নির্মাণের সাত বছর পর অবশেষে চালু হতে যাচ্ছে রংপুর শিশু হাসপাতাল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি নির্দেশনায় সেপ্টেম্বর মাসের মাসের মধ্যে হাসপাতালটির পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা শুরু হবে। শনিবার (১ আগস্ট) সকালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আরিফ আহমেদ হাসপাতাল ভবন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
অতিরিক্ত সচিব আরিফ আহমেদ বলেন, হাসপাতালের প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের অর্থ বরাদ্দের জন্য ইতিমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া আসবাবপত্র ক্রয়ের জন্য দরপত্র (টেন্ডার) আহ্বান করা হয়েছে এবং বর্তমানে স্যাম্পল যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। তিনি আরও জানান, হাসপাতালে বর্তমানে সীমিত পরিসরে বহির্বিভাগ (আউটডোর) চালু রয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করার পর ইনডোরসহ পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু হবে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, রংপুরসহ আগস্ট মাসে দেশের ছয়টি বিভাগে ১০০ শয্যার শিশু হাসপাতাল নির্মাণের কাজ ২০১৭ সালে শুরু হয়। ২০১৯ সালে ভবন নির্মাণ শেষ হলেও জনবল, যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্রের অভাবে দীর্ঘ সাত বছর ধরে ৩২০ কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পগুলো অকেজো হয়ে পড়ে ছিল। তবে করোনাকালে রংপুরের এই ভবনটি করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
সচিব আরও জানান, রংপুরসহ নির্মাণাধীন ছয়টি শিশু হাসপাতালের যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্য ২০৭ কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। বর্তমানে দরপত্র প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং মধ্যেই প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম চলে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত সচিবের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. গওসুল আজিম চৌধুরী, রংপুরের সিভিল সার্জন ডা. শাহীন সুলতানা এবং বিভাগ ও জেলা স্বাস্থ্য প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
আপনার মতামত লিখুন