সংবাদ

হাসপাতালের জমি উদ্ধারে হাই কোর্টের হুঁশিয়ারি


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩ আগস্ট ২০২৬, ০২:৩২ পিএম

হাসপাতালের জমি উদ্ধারে হাই কোর্টের হুঁশিয়ারি
সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল, মহাখালী। ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের বেদখল হওয়া ২৪ একর জমি উদ্ধারে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাই কোর্ট। একই সঙ্গে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে করা আবেদন নিষ্পত্তি, হাসপাতালের জমির সীমানা নির্ধারণী ম্যাপ সংগ্রহ এবং আদালতে অগ্রগতি (কমপ্লায়েন্স) প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার ও সোমবার পৃথক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। স্বাস্থ্যসচিব, গৃহায়ন ও গণপূর্তসচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ঢাকার জেলা প্রশাসক ও বনানী থানার ওসিসহ আট বিবাদীকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. শফিকুল ইসলাম মিজান। তিনি জানান, সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের নামে মোট ৩২ একর জমি বরাদ্দ থাকলেও বর্তমানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দখলে আছে মাত্র ৮ একর। বাকি ২৪ একর জমি দীর্ঘ সময় ধরে অবৈধ দখলদারদের কবজায় রয়েছে। সেখানে বিভিন্ন বেসরকারি আবাসন, বস্তি, দোকানপাট, গ্যারেজসহ নানা অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত এপ্রিলে একটি জাতীয় দৈনিকে ‘হাসপাতালের ৩০ একর জমিই হাতছাড়া’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর ‘পপারস লিগ্যাল এইড ফাউন্ডেশন’ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য চেয়ে চিঠি দেয়। জবাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, মাত্র ৮ একর জমি তাদের দখলে থাকলেও পুরো ৩২ একর জমির জন্য সরকারি খাজনা পরিশোধ করতে হচ্ছে তাদের। এরপরই জনস্বার্থে হাই কোর্টে এই রিট আবেদন করা হয়।

রিটে বলা হয়েছে, সরকারি চিকিৎসাসেবার জন্য নির্ধারিত জমি কোনোভাবেই ব্যক্তিমালিকানাধীন দখলে রাখার সুযোগ নেই। সরকারি সম্পত্তি ও জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান রক্ষায় বিবাদীরা তাঁদের সাংবিধানিক ও আইনি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন, যা সংবিধানের জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন ও জীবনের অধিকারসংক্রান্ত বিধানের লঙ্ঘন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬


হাসপাতালের জমি উদ্ধারে হাই কোর্টের হুঁশিয়ারি

প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

রাজধানীর মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের বেদখল হওয়া ২৪ একর জমি উদ্ধারে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাই কোর্ট। একই সঙ্গে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে করা আবেদন নিষ্পত্তি, হাসপাতালের জমির সীমানা নির্ধারণী ম্যাপ সংগ্রহ এবং আদালতে অগ্রগতি (কমপ্লায়েন্স) প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার ও সোমবার পৃথক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। স্বাস্থ্যসচিব, গৃহায়ন ও গণপূর্তসচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ঢাকার জেলা প্রশাসক ও বনানী থানার ওসিসহ আট বিবাদীকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. শফিকুল ইসলাম মিজান। তিনি জানান, সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের নামে মোট ৩২ একর জমি বরাদ্দ থাকলেও বর্তমানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দখলে আছে মাত্র ৮ একর। বাকি ২৪ একর জমি দীর্ঘ সময় ধরে অবৈধ দখলদারদের কবজায় রয়েছে। সেখানে বিভিন্ন বেসরকারি আবাসন, বস্তি, দোকানপাট, গ্যারেজসহ নানা অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত এপ্রিলে একটি জাতীয় দৈনিকে ‘হাসপাতালের ৩০ একর জমিই হাতছাড়া’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর ‘পপারস লিগ্যাল এইড ফাউন্ডেশন’ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য চেয়ে চিঠি দেয়। জবাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, মাত্র ৮ একর জমি তাদের দখলে থাকলেও পুরো ৩২ একর জমির জন্য সরকারি খাজনা পরিশোধ করতে হচ্ছে তাদের। এরপরই জনস্বার্থে হাই কোর্টে এই রিট আবেদন করা হয়।

রিটে বলা হয়েছে, সরকারি চিকিৎসাসেবার জন্য নির্ধারিত জমি কোনোভাবেই ব্যক্তিমালিকানাধীন দখলে রাখার সুযোগ নেই। সরকারি সম্পত্তি ও জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান রক্ষায় বিবাদীরা তাঁদের সাংবিধানিক ও আইনি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন, যা সংবিধানের জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন ও জীবনের অধিকারসংক্রান্ত বিধানের লঙ্ঘন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত