সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আইনজীবী মো. ইউনুছ আলী আকন্দ এই রিট দায়ের করেন। আগামী রবিবার (১৬ আগস্ট) রিটটির ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানা গেছে।
রিট দায়েরের বিষয়ে আইনজীবী জানান, "৭০ অনুচ্ছেদের কারণে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেন না এবং এতে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ব্যাহত হয়।"
রিটে চ্যালেঞ্জ করা সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোনো নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি দল হইতে পদত্যাগ করেন অথবা সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন, তাহা হইলে সংসদে তাহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোনো নির্বাচনে সংসদ সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।
তফসিল অনুযায়ী, দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ছিল আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত। আগামী ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র বাছাই এবং ১৮ আগস্ট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন নির্ধারিত রয়েছে। এছাড়া আগামী ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে বিএনপি দুটি এবং ১১ দলীয় জোট একটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে। গত ২৪ জুলাই ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর নির্বাচন কমিশন এই তফসিল ঘোষণা করে।
এর আগে ২০১৮ সালে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একই আইনজীবীর দায়ের করা রিট আবেদন হাইকোর্ট খারিজ করে দিয়েছিলেন। সেই রায়ে আদালত ৭০ অনুচ্ছেদকে সংবিধানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ এবং গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন।
রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়েছিল, ৭০ অনুচ্ছেদ ১৯৭২ সালের আদি সংবিধানের অংশ হওয়ায় এবং পঞ্চদশ সংশোধনীতে এতে কোনো পরিবর্তন না আসায় কোনো আদালতের তা অবৈধ বা বাতিল করার এখতিয়ার নেই।

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আইনজীবী মো. ইউনুছ আলী আকন্দ এই রিট দায়ের করেন। আগামী রবিবার (১৬ আগস্ট) রিটটির ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানা গেছে।
রিট দায়েরের বিষয়ে আইনজীবী জানান, "৭০ অনুচ্ছেদের কারণে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেন না এবং এতে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ব্যাহত হয়।"
রিটে চ্যালেঞ্জ করা সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোনো নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি দল হইতে পদত্যাগ করেন অথবা সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন, তাহা হইলে সংসদে তাহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোনো নির্বাচনে সংসদ সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।
তফসিল অনুযায়ী, দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ছিল আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত। আগামী ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র বাছাই এবং ১৮ আগস্ট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন নির্ধারিত রয়েছে। এছাড়া আগামী ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে বিএনপি দুটি এবং ১১ দলীয় জোট একটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে। গত ২৪ জুলাই ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর নির্বাচন কমিশন এই তফসিল ঘোষণা করে।
এর আগে ২০১৮ সালে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একই আইনজীবীর দায়ের করা রিট আবেদন হাইকোর্ট খারিজ করে দিয়েছিলেন। সেই রায়ে আদালত ৭০ অনুচ্ছেদকে সংবিধানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ এবং গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন।
রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়েছিল, ৭০ অনুচ্ছেদ ১৯৭২ সালের আদি সংবিধানের অংশ হওয়ায় এবং পঞ্চদশ সংশোধনীতে এতে কোনো পরিবর্তন না আসায় কোনো আদালতের তা অবৈধ বা বাতিল করার এখতিয়ার নেই।

আপনার মতামত লিখুন