্নার থেকে বল পেয়ে বুকায়ো সাকার নেওয়া শটটিও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
১৫ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে ওঠে পানামা। ছোট ছোট পাসে এলিয়ট অ্যান্ডারসনকে কাটিয়ে রদ্রিগেজের সামনে শটের সুযোগ তৈরি হলে জুড বেলিংহ্যাম পা বাড়িয়ে বল ক্লিয়ার করে ইংল্যান্ডকে বিপদমুক্ত করেন। এরপর ৩৮ মিনিটে বক্সের ভেতর সাকাকে ফেলে দেওয়া হলে পেনাল্টির জোরালো আবেদন জানায় ইংল্যান্ড, তবে রেফারি তাতে সাড়া দেননি। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে রাশফোর্ডের একটি বাঁকানো ফ্রি-কিক পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে গেলে গোলশূন্যভাবেই শেষ হয় প্রথমার্ধ।
​দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও ভুলের মহড়া ধরে রাখে ইংল্যান্ড। ৫২ মিনিটে রাশফোর্ডের ক্রস থেকে কেইন ঠিকঠাক শট নিতে পারেননি এবং ৫৫ মিনিটে রাশফোর্ডের শট সাইডনেটে লাগে। উল্টো ৫৭ মিনিটে প্রায় গোল পেয়ে যাচ্ছিল পানামা, তবে হোসে লুইস রদ্রিগেসের একটি শক্তিশালী শট গোলবারের ওপর দিয়ে চলে যায়।
অবশেষে ম্যাচের ৬২ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন জুড বেলিংহ্যাম। বুকায়ো সাকার উড়িয়ে দেওয়া কর্নার থেকে ডিফেন্ডারের চাপে থেকেও শরীর বাঁকিয়ে চমৎকার এক ভলিতে বল জালে পাঠান বেলিংহ্যাম।
​প্রথম গোলের ঠিক পাঁচ মিনিট পর, অর্থাৎ ৬৭ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ইংল্যান্ড। এবার জুড বেলিংহ্যাম প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারকে পেছনে ফেলে গোললাইন থেকে একটি ক্রস ভাসিয়ে দেন, আর সেই বল হেডে জালে জড়াতে কোনো ভুল করেননি হ্যারি কেইন।
এটি বিশ্বকাপে কেইনের ১১তম গোল, যার মাধ্যমে তিনি গ্যারি লিনেকারকে ছাড়িয়ে যান। ম্যাচের শেষ দিকে ৮৯ মিনিটে পানামার হোসে ফাখার্দো ইংল্যান্ডের জালে বল পাঠালেও অফসাইডের কারণে রেফারি তা বাতিল করে দেন। শেষ পর্যন্ত ২-০ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত