সংবাদ

রাজনীতিতে সভ্য ভাষা ও শিষ্টাচার বজায় রাখার আহ্বান রিজভীর


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৯ পিএম

রাজনীতিতে সভ্য ভাষা ও শিষ্টাচার বজায় রাখার আহ্বান রিজভীর
ছবি : সংগৃহীত

রাজনৈতিক দলগুলোর মতপ্রকাশে সভ্য ও পরিশীলিত ভাষা ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, উসকানিমূলক ও অশ্রাব্য বক্তব্যের মাধ্যমে গণতন্ত্রের সুস্থ পরিবেশ বিঘ্নিত হয়।

বুধবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। হবিগঞ্জে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনা প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ‘আমরা চাই দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকুক। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের মতপ্রকাশ করবে, তবে সেটি হতে হবে একটি সভ্য মানদণ্ডের মধ্যে। শব্দ চয়ন ও ভাষা ব্যবহারে রাজনৈতিক শিষ্টাচার থাকা জরুরি।’

রাজনীতিতে পারস্পরিক বিতর্ক ও আলোচনার সুযোগ থাকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিতর্ক থাকবেই, তবে তা যেন কোনোভাবেই সংঘাতের দিকে না যায়। এ জন্য সব পক্ষকে সহনশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’

রিজভী আরও বলেন, উসকানিমূলক বক্তব্য, অশালীন ভাষা ও মিথ্যা অপপ্রচার সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ ও গণতন্ত্রের বিকাশে সহায়ক নয়। গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি শক্তিশালী করতে হলে সবাইকে সংযম ও সহিষ্ণুতার পরিচয় দিতে হবে। পারস্পরিক সমালোচনা যেন বিভেদে রূপ না নেয়, সেদিকে দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানান তিনি।

বিগত দিনের আন্দোলনের স্মৃতি চারণ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘১৭ বছরের দীর্ঘ সংগ্রামের পথ ধরে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত বিস্ফোরণ ঘটে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা সেই প্রতিরোধ ও আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে এক স্মরণীয় অধ্যায়। অসংখ্য প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদের পতন নিশ্চিত হয়েছে।’

তিনি উল্লেখ করেন, এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল বাক-স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ সংগ্রাম এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বের ধারাবাহিকতায় যে প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল, তারই চূড়ান্ত রূপ ছিল ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণজাগরণ।

রিজভী বলেন, "জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চূড়ান্ত পরিণতি আমরা দেখেছি ৫ আগস্ট স্বৈরতন্ত্রের পতনের মধ্য দিয়ে। সেই রক্তঝরা আন্দোলনের স্মৃতি ধরে রাখতে এ বছরও বিএনপি নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।"

তিনি আরও জানান, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বেই জুলাই বিপ্লবের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল। বিএনপি এই দিনগুলোকে যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে স্মরণ করে। এর অংশ হিসেবে আগামী ৪ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তারেক রহমান।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


রাজনীতিতে সভ্য ভাষা ও শিষ্টাচার বজায় রাখার আহ্বান রিজভীর

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

রাজনৈতিক দলগুলোর মতপ্রকাশে সভ্য ও পরিশীলিত ভাষা ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, উসকানিমূলক ও অশ্রাব্য বক্তব্যের মাধ্যমে গণতন্ত্রের সুস্থ পরিবেশ বিঘ্নিত হয়।

বুধবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। হবিগঞ্জে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনা প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ‘আমরা চাই দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকুক। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের মতপ্রকাশ করবে, তবে সেটি হতে হবে একটি সভ্য মানদণ্ডের মধ্যে। শব্দ চয়ন ও ভাষা ব্যবহারে রাজনৈতিক শিষ্টাচার থাকা জরুরি।’

রাজনীতিতে পারস্পরিক বিতর্ক ও আলোচনার সুযোগ থাকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিতর্ক থাকবেই, তবে তা যেন কোনোভাবেই সংঘাতের দিকে না যায়। এ জন্য সব পক্ষকে সহনশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’

রিজভী আরও বলেন, উসকানিমূলক বক্তব্য, অশালীন ভাষা ও মিথ্যা অপপ্রচার সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ ও গণতন্ত্রের বিকাশে সহায়ক নয়। গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি শক্তিশালী করতে হলে সবাইকে সংযম ও সহিষ্ণুতার পরিচয় দিতে হবে। পারস্পরিক সমালোচনা যেন বিভেদে রূপ না নেয়, সেদিকে দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানান তিনি।

বিগত দিনের আন্দোলনের স্মৃতি চারণ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘১৭ বছরের দীর্ঘ সংগ্রামের পথ ধরে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত বিস্ফোরণ ঘটে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা সেই প্রতিরোধ ও আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে এক স্মরণীয় অধ্যায়। অসংখ্য প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদের পতন নিশ্চিত হয়েছে।’

তিনি উল্লেখ করেন, এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল বাক-স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ সংগ্রাম এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বের ধারাবাহিকতায় যে প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল, তারই চূড়ান্ত রূপ ছিল ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণজাগরণ।

রিজভী বলেন, "জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চূড়ান্ত পরিণতি আমরা দেখেছি ৫ আগস্ট স্বৈরতন্ত্রের পতনের মধ্য দিয়ে। সেই রক্তঝরা আন্দোলনের স্মৃতি ধরে রাখতে এ বছরও বিএনপি নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।"

তিনি আরও জানান, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বেই জুলাই বিপ্লবের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল। বিএনপি এই দিনগুলোকে যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে স্মরণ করে। এর অংশ হিসেবে আগামী ৪ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তারেক রহমান।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত