শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন ও অসাম্প্রদায়িক একটি রাষ্ট্র গড়ার যে প্রবল আকাঙ্ক্ষা নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল, আজ সেই রাষ্ট্রযন্ত্রই আমলাতন্ত্র, কর্পোরেট সিন্ডিকেট আর প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীর কাছে জিম্মি! অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা, অর্থনীতিবিদ ও নারী অধিকার নেত্রী ফরিদা আক্তারের এই সাক্ষাৎকারে বেরিয়ে এসেছে রাষ্ট্রের ভেতরের পচনশীল কাঠামোর রূপ। ভিডিওর মূল বিষয়বস্তু: • শোষণমূলক দাদন প্রথা ও আমলাতন্ত্রের দৌরাত্ম্য: একাত্তরে আমরা পরাধীনতার শিকল ভেঙেছিলাম, অথচ আজ স্বাধীন দেশে প্রান্তিক মৎস্যজীবী ও কৃষকরা দাদন ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি। আমলাতান্ত্রিক জটিলতার অজুহাতে কেন ভাঙা গেল না এই নব্য দাসপ্রথা? • মৌলবাদ ও পুরুষতন্ত্রের আস্ফালন: নারী কমিশনের যৌক্তিক প্রস্তাবের বিরুদ্ধে স্বাধীনতাবিরোধী মনস্তত্ত্ব ও পুরুষতান্ত্রিক গোষ্ঠীর চরম আস্ফালন। যে দেশের নারীরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করেছে, সেই বাংলাদেশে সম্পত্তিতে নারীর সমান অধিকারের প্রশ্নে কার ভয়ে পিছু হটল সরকার? • উন্নয়নের নামে হাওর ধ্বংস: কিশোরগঞ্জের হাওরে অপরিকল্পিত ইট-পাথরের সড়ক নির্মাণ করে কীভাবে প্রাকৃতিক মৎস্যভাণ্ডার ও কৃষকের সোনালী ফসল ধ্বংস করা হয়েছে, তার চাঞ্চল্যকর তথ্য। • কর্পোরেট আগ্রাসন ও তামাক সিন্ডিকেট: তরুণ সমাজকে পঙ্গু করতে ই-সিগারেট ও তামাক কোম্পানিগুলোর ভয়াবহ চক্রান্ত এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তাদের নির্লজ্জ অনুপ্রবেশ। • জনবিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক দল: সাধারণ জনগণের মৌলিক অধিকার ও স্বার্থের চেয়ে কীভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে কেবল ক্ষমতা ও নির্বাচনই মুখ্য হয়ে উঠেছে? মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রতিটি স্বাধীনতাপ্রিয় নাগরিকের আজ সময় এসেছে এই রাষ্ট্রকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তোলার। শুধু একটি নির্বাচনই কি সব সমস্যার সমাধান, নাকি প্রয়োজন মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে রাষ্ট্রের আমূল সংস্কার? সম্পূর্ণ আলোচনাটি দেখুন এবং দেশের স্বার্থে আপনার সুচিন্তিত মতামত কমেন্ট বক্সে জানান।