সংবাদ

পেকুয়ায় অস্ত্রের মুখে ১৭ ভরি স্বর্ণ লুট


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, কক্সবাজার
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, কক্সবাজার
প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৬:০১ পিএম

পেকুয়ায় অস্ত্রের মুখে ১৭ ভরি স্বর্ণ লুট
ডাকাতি হওয়া বাড়িটি পরিদর্শন করছে পুলিশ। ছবি : সংবাদ

কক্সবাজারের পেকুয়ায় গভীর রাতে অস্ত্রের মুখে ২ পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে বড় ধরনের ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতেরা নগদ সাড়ে ৮ লাখ টাকা ও ১৭ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার (২৬ জুলাই) দিবাগত রাত ৩ টার দিকে পেকুয়া পৌরসভার আব্দুল হামিদ সিকদারপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী দুই পরিবার হলো ওই এলাকার সৌদিপ্রবাসী জমির আলম ও মহেশখালীর মাতারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব রেজাউল করিমের। প্রায় ৪০ মিনিট ধরে চলা এই লুটপাটের ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

ভুক্তভোগী রেজাউল করিম জানান, রাত ৩ টার দিকে একটি সাদা মাইক্রোবাস দ্রুত চলে যেতে দেখে তিনি কৌতূহলী হয়ে এগিয়ে যান। এ সময় ৩-৪ জন সশস্ত্র ব্যক্তি তাকেসহ আরও ২ জনকে একটি আসবাবের দোকানে নিয়ে হাত-পা বেঁধে ফেলে। পরে তাকে জিম্মি করে তার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া ৭-৮ জন মুখোশধারী ডাকাত পরিবারের সবাইকে একটি কক্ষে আটকে রেখে তল্লাশি চালায়। তার কক্ষ থেকে সাড়ে ৬ লাখ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণালংকার এবং বড় ভাই জমির আলমের কক্ষ থেকে আড়াই লাখ টাকা ও ৭ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে ডাকাতেরা পালিয়ে যায়।

জমির আলমের স্ত্রী আমেনা বেগম বলেন, ডাকাতেরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তার গলার চেইন ও কানের দুল খুলে নেয়। চিৎকার করলে গুলি করার হুমকি দেওয়া হয়। বাড়ির দ্বিতীয় তলার স্বজনেরা ঘটনা টের পাওয়ার আগেই ডাকাতেরা মাইক্রোবাসে করে পালিয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে এলাকায় ডাকাতি ও গরু চুরির ঘটনা বেড়েছে। এতে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ঘটনার পর পেকুয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম বাহাদুর শাহ ও পেকুয়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও লুট হওয়া মালামাল উদ্ধারে অভিযান চলছে।

/

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬


পেকুয়ায় অস্ত্রের মুখে ১৭ ভরি স্বর্ণ লুট

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬

featured Image

কক্সবাজারের পেকুয়ায় গভীর রাতে অস্ত্রের মুখে ২ পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে বড় ধরনের ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতেরা নগদ সাড়ে ৮ লাখ টাকা ও ১৭ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার (২৬ জুলাই) দিবাগত রাত ৩ টার দিকে পেকুয়া পৌরসভার আব্দুল হামিদ সিকদারপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী দুই পরিবার হলো ওই এলাকার সৌদিপ্রবাসী জমির আলম ও মহেশখালীর মাতারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব রেজাউল করিমের। প্রায় ৪০ মিনিট ধরে চলা এই লুটপাটের ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

ভুক্তভোগী রেজাউল করিম জানান, রাত ৩ টার দিকে একটি সাদা মাইক্রোবাস দ্রুত চলে যেতে দেখে তিনি কৌতূহলী হয়ে এগিয়ে যান। এ সময় ৩-৪ জন সশস্ত্র ব্যক্তি তাকেসহ আরও ২ জনকে একটি আসবাবের দোকানে নিয়ে হাত-পা বেঁধে ফেলে। পরে তাকে জিম্মি করে তার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া ৭-৮ জন মুখোশধারী ডাকাত পরিবারের সবাইকে একটি কক্ষে আটকে রেখে তল্লাশি চালায়। তার কক্ষ থেকে সাড়ে ৬ লাখ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণালংকার এবং বড় ভাই জমির আলমের কক্ষ থেকে আড়াই লাখ টাকা ও ৭ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে ডাকাতেরা পালিয়ে যায়।

জমির আলমের স্ত্রী আমেনা বেগম বলেন, ডাকাতেরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তার গলার চেইন ও কানের দুল খুলে নেয়। চিৎকার করলে গুলি করার হুমকি দেওয়া হয়। বাড়ির দ্বিতীয় তলার স্বজনেরা ঘটনা টের পাওয়ার আগেই ডাকাতেরা মাইক্রোবাসে করে পালিয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে এলাকায় ডাকাতি ও গরু চুরির ঘটনা বেড়েছে। এতে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ঘটনার পর পেকুয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম বাহাদুর শাহ ও পেকুয়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও লুট হওয়া মালামাল উদ্ধারে অভিযান চলছে।

/


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত