রাজধানীর খিলগাঁও, গোড়ান ও মালিবাগ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আতঙ্কের নাম শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান গ্রুপের সদস্যরা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেফতার ও নজরদারি এড়াতে তারা মোবাইল ফোনের বদলে ব্যবহার করত ওয়াকিটকি। অবশেষে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৩ এর সফল অভিযানে অস্ত্র ও ওয়াকিটকিসহ গ্রেফতার হয়েছে এই চক্রের তিন সক্রিয় সদস্য।
গ্রেফতাররা
হলেন: স্বাধীন আহমেদ রনি (৩৫), সাজ্জাদ
হোসেন সোহাগ (৩০) ও মেহেদী
হাসান (২৪)। অভিযানে
তাদের কাছ থেকে ৩টি
বিদেশি পিস্তল, ৫টি ম্যাগাজিন, ৩৮
রাউন্ড গুলি, ৩টি ওয়াকিটকি সেট
ও বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার
বিকেলে রাজধানীর শাহজাহানপুরে র্যাব-৩ এর কার্যালয়ে
আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ
সম্মেলনে এই অভিযানের বিস্তারিত
তুলে ধরেন র্যাব-৩
এর অধিনায়ক লে. কর্নেল ফায়েজুল
আরেফীন।
র্যাব-৩ অধিনায়ক বলেন,
"খিলগাঁও গভর্নমেন্ট কলোনি স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষক ও তিন শতাধিক
শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে একটি টাউন হল
সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার উদ্দেশ্য
ছিল র্যাব ও জনগণের মধ্যে
আস্থা বৃদ্ধি। এসময় স্থানীয় বাসিন্দাদের
দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জিসান গ্রুপের সহযোগী ও কথিত মাদক
কারবারি স্বাধীন আহমেদ রনির অবস্থান সম্পর্কে
নিশ্চিত হয় র্যাব।"
তিনি
আরও জানান, প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মালিবাগে রনির ভাড়া বাসায়
অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা
হয় এবং সেখান থেকে
একটি চাইনিজ কুড়াল, একটি চাইনিজ চাপাতি,
একটি সুইচ গিয়ার, তিনটি
ওয়াকিটকি সেট ও দুটি
চার্জার জব্দ করা হয়।
পরবর্তীতে রনির দেওয়া তথ্যে
অন্য দুটি অভিযানে সোহাগ
ও মেহেদীকে ৩টি ৭.৬৫
মিলিমিটার বিদেশি পিস্তল, ৫টি ম্যাগাজিন ও
৩৮ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার করা হয়।
সন্ত্রাসীদের
অপরাধের কৌশল সম্পর্কে র্যাব-৩ এর অধিনায়ক
জানান, "তারা দীর্ঘদিন ধরে
জিসান গ্রুপের হয়ে খিলগাঁও, মালিবাগ
ও গোড়ান এলাকায় ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বিভিন্ন নির্মাণাধীন
প্রকল্প ও নির্মাণ ব্যবসায়ীদের
কাছে চাঁদা দাবি করতেন। আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর নজর এড়াতে তারা
মোবাইল ফোনের পরিবর্তে ওয়াকিটকির মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করতেন।"
জনগণের
সহযোগিতার প্রশংসা করে লে. কর্নেল
ফায়েজুল আরেফীন জোর দিয়ে বলেন,
"সাধারণ মানুষের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এই অভিযান সফল
হয়েছে। পরবর্তীতে এমন অভিযান চলমান
থাকবে।"

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীর খিলগাঁও, গোড়ান ও মালিবাগ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আতঙ্কের নাম শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান গ্রুপের সদস্যরা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেফতার ও নজরদারি এড়াতে তারা মোবাইল ফোনের বদলে ব্যবহার করত ওয়াকিটকি। অবশেষে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৩ এর সফল অভিযানে অস্ত্র ও ওয়াকিটকিসহ গ্রেফতার হয়েছে এই চক্রের তিন সক্রিয় সদস্য।
গ্রেফতাররা
হলেন: স্বাধীন আহমেদ রনি (৩৫), সাজ্জাদ
হোসেন সোহাগ (৩০) ও মেহেদী
হাসান (২৪)। অভিযানে
তাদের কাছ থেকে ৩টি
বিদেশি পিস্তল, ৫টি ম্যাগাজিন, ৩৮
রাউন্ড গুলি, ৩টি ওয়াকিটকি সেট
ও বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার
বিকেলে রাজধানীর শাহজাহানপুরে র্যাব-৩ এর কার্যালয়ে
আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ
সম্মেলনে এই অভিযানের বিস্তারিত
তুলে ধরেন র্যাব-৩
এর অধিনায়ক লে. কর্নেল ফায়েজুল
আরেফীন।
র্যাব-৩ অধিনায়ক বলেন,
"খিলগাঁও গভর্নমেন্ট কলোনি স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষক ও তিন শতাধিক
শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে একটি টাউন হল
সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার উদ্দেশ্য
ছিল র্যাব ও জনগণের মধ্যে
আস্থা বৃদ্ধি। এসময় স্থানীয় বাসিন্দাদের
দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জিসান গ্রুপের সহযোগী ও কথিত মাদক
কারবারি স্বাধীন আহমেদ রনির অবস্থান সম্পর্কে
নিশ্চিত হয় র্যাব।"
তিনি
আরও জানান, প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মালিবাগে রনির ভাড়া বাসায়
অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা
হয় এবং সেখান থেকে
একটি চাইনিজ কুড়াল, একটি চাইনিজ চাপাতি,
একটি সুইচ গিয়ার, তিনটি
ওয়াকিটকি সেট ও দুটি
চার্জার জব্দ করা হয়।
পরবর্তীতে রনির দেওয়া তথ্যে
অন্য দুটি অভিযানে সোহাগ
ও মেহেদীকে ৩টি ৭.৬৫
মিলিমিটার বিদেশি পিস্তল, ৫টি ম্যাগাজিন ও
৩৮ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার করা হয়।
সন্ত্রাসীদের
অপরাধের কৌশল সম্পর্কে র্যাব-৩ এর অধিনায়ক
জানান, "তারা দীর্ঘদিন ধরে
জিসান গ্রুপের হয়ে খিলগাঁও, মালিবাগ
ও গোড়ান এলাকায় ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বিভিন্ন নির্মাণাধীন
প্রকল্প ও নির্মাণ ব্যবসায়ীদের
কাছে চাঁদা দাবি করতেন। আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর নজর এড়াতে তারা
মোবাইল ফোনের পরিবর্তে ওয়াকিটকির মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করতেন।"
জনগণের
সহযোগিতার প্রশংসা করে লে. কর্নেল
ফায়েজুল আরেফীন জোর দিয়ে বলেন,
"সাধারণ মানুষের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এই অভিযান সফল
হয়েছে। পরবর্তীতে এমন অভিযান চলমান
থাকবে।"

আপনার মতামত লিখুন