দীর্ঘ প্রায় চার বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মুক্তির পথে বলিউড অভিনেত্রী ম্রুণাল ঠাকুর অভিনীত সাইবার-থ্রিলার চলচ্চিত্র ‘পূজা মেরি জান’। ২০২২ সালে শুটিং শেষ হলেও নানা জটিলতায় এতদিন মুক্তি পায়নি ছবিটি। এবার জানা গেছে, সিনেমাটি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম জিফাইভে মুক্তির প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত। যদিও নির্মাতারা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তির তারিখ ঘোষণা করেননি।
দীর্ঘদিন ধরে মুক্তি
আটকে থাকায় ছবিটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। অবশেষে মুক্তির খবর সামনে আসায় উচ্ছ্বাস
প্রকাশ করেছেন ম্রুণাল ঠাকুরও। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, ‘পূজা মেরি জান’ তাঁর
কাছে অত্যন্ত বিশেষ একটি কাজ। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর দর্শক ছবিটি দেখতে পারবেন—এটাই তাঁর
সবচেয়ে বড় আনন্দ।
‘পূজা মেরি জান’
একটি সাইবার-থ্রিলার ও মনস্তাত্ত্বিক নাটক। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র পূজা, যিনি এক
রহস্যময় সাইবার স্টকারের অবিরাম হয়রানির শিকার হন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল
প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে ওই ব্যক্তি তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে ভয় ও অনিশ্চয়তার পরিবেশ তৈরি
করে। কে এই অনুসরণকারী, কেন সে পূজাকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে এবং কীভাবে রহস্যের সমাধান
হবে—এসব প্রশ্নের উত্তর নিয়েই এগিয়ে যায় ছবির কাহিনি।
নির্মাতাদের ভাষ্য,
এটি শুধু একটি থ্রিলার নয়; সমসাময়িক সমাজে সাইবার অপরাধ, ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার
এবং অবসেসিভ ভালোবাসার ভয়াবহ দিকও তুলে ধরা হয়েছে সিনেমাটিতে। প্রযুক্তিনির্ভর জীবনে
ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কতটা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে, সেটিও উঠে এসেছে গল্পে।
সিনেমাটিতে পূজা
চরিত্রে অভিনয় করেছেন ম্রুণাল ঠাকুর। গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য চরিত্রে রয়েছেন হুমা কুরেশি,
বিক্রম সিং চৌহান এবং বিজয় রাজ। ছবিটি পরিচালনা করেছেন নবজ্যোত গুলাটি। প্রযোজনায় রয়েছে
দীনেশ ভিজানের ম্যাডক ফিল্মস ও অমর কৌশিক।
২০২২ সালে শুটিং
শেষ হওয়ার পর ছবিটি প্রথমে জিওসিনেমায় মুক্তির পরিকল্পনা ছিল। তবে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম-সংক্রান্ত
ব্যবসায়িক পুনর্গঠন ও অন্যান্য জটিলতার কারণে মুক্তি অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে যায়।
পরে জিফাইভ ছবিটির ডিজিটাল স্বত্ব অধিগ্রহণ করলে মুক্তির পথ উন্মুক্ত হয়।
সম্প্রতি ভিন্নধর্মী
চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন ম্রুণাল ঠাকুর। সেই ধারাবাহিকতায় ‘পূজা
মেরি জান’-এ তাঁর সাইবার-থ্রিলারধর্মী চরিত্র দর্শকদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা হয়ে উঠবে
বলেই মনে করছেন সিনেমাপ্রেমীরা।

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
দীর্ঘ প্রায় চার বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মুক্তির পথে বলিউড অভিনেত্রী ম্রুণাল ঠাকুর অভিনীত সাইবার-থ্রিলার চলচ্চিত্র ‘পূজা মেরি জান’। ২০২২ সালে শুটিং শেষ হলেও নানা জটিলতায় এতদিন মুক্তি পায়নি ছবিটি। এবার জানা গেছে, সিনেমাটি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম জিফাইভে মুক্তির প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত। যদিও নির্মাতারা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তির তারিখ ঘোষণা করেননি।
দীর্ঘদিন ধরে মুক্তি
আটকে থাকায় ছবিটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। অবশেষে মুক্তির খবর সামনে আসায় উচ্ছ্বাস
প্রকাশ করেছেন ম্রুণাল ঠাকুরও। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, ‘পূজা মেরি জান’ তাঁর
কাছে অত্যন্ত বিশেষ একটি কাজ। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর দর্শক ছবিটি দেখতে পারবেন—এটাই তাঁর
সবচেয়ে বড় আনন্দ।
‘পূজা মেরি জান’
একটি সাইবার-থ্রিলার ও মনস্তাত্ত্বিক নাটক। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র পূজা, যিনি এক
রহস্যময় সাইবার স্টকারের অবিরাম হয়রানির শিকার হন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল
প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে ওই ব্যক্তি তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে ভয় ও অনিশ্চয়তার পরিবেশ তৈরি
করে। কে এই অনুসরণকারী, কেন সে পূজাকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে এবং কীভাবে রহস্যের সমাধান
হবে—এসব প্রশ্নের উত্তর নিয়েই এগিয়ে যায় ছবির কাহিনি।
নির্মাতাদের ভাষ্য,
এটি শুধু একটি থ্রিলার নয়; সমসাময়িক সমাজে সাইবার অপরাধ, ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার
এবং অবসেসিভ ভালোবাসার ভয়াবহ দিকও তুলে ধরা হয়েছে সিনেমাটিতে। প্রযুক্তিনির্ভর জীবনে
ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কতটা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে, সেটিও উঠে এসেছে গল্পে।
সিনেমাটিতে পূজা
চরিত্রে অভিনয় করেছেন ম্রুণাল ঠাকুর। গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য চরিত্রে রয়েছেন হুমা কুরেশি,
বিক্রম সিং চৌহান এবং বিজয় রাজ। ছবিটি পরিচালনা করেছেন নবজ্যোত গুলাটি। প্রযোজনায় রয়েছে
দীনেশ ভিজানের ম্যাডক ফিল্মস ও অমর কৌশিক।
২০২২ সালে শুটিং
শেষ হওয়ার পর ছবিটি প্রথমে জিওসিনেমায় মুক্তির পরিকল্পনা ছিল। তবে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম-সংক্রান্ত
ব্যবসায়িক পুনর্গঠন ও অন্যান্য জটিলতার কারণে মুক্তি অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে যায়।
পরে জিফাইভ ছবিটির ডিজিটাল স্বত্ব অধিগ্রহণ করলে মুক্তির পথ উন্মুক্ত হয়।
সম্প্রতি ভিন্নধর্মী
চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন ম্রুণাল ঠাকুর। সেই ধারাবাহিকতায় ‘পূজা
মেরি জান’-এ তাঁর সাইবার-থ্রিলারধর্মী চরিত্র দর্শকদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা হয়ে উঠবে
বলেই মনে করছেন সিনেমাপ্রেমীরা।

আপনার মতামত লিখুন