সংবাদ

তিস্তা প্রকল্পে চীনের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩১ এএম

তিস্তা প্রকল্পে চীনের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি

​তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশের পাশে থাকার এবং নদী ব্যবস্থাপনায় কারিগরি সহযোগিতা দেওয়ার বিষয়ে চীনের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে প্রতিশ্রুতি এসেছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাজধানীর বারিধারায় চীনা দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরকে অত্যন্ত সফল ও দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক এক নতুন কৌশলগত উচ্চতায় পৌঁছেছে এবং দুই দেশের আস্থার স্তর আরও মজবুত হয়েছে। বর্তমানে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে এবং আগামী দিনে দুই দেশের নেতাদের অর্জিত ঐকমত্য বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই সম্পর্ক আরও গভীর ও ফলপ্রসূ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
​সংবাদ সম্মেলনে তিস্তা প্রকল্পের গুরুত্ব তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, "তিস্তা একটি বাংলাদেশি প্রকল্প। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। কারণ, এর সঙ্গে লাখ লাখ মানুষের জীবিকা জড়িত।"
তিনি আরও জানান, একটি টেকসই তিস্তা মহাপরিকল্পনা তৈরি করতে এর বৈজ্ঞানিক সম্ভাব্যতা যাচাই বা ফিজিবিলিটি স্টাডি প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং চীন এর ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে।
এই বিষয়ে চীন বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে আন্তরিকভাবে আগ্রহী উল্লেখ করে তিনি বলেন, "অতীতে তিস্তা মহাপরিকল্পনার ফিজিবিলিটি স্টাডি নিয়ে চীনা কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতা হলেও এবার সরাসরি দুই দেশের সরকারের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে।"
​দ্বিপাক্ষিক ও সামরিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোকপাত করে রাষ্ট্রদূত বলেন, "দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও উন্নয়নে দুই দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতারা একসঙ্গে আলোচনায় বসেন। সরকার ও রাজনৈতিক দলের মধ্যে যৌথ স্বার্থ নিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়। দুই নেতার মধ্যে টু প্লাস টু আলোচনা ও সামরিক সহযোগিতা নিয়ে কথা হয়েছে। এই বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বিশ্বস্ততা জোরদার হয়েছে।"
একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এবং জনগণের স্বার্থে নিজেদের মতো করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতাকে চীন সবসময় সমর্থন করে। এ সময় আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক জোট ব্রিকস-এ বাংলাদেশের সদস্যপদ পাওয়ার ক্ষেত্রে চীনের পক্ষ থেকে পূর্ণ সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে বলেও রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬


তিস্তা প্রকল্পে চীনের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬

featured Image

​তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশের পাশে থাকার এবং নদী ব্যবস্থাপনায় কারিগরি সহযোগিতা দেওয়ার বিষয়ে চীনের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে প্রতিশ্রুতি এসেছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাজধানীর বারিধারায় চীনা দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরকে অত্যন্ত সফল ও দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক এক নতুন কৌশলগত উচ্চতায় পৌঁছেছে এবং দুই দেশের আস্থার স্তর আরও মজবুত হয়েছে। বর্তমানে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে এবং আগামী দিনে দুই দেশের নেতাদের অর্জিত ঐকমত্য বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই সম্পর্ক আরও গভীর ও ফলপ্রসূ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
​সংবাদ সম্মেলনে তিস্তা প্রকল্পের গুরুত্ব তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, "তিস্তা একটি বাংলাদেশি প্রকল্প। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। কারণ, এর সঙ্গে লাখ লাখ মানুষের জীবিকা জড়িত।"
তিনি আরও জানান, একটি টেকসই তিস্তা মহাপরিকল্পনা তৈরি করতে এর বৈজ্ঞানিক সম্ভাব্যতা যাচাই বা ফিজিবিলিটি স্টাডি প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং চীন এর ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে।
এই বিষয়ে চীন বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে আন্তরিকভাবে আগ্রহী উল্লেখ করে তিনি বলেন, "অতীতে তিস্তা মহাপরিকল্পনার ফিজিবিলিটি স্টাডি নিয়ে চীনা কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতা হলেও এবার সরাসরি দুই দেশের সরকারের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে।"
​দ্বিপাক্ষিক ও সামরিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোকপাত করে রাষ্ট্রদূত বলেন, "দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও উন্নয়নে দুই দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতারা একসঙ্গে আলোচনায় বসেন। সরকার ও রাজনৈতিক দলের মধ্যে যৌথ স্বার্থ নিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়। দুই নেতার মধ্যে টু প্লাস টু আলোচনা ও সামরিক সহযোগিতা নিয়ে কথা হয়েছে। এই বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বিশ্বস্ততা জোরদার হয়েছে।"
একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এবং জনগণের স্বার্থে নিজেদের মতো করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতাকে চীন সবসময় সমর্থন করে। এ সময় আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক জোট ব্রিকস-এ বাংলাদেশের সদস্যপদ পাওয়ার ক্ষেত্রে চীনের পক্ষ থেকে পূর্ণ সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে বলেও রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত