২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন অবশেষে প্রসিকিউশনের হাতে এসে পৌঁছেছে। এই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ এবং সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদসহ ৪১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
আজ রোববার (১৯ জুলাই) চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামের কার্যালয়ে মামলার সার্বিক অগ্রগতি জানতে হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ ১০-১৫ জনের একটি প্রতিনিধি দল আসেন। তদন্ত প্রতিবেদন জমা হওয়ার পর প্রসিকিউশন পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়।
এর আগে চিফ প্রসিকিউটর জানিয়েছিলেন, ২০১৩ সালে মতিঝিলে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে মোট ৫৮ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ মে রাতে মতিঝিলের শাপলা চত্বর এলাকায় হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশ চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এক বিতর্কিত অভিযান চালায়। অভিযোগ রয়েছে, ওই দিন রাত ১১টার পর পুরো এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এরপর পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি যৌথভাবে সাউন্ড গ্রেনেড, গুলি এবং লাঠিচার্জ করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়, যার ফলে এই বিপুল সংখ্যক হতাহতের ঘটনা ঘটে।

রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন অবশেষে প্রসিকিউশনের হাতে এসে পৌঁছেছে। এই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ এবং সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদসহ ৪১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
আজ রোববার (১৯ জুলাই) চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামের কার্যালয়ে মামলার সার্বিক অগ্রগতি জানতে হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ ১০-১৫ জনের একটি প্রতিনিধি দল আসেন। তদন্ত প্রতিবেদন জমা হওয়ার পর প্রসিকিউশন পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়।
এর আগে চিফ প্রসিকিউটর জানিয়েছিলেন, ২০১৩ সালে মতিঝিলে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে মোট ৫৮ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ মে রাতে মতিঝিলের শাপলা চত্বর এলাকায় হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশ চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এক বিতর্কিত অভিযান চালায়। অভিযোগ রয়েছে, ওই দিন রাত ১১টার পর পুরো এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এরপর পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি যৌথভাবে সাউন্ড গ্রেনেড, গুলি এবং লাঠিচার্জ করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়, যার ফলে এই বিপুল সংখ্যক হতাহতের ঘটনা ঘটে।

আপনার মতামত লিখুন