নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রাজনৈতিক বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রাজু আহমেদ (৩০) নামের এক বিএনপি কর্মীকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২৬ জুলাই) রাতে উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চরহোগলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রাজু আহমেদ ওই এলাকার আয়নাল হকের ছেলে। তিনি স্থানীয় বিএনপির সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এই হত্যাকাণ্ডের জন্য রাজুর পরিবার একই এলাকার বিএনপি কর্মী শাহাদাত ও তার সহযোগীদের দায়ী করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও আয়ের উৎস নিয়ে রাজু আহমেদের সঙ্গে একই এলাকার শাহাদাতের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। গতকাল রাত ১১টার দিকে রাজুর ফুফাতো ভাই ইয়ামিনের সঙ্গে শাহাদাতের সহযোগী জাকির, করিম ও সাইফুলসহ কয়েকজনের বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। খবর পেয়ে রাজু সেখানে গিয়ে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শাহাদাত ও তার লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাজুর বাড়িতে হামলা চালায়। তারা রাজুকে বেধড়ক পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। রাজুর চিৎকার শুনে গ্রামবাসী এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শম্ভুপুরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, নিহত রাজু দলের একজন নিবেদিত কর্মী ছিলেন। এই হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধীর পরিচয় যা-ই হোক, আইন অনুযায়ী তার বিচার হতে হবে।
সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন বলেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
/
/

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রাজনৈতিক বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রাজু আহমেদ (৩০) নামের এক বিএনপি কর্মীকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২৬ জুলাই) রাতে উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চরহোগলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রাজু আহমেদ ওই এলাকার আয়নাল হকের ছেলে। তিনি স্থানীয় বিএনপির সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এই হত্যাকাণ্ডের জন্য রাজুর পরিবার একই এলাকার বিএনপি কর্মী শাহাদাত ও তার সহযোগীদের দায়ী করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও আয়ের উৎস নিয়ে রাজু আহমেদের সঙ্গে একই এলাকার শাহাদাতের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। গতকাল রাত ১১টার দিকে রাজুর ফুফাতো ভাই ইয়ামিনের সঙ্গে শাহাদাতের সহযোগী জাকির, করিম ও সাইফুলসহ কয়েকজনের বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। খবর পেয়ে রাজু সেখানে গিয়ে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শাহাদাত ও তার লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাজুর বাড়িতে হামলা চালায়। তারা রাজুকে বেধড়ক পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। রাজুর চিৎকার শুনে গ্রামবাসী এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শম্ভুপুরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, নিহত রাজু দলের একজন নিবেদিত কর্মী ছিলেন। এই হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধীর পরিচয় যা-ই হোক, আইন অনুযায়ী তার বিচার হতে হবে।
সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন বলেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
/
/

আপনার মতামত লিখুন