কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বাড়েরা ইউনিয়নের জয়দেবপুর, ছোট কলাগাঁও ও নিশ্চিন্তপুর গ্রামে নেই কোনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এলাকাবাসী ২০১৭ সালে প্রায় ৩৩ শতাংশ জমি দান করেছেন। এরপর প্রায় নয় বছর পেরিয়ে গেলেও বিদ্যালয় নির্মাণ করা হয়নি। ফলে তিন গ্রামের শতাধিক শিশুকে দুই থেকে তিন কিলোমিটার দূরের বিদ্যালয়ে যেতে হয়। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
দেশে প্রাথমিক শিক্ষায় ভর্তির হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিদ্যালয়ের অবকাঠামোও সম্প্রসারিত হয়েছে। এই অগ্রগতির পাশাপাশি কিছু এলাকা এখনও প্রয়োজনীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বঞ্চিত।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, বিদ্যালয় স্থাপনের প্রকল্প ২০১৮ সালে বন্ধ হয়ে যায়। অবশ্য বাস্তবতাও বিবেচনায় নিতে হবে। সরকারি বিদ্যালয় স্থাপনের ক্ষেত্রে জনসংখ্যা, শিক্ষার্থীর সংখ্যা, অর্থ বরাদ্দ, ভূমির বৈধতা প্রভৃতি বিবেচনা করতে হয়। তবে সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী বিদ্যালয়ের জন্য জমি দান করার পরও এ নিয়ে অগ্রগতি না হওয়া দুর্ভাগ্যজনক।
উল্লিখিত এলাকায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণের পথে আর কোনো বাধা আছে কিনা সেটা জান দরকার। তারপর সে অনুযায়ী বিদ্যালয় নির্মোণে দ্রুত ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উল্লিখিত এলাকার প্রয়োজনীয়তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পুনর্মূল্যায়ন করবে বলে আমরা আশা করতে চাই। বিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়সূচিভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের উচিত নিয়মিতভাবে বিষয়টির অগ্রগতি তদারকি করা। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এলাকাবাসীর সঙ্গে সমন্বয় করে এই প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করবেন সেটাই আমাদের আশা। সরকারকে এ ধরনের বিদ্যালয়বিহীন এলাকার তালিকা নিয়মিত হালনাগাদ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বাড়েরা ইউনিয়নের জয়দেবপুর, ছোট কলাগাঁও ও নিশ্চিন্তপুর গ্রামে নেই কোনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এলাকাবাসী ২০১৭ সালে প্রায় ৩৩ শতাংশ জমি দান করেছেন। এরপর প্রায় নয় বছর পেরিয়ে গেলেও বিদ্যালয় নির্মাণ করা হয়নি। ফলে তিন গ্রামের শতাধিক শিশুকে দুই থেকে তিন কিলোমিটার দূরের বিদ্যালয়ে যেতে হয়। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
দেশে প্রাথমিক শিক্ষায় ভর্তির হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিদ্যালয়ের অবকাঠামোও সম্প্রসারিত হয়েছে। এই অগ্রগতির পাশাপাশি কিছু এলাকা এখনও প্রয়োজনীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বঞ্চিত।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, বিদ্যালয় স্থাপনের প্রকল্প ২০১৮ সালে বন্ধ হয়ে যায়। অবশ্য বাস্তবতাও বিবেচনায় নিতে হবে। সরকারি বিদ্যালয় স্থাপনের ক্ষেত্রে জনসংখ্যা, শিক্ষার্থীর সংখ্যা, অর্থ বরাদ্দ, ভূমির বৈধতা প্রভৃতি বিবেচনা করতে হয়। তবে সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী বিদ্যালয়ের জন্য জমি দান করার পরও এ নিয়ে অগ্রগতি না হওয়া দুর্ভাগ্যজনক।
উল্লিখিত এলাকায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণের পথে আর কোনো বাধা আছে কিনা সেটা জান দরকার। তারপর সে অনুযায়ী বিদ্যালয় নির্মোণে দ্রুত ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উল্লিখিত এলাকার প্রয়োজনীয়তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পুনর্মূল্যায়ন করবে বলে আমরা আশা করতে চাই। বিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়সূচিভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের উচিত নিয়মিতভাবে বিষয়টির অগ্রগতি তদারকি করা। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এলাকাবাসীর সঙ্গে সমন্বয় করে এই প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করবেন সেটাই আমাদের আশা। সরকারকে এ ধরনের বিদ্যালয়বিহীন এলাকার তালিকা নিয়মিত হালনাগাদ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন