রাজধানীর শাহবাগে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নতুন ধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী এবং জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানাসহ ছয় নেতাকর্মীকে জেলহাজতে আটক রাখার আবেদন জানিয়েছে পুলিশ।
একই
সঙ্গে মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের
স্বার্থে পরবর্তীতে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ রিমান্ডের
আবেদন করা হবে বলেও
আদালত সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।
বুধবার
ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত
করে সংবাদমাধ্যমকে জানান, "শাহবাগ থানার মামলায় গ্রেফতার ছয় আসামিকে আদালতে
হাজির করে জেলহাজতে রাখার
আবেদন করা হয়েছে। তদন্তের
প্রয়োজনে পরবর্তী সময়ে তাদের বিরুদ্ধে
রিমান্ডের আবেদন জানানো হবে।"
মোমিন
মেহেদী ও শান্তা ফারজানা
ছাড়া আদালতে পাঠানো অন্যান্য আসামিরা হলেন: নতুন ধারা বাংলাদেশের
ভাইস চেয়ারম্যান ডা. নূরজাহান নীরা,
যুগ্ম মহাসচিব মনিরুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক আফতাব মণ্ডল এবং হরী সরকার।
মামলার
এজাহার অনুযায়ী, সন্ত্রাসবিরোধী আইন এবং দণ্ডবিধির
হত্যাচেষ্টাসহ বিভিন্ন মারাত্মক অপরাধের ধারায় আসামিদের অভিযুক্ত করা হয়েছে। পুলিশি
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত
৪ আগস্ট জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সরকারবিরোধী কর্মসূচির সময় আসামিরা অত্যন্ত
উসকানিমূলক স্লোগান ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি
করেন। সে সময় বাদী
বাবুল সরকার এবং জুলাই আন্দোলনের
সদস্য সচিব আল নূর
মোহাম্মদ আয়াস প্রতিবাদ করতে
গেলে তাদের ওপর পৈশাচিক হামলা
চালানো হয়। এ সময়
আয়াসকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারাত্মক মারধর করা হয় বলে
অভিযোগ উঠেছে।
আদালতে
পেশ করা প্রতিবেদনে পুলিশ
আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা কিছু তথ্য প্রদান
করলেও হামলায় অংশ নেওয়া অন্যান্য
সহযোগীদের নাম-ঠিকানা প্রকাশ
করতে অস্বীকার করেছেন।
মামলার
প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন, অজ্ঞাত পলাতক আসামিদের শনাক্তকরণ এবং সুনির্দিষ্ট তদন্তের
স্বার্থে তাদেরকে জেলহাজতে আটক রাখা অত্যন্ত
প্রয়োজন বলে আদালতকে জানানো
হয়।
উল্লেখ্য,
মঙ্গলবার রাতে ঢাকা মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কয়েক ঘণ্টার তুমুল
উত্তেজনার পর কড়া নিরাপত্তার
মধ্য দিয়ে এই ৬
জনকে হেফাজতে নেয় শাহবাগ থানা
পুলিশ।

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীর শাহবাগে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নতুন ধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী এবং জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানাসহ ছয় নেতাকর্মীকে জেলহাজতে আটক রাখার আবেদন জানিয়েছে পুলিশ।
একই
সঙ্গে মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের
স্বার্থে পরবর্তীতে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ রিমান্ডের
আবেদন করা হবে বলেও
আদালত সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।
বুধবার
ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত
করে সংবাদমাধ্যমকে জানান, "শাহবাগ থানার মামলায় গ্রেফতার ছয় আসামিকে আদালতে
হাজির করে জেলহাজতে রাখার
আবেদন করা হয়েছে। তদন্তের
প্রয়োজনে পরবর্তী সময়ে তাদের বিরুদ্ধে
রিমান্ডের আবেদন জানানো হবে।"
মোমিন
মেহেদী ও শান্তা ফারজানা
ছাড়া আদালতে পাঠানো অন্যান্য আসামিরা হলেন: নতুন ধারা বাংলাদেশের
ভাইস চেয়ারম্যান ডা. নূরজাহান নীরা,
যুগ্ম মহাসচিব মনিরুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক আফতাব মণ্ডল এবং হরী সরকার।
মামলার
এজাহার অনুযায়ী, সন্ত্রাসবিরোধী আইন এবং দণ্ডবিধির
হত্যাচেষ্টাসহ বিভিন্ন মারাত্মক অপরাধের ধারায় আসামিদের অভিযুক্ত করা হয়েছে। পুলিশি
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত
৪ আগস্ট জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সরকারবিরোধী কর্মসূচির সময় আসামিরা অত্যন্ত
উসকানিমূলক স্লোগান ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি
করেন। সে সময় বাদী
বাবুল সরকার এবং জুলাই আন্দোলনের
সদস্য সচিব আল নূর
মোহাম্মদ আয়াস প্রতিবাদ করতে
গেলে তাদের ওপর পৈশাচিক হামলা
চালানো হয়। এ সময়
আয়াসকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারাত্মক মারধর করা হয় বলে
অভিযোগ উঠেছে।
আদালতে
পেশ করা প্রতিবেদনে পুলিশ
আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা কিছু তথ্য প্রদান
করলেও হামলায় অংশ নেওয়া অন্যান্য
সহযোগীদের নাম-ঠিকানা প্রকাশ
করতে অস্বীকার করেছেন।
মামলার
প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন, অজ্ঞাত পলাতক আসামিদের শনাক্তকরণ এবং সুনির্দিষ্ট তদন্তের
স্বার্থে তাদেরকে জেলহাজতে আটক রাখা অত্যন্ত
প্রয়োজন বলে আদালতকে জানানো
হয়।
উল্লেখ্য,
মঙ্গলবার রাতে ঢাকা মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কয়েক ঘণ্টার তুমুল
উত্তেজনার পর কড়া নিরাপত্তার
মধ্য দিয়ে এই ৬
জনকে হেফাজতে নেয় শাহবাগ থানা
পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন