দীর্ঘ ১৫ মাসেরও বেশি সময় ক্যানসারের সাথে লড়াইয়ের পর চিকিৎসা শেষে অবশেষে দেশে ফিরেছেন বরেণ্য চিত্রনায়ক ও ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চন। সোমবার বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে যুক্তরাজ্য থেকে একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি। দীর্ঘ সময় বিদেশে চিকিৎসাধীন থাকার পর প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে আসার এ মুহূর্তে তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ও জামাতা।
বিমানবন্দরের
ভিআইপি টার্মিনালে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি
হন ক্যানসারে কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়া এই
কিংবদন্তি অভিনেতা।
সংক্ষেপে
অনুভূতি ব্যক্ত করে ইলিয়াস কাঞ্চন
অত্যন্ত আবেগপ্লুত কণ্ঠে বলেন, "আমি দেশে এসেছি।
দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই।
আমি সবসময় সবার জন্য দোয়া
করি।"
বাবার
শারীরিক অবস্থা নিয়ে তথ্য জানাতে
গিয়ে ছেলে মিরাজুল মইন
জয় আশার আলো শুনিয়েছেন।
তিনি বলেন, "বাবা আগের চেয়ে
অনেকটা ভালো আছেন।"
পারিবারিক
সূত্রে জানা গেছে, গত
বছরের এপ্রিল থেকে ব্রেন টিউমারের
জটিল চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে
অবস্থান করছিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন। সেখানে লন্ডনের স্বনামধন্য হাসপাতালের পাশাপাশি মেয়ে ইমা ইসলামের
বাসায় থেকেও নিয়মিত চিকিৎসা নেন তিনি। গত
বছরের আগস্টে অস্ত্রোপচার করে তার মস্তিষ্কের
টিউমারের বড় একটি অংশ
অপসারণ করা হলেও ঝুঁকির
কারণে পুরোটাই সরানো সম্ভব হয়নি।
পরবর্তীতে
চিকিৎসকদের পরীক্ষায় তার ব্রেন ক্যানসার
ধরা পড়ে। এরপর শুরু
হয় জীবনের কঠিন সংগ্রাম। দীর্ঘ
চিকিৎসা প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপে টানা তিন
মাস কেমোথেরাপির সাথে দেওয়া হয়
ওরাল থেরাপি, পরবর্তীতে আরও দুটি ধাপে
চলে ওরাল থেরাপির প্রক্রিয়া।
১২ সপ্তাহের একটি নিবিড় চিকিৎসাকালে
প্রতি সপ্তাহে পাঁচ দিন করে
তাকে ৬০টিরও বেশি কেমোথেরাপি নিতে
হয়েছে। সব ধাপ মিলিয়ে
এ পর্যন্ত প্রায় ১০০টির মতো কেমোথেরাপি সম্পন্ন
করেছেন প্রখ্যাত এই অভিনয়শিল্পী।
কঠিন
এই চিকিৎসার বড় একটি ধাপ
সফলভাবে সম্পন্ন করে দেশে ফিরলেও
তার নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষা থামছে না। চিকিৎসকদের সার্বক্ষণিক
পর্যবেক্ষণ ও পরামর্শ অনুযায়ী
আগামী দিনেও তার পরবর্তী চিকিৎসা
কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে তার
পরিবার।

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
দীর্ঘ ১৫ মাসেরও বেশি সময় ক্যানসারের সাথে লড়াইয়ের পর চিকিৎসা শেষে অবশেষে দেশে ফিরেছেন বরেণ্য চিত্রনায়ক ও ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চন। সোমবার বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে যুক্তরাজ্য থেকে একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি। দীর্ঘ সময় বিদেশে চিকিৎসাধীন থাকার পর প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে আসার এ মুহূর্তে তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ও জামাতা।
বিমানবন্দরের
ভিআইপি টার্মিনালে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি
হন ক্যানসারে কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়া এই
কিংবদন্তি অভিনেতা।
সংক্ষেপে
অনুভূতি ব্যক্ত করে ইলিয়াস কাঞ্চন
অত্যন্ত আবেগপ্লুত কণ্ঠে বলেন, "আমি দেশে এসেছি।
দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই।
আমি সবসময় সবার জন্য দোয়া
করি।"
বাবার
শারীরিক অবস্থা নিয়ে তথ্য জানাতে
গিয়ে ছেলে মিরাজুল মইন
জয় আশার আলো শুনিয়েছেন।
তিনি বলেন, "বাবা আগের চেয়ে
অনেকটা ভালো আছেন।"
পারিবারিক
সূত্রে জানা গেছে, গত
বছরের এপ্রিল থেকে ব্রেন টিউমারের
জটিল চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে
অবস্থান করছিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন। সেখানে লন্ডনের স্বনামধন্য হাসপাতালের পাশাপাশি মেয়ে ইমা ইসলামের
বাসায় থেকেও নিয়মিত চিকিৎসা নেন তিনি। গত
বছরের আগস্টে অস্ত্রোপচার করে তার মস্তিষ্কের
টিউমারের বড় একটি অংশ
অপসারণ করা হলেও ঝুঁকির
কারণে পুরোটাই সরানো সম্ভব হয়নি।
পরবর্তীতে
চিকিৎসকদের পরীক্ষায় তার ব্রেন ক্যানসার
ধরা পড়ে। এরপর শুরু
হয় জীবনের কঠিন সংগ্রাম। দীর্ঘ
চিকিৎসা প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপে টানা তিন
মাস কেমোথেরাপির সাথে দেওয়া হয়
ওরাল থেরাপি, পরবর্তীতে আরও দুটি ধাপে
চলে ওরাল থেরাপির প্রক্রিয়া।
১২ সপ্তাহের একটি নিবিড় চিকিৎসাকালে
প্রতি সপ্তাহে পাঁচ দিন করে
তাকে ৬০টিরও বেশি কেমোথেরাপি নিতে
হয়েছে। সব ধাপ মিলিয়ে
এ পর্যন্ত প্রায় ১০০টির মতো কেমোথেরাপি সম্পন্ন
করেছেন প্রখ্যাত এই অভিনয়শিল্পী।
কঠিন
এই চিকিৎসার বড় একটি ধাপ
সফলভাবে সম্পন্ন করে দেশে ফিরলেও
তার নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষা থামছে না। চিকিৎসকদের সার্বক্ষণিক
পর্যবেক্ষণ ও পরামর্শ অনুযায়ী
আগামী দিনেও তার পরবর্তী চিকিৎসা
কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে তার
পরিবার।

আপনার মতামত লিখুন