প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৫ আগস্টকে স্বাধীনতাপ্রিয় ও গণতন্ত্রকামী মানুষের জন্য আনন্দ, বিজয় এবং গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার দিন হিসেবে অভিহিত করেছেন। ২০২৪ সালের এই দিনে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময়ের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটেছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, “দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদের পতন এবং জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বিএনপিসহ ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দল ও ভিন্নমতের মানুষকে সীমাহীন নির্যাতন সইতে হয়েছে। আজ বাংলাদেশ সেই রাহুমুক্তির দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি পালন করছে।”
বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী বিগত সরকারের সময়ের দমন-পীড়নের চিত্র তুলে ধরে বলেন, গণতন্ত্রকামী মানুষের কণ্ঠ স্তব্ধ করতে ‘আয়নাঘর’-এর মতো গোপন বন্দিশালা গড়ে তোলা হয়েছিল। বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস আলী ও কমিশনার চৌধুরী আলমসহ অসংখ্য নেতাকর্মীকে গুম ও খুন করা হয়েছে। এমনকি আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকেও দীর্ঘ সময় কারান্তরীণ থাকতে হয়েছিল।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের স্মৃতি চারণ করে তারেক রহমান বলেন, “স্বৈরাচারের নির্দেশে রাজপথে পাখির মতো মানুষ হত্যা করা হয়েছে। হেলিকপ্টার থেকে গুলি চালিয়ে মায়ের কোলের শিশুকেও রেহাই দেওয়া হয়নি। কিন্তু আবু সাঈদ, ওয়াসিম আকরাম ও মুগ্ধদের মতো হাজারো শহীদের আত্মত্যাগ বৃথা যায়নি। ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ শক্তিতে ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্টরা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।”
আন্দোলনে হতাহতদের পরিসংখ্যান উল্লেখ করে তিনি জানান, এই গণ-অভ্যুত্থানে প্রায় এক হাজার মানুষ শহীদ হয়েছেন এবং ৩০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। শত শত মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন এবং অনেকে চিরতরে দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। প্রতিটি শহীদ পরিবারের কাছে বাংলাদেশ ঋণী বলে তিনি মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “১৯৭১ সাল ছিল স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ, আর ২০২৪ সাল ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধ। ১৯৭১ সালের শহীদদের মতো ২০২৪ সালের শহীদদেরও বাংলাদেশ কখনো ভুলবে না।”
জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি আরও বলেন, “ভিন্নমত গণতন্ত্রের সৌন্দর্য, কিন্তু তা যেন শত্রুতায় রূপ না নেয়। বাংলাদেশে আর কখনোই স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ বা উগ্রবাদ কায়েম হতে দেওয়া হবে না।” একটি ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার মাধ্যমেই শহীদদের প্রতি প্রকৃত ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
\

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৫ আগস্টকে স্বাধীনতাপ্রিয় ও গণতন্ত্রকামী মানুষের জন্য আনন্দ, বিজয় এবং গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার দিন হিসেবে অভিহিত করেছেন। ২০২৪ সালের এই দিনে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময়ের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটেছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, “দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদের পতন এবং জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বিএনপিসহ ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দল ও ভিন্নমতের মানুষকে সীমাহীন নির্যাতন সইতে হয়েছে। আজ বাংলাদেশ সেই রাহুমুক্তির দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি পালন করছে।”
বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী বিগত সরকারের সময়ের দমন-পীড়নের চিত্র তুলে ধরে বলেন, গণতন্ত্রকামী মানুষের কণ্ঠ স্তব্ধ করতে ‘আয়নাঘর’-এর মতো গোপন বন্দিশালা গড়ে তোলা হয়েছিল। বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস আলী ও কমিশনার চৌধুরী আলমসহ অসংখ্য নেতাকর্মীকে গুম ও খুন করা হয়েছে। এমনকি আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকেও দীর্ঘ সময় কারান্তরীণ থাকতে হয়েছিল।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের স্মৃতি চারণ করে তারেক রহমান বলেন, “স্বৈরাচারের নির্দেশে রাজপথে পাখির মতো মানুষ হত্যা করা হয়েছে। হেলিকপ্টার থেকে গুলি চালিয়ে মায়ের কোলের শিশুকেও রেহাই দেওয়া হয়নি। কিন্তু আবু সাঈদ, ওয়াসিম আকরাম ও মুগ্ধদের মতো হাজারো শহীদের আত্মত্যাগ বৃথা যায়নি। ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ শক্তিতে ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্টরা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।”
আন্দোলনে হতাহতদের পরিসংখ্যান উল্লেখ করে তিনি জানান, এই গণ-অভ্যুত্থানে প্রায় এক হাজার মানুষ শহীদ হয়েছেন এবং ৩০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। শত শত মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন এবং অনেকে চিরতরে দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। প্রতিটি শহীদ পরিবারের কাছে বাংলাদেশ ঋণী বলে তিনি মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “১৯৭১ সাল ছিল স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ, আর ২০২৪ সাল ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধ। ১৯৭১ সালের শহীদদের মতো ২০২৪ সালের শহীদদেরও বাংলাদেশ কখনো ভুলবে না।”
জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি আরও বলেন, “ভিন্নমত গণতন্ত্রের সৌন্দর্য, কিন্তু তা যেন শত্রুতায় রূপ না নেয়। বাংলাদেশে আর কখনোই স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ বা উগ্রবাদ কায়েম হতে দেওয়া হবে না।” একটি ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার মাধ্যমেই শহীদদের প্রতি প্রকৃত ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
\

আপনার মতামত লিখুন