কক্সবাজারের টেকনাফে বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে একটি কুরিয়ার সার্ভিসের কার্গো স্টোর থেকে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ১১ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজন পার্সেলবাহককে শনাক্ত করা হলেও তিনি পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
বিজিবি জানায়, বুধবার (২৯ জুলাই) প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, টেকনাফ পৌরসভার ইসলামাবাদ এলাকায় অবস্থিত একটি কুরিয়ার সার্ভিসের কার্গো স্টোরে থাকা একটি পার্সেলে ইয়াবা লুকিয়ে রাখা হয়েছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) ও টেকনাফ মডেল থানার পুলিশের সমন্বয়ে সকাল ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে কুরিয়ার সার্ভিসটির কার্গো স্টোরে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানের সময় ব্লুটুথ স্পিকার হিসেবে ঘোষিত একটি পার্সেল খুলে দেখা যায়, স্পিকারের ভেতরের যন্ত্রাংশ সরিয়ে কালো স্কচটেপে মোড়ানো ছয়টি প্যাকেটের মধ্যে ১১ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা লুকিয়ে রাখা হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পার্সেলটি নারায়ণগঞ্জ থেকে টেকনাফে পাঠানো হয়েছিল। পরে ‘পণ্যটি সঠিক নয়’ উল্লেখ করে সেটি ফেরত পাঠানোর জন্য আবার কুরিয়ার সার্ভিসে জমা দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানের তথ্যভান্ডার পর্যালোচনা করে পার্সেল বহনকারী একজনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পার্সেল জমা দিয়ে তিনি দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।
উদ্ধার হওয়া ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ৩৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এ ঘটনায় পলাতক আসামির বাড়ি টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে।
টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হবে।
উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ও অন্যান্য আলামত নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে বিজিবি ও পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
কক্সবাজারের টেকনাফে বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে একটি কুরিয়ার সার্ভিসের কার্গো স্টোর থেকে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ১১ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজন পার্সেলবাহককে শনাক্ত করা হলেও তিনি পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
বিজিবি জানায়, বুধবার (২৯ জুলাই) প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, টেকনাফ পৌরসভার ইসলামাবাদ এলাকায় অবস্থিত একটি কুরিয়ার সার্ভিসের কার্গো স্টোরে থাকা একটি পার্সেলে ইয়াবা লুকিয়ে রাখা হয়েছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) ও টেকনাফ মডেল থানার পুলিশের সমন্বয়ে সকাল ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে কুরিয়ার সার্ভিসটির কার্গো স্টোরে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানের সময় ব্লুটুথ স্পিকার হিসেবে ঘোষিত একটি পার্সেল খুলে দেখা যায়, স্পিকারের ভেতরের যন্ত্রাংশ সরিয়ে কালো স্কচটেপে মোড়ানো ছয়টি প্যাকেটের মধ্যে ১১ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা লুকিয়ে রাখা হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পার্সেলটি নারায়ণগঞ্জ থেকে টেকনাফে পাঠানো হয়েছিল। পরে ‘পণ্যটি সঠিক নয়’ উল্লেখ করে সেটি ফেরত পাঠানোর জন্য আবার কুরিয়ার সার্ভিসে জমা দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানের তথ্যভান্ডার পর্যালোচনা করে পার্সেল বহনকারী একজনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পার্সেল জমা দিয়ে তিনি দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।
উদ্ধার হওয়া ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ৩৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এ ঘটনায় পলাতক আসামির বাড়ি টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে।
টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হবে।
উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ও অন্যান্য আলামত নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে বিজিবি ও পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন