মার্কিন অর্থনৈতিক চাপ ও নৌ অবরোধের মধ্যেই হরমুজ প্রণালিতে নতুন একটি যৌথ নৌপথ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। এ লক্ষ্যে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ওমানের রাজধানী মাসকটে একটি চুক্তি সই হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু ও ভারতের ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পেজেশকিয়ান এ কথা জানান।
ইরানি প্রেসিডেন্ট বলেন, সোমবার ওমানে আরব দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে ইরান ও ওমানের মধ্যে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সমঝোতা স্বাক্ষরিত হবে, যা পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনকেও (আইএমও) আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হবে। তিনি আরও জানান, ওয়াশিংটনের সামরিক পদক্ষেপ ও অর্থনৈতিক অবরোধ ব্যর্থ হবে, কারণ ইরানের টিকে থাকা পুরোপুরি সমুদ্রপথের ওপর নির্ভরশীল নয়। যুক্তরাষ্ট্র হামলা ও অবরোধ বন্ধ করলে হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিক চলাচলের জন্য আবার খুলে দেওয়া হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের আটটি দেশের প্রতিনিধিরা বৈঠকে অংশ নেবেন। সেখানে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে প্রস্তাবিত এই নৌপথ নিয়ে বিশদ আলোচনা হবে। তবে ওমান সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
এর আগে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজাই জানিয়েছিলেন, হরমুজ প্রণালির এই নতুন করিডরের প্রবেশ ও প্রস্থানপথ মূলত ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মার্কিন অর্থনৈতিক চাপ ও নৌ অবরোধের মধ্যেই হরমুজ প্রণালিতে নতুন একটি যৌথ নৌপথ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। এ লক্ষ্যে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ওমানের রাজধানী মাসকটে একটি চুক্তি সই হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু ও ভারতের ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পেজেশকিয়ান এ কথা জানান।
ইরানি প্রেসিডেন্ট বলেন, সোমবার ওমানে আরব দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে ইরান ও ওমানের মধ্যে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সমঝোতা স্বাক্ষরিত হবে, যা পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনকেও (আইএমও) আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হবে। তিনি আরও জানান, ওয়াশিংটনের সামরিক পদক্ষেপ ও অর্থনৈতিক অবরোধ ব্যর্থ হবে, কারণ ইরানের টিকে থাকা পুরোপুরি সমুদ্রপথের ওপর নির্ভরশীল নয়। যুক্তরাষ্ট্র হামলা ও অবরোধ বন্ধ করলে হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিক চলাচলের জন্য আবার খুলে দেওয়া হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের আটটি দেশের প্রতিনিধিরা বৈঠকে অংশ নেবেন। সেখানে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে প্রস্তাবিত এই নৌপথ নিয়ে বিশদ আলোচনা হবে। তবে ওমান সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
এর আগে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজাই জানিয়েছিলেন, হরমুজ প্রণালির এই নতুন করিডরের প্রবেশ ও প্রস্থানপথ মূলত ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন