সংবাদ

বিতর্কিত কুরিল দ্বীপে পুতিনের প্রথম সফর, জাপানের তীব্র প্রতিবাদ


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৪৭ পিএম

বিতর্কিত কুরিল দ্বীপে পুতিনের প্রথম সফর, জাপানের তীব্র প্রতিবাদ
ছবি : সংগৃহীত

রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধপূর্ণ অঞ্চল কুরিল দ্বীপপুঞ্জ প্রথমবারের মতো সফর করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তার এই সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। জাপান পুতিনের এই সফরকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ এবং জাপানি জনগণের অনুভূতির পরিপন্থী হিসেবে অভিহিত করে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, পুতিন কুরিল দ্বীপপুঞ্জের অন্যতম প্রধান দ্বীপ ‘ইতুরুপ’ (জাপানে যা ‘এতোরোফু’ নামে পরিচিত) পরিদর্শন করেছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষভাগে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন এই দ্বীপপুঞ্জটি দখল করে নেয়। সেই থেকে রাশিয়া ও জাপান - উভয় দেশই এই দ্বীপগুলোর মালিকানা দাবি করে আসছে। এই ভূখণ্ডগত বিরোধের কারণেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার আট দশক পার হলেও মস্কো ও টোকিও আজ পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারেনি। জাপান এই দ্বীপগুলোকে তাদের ‘উত্তরাঞ্চলীয় ভূখণ্ড’ হিসেবে দাবি করে থাকে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানান, পুতিনের এই সফর রাশিয়ার প্রতি জাপানিদের মনোভাবকে আরও নেতিবাচক করে তুলবে। দ্বীপগুলো আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী জাপানের অবিচ্ছেদ্য ভূখণ্ড উল্লেখ করে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিতসু মোতেগিও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

রাশিয়ার জন্য কুরিল দ্বীপপুঞ্জ কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত এক দশকে ক্রেমলিন এই অঞ্চলে নিজেদের সামরিক শক্তি ব্যাপক বাড়িয়েছে। বিশেষ করে ইতুরুপ দ্বীপে রাশিয়ার একটি প্রধান সামরিক বিমানঘাঁটি রয়েছে। সম্প্রতি এই এলাকায় চীন ও রাশিয়ার যৌথ নৌ-টহল এবং নিয়মিত সামরিক মহড়াকে কেন্দ্র করে টোকিও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬


বিতর্কিত কুরিল দ্বীপে পুতিনের প্রথম সফর, জাপানের তীব্র প্রতিবাদ

প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধপূর্ণ অঞ্চল কুরিল দ্বীপপুঞ্জ প্রথমবারের মতো সফর করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তার এই সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। জাপান পুতিনের এই সফরকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ এবং জাপানি জনগণের অনুভূতির পরিপন্থী হিসেবে অভিহিত করে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, পুতিন কুরিল দ্বীপপুঞ্জের অন্যতম প্রধান দ্বীপ ‘ইতুরুপ’ (জাপানে যা ‘এতোরোফু’ নামে পরিচিত) পরিদর্শন করেছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষভাগে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন এই দ্বীপপুঞ্জটি দখল করে নেয়। সেই থেকে রাশিয়া ও জাপান - উভয় দেশই এই দ্বীপগুলোর মালিকানা দাবি করে আসছে। এই ভূখণ্ডগত বিরোধের কারণেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার আট দশক পার হলেও মস্কো ও টোকিও আজ পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারেনি। জাপান এই দ্বীপগুলোকে তাদের ‘উত্তরাঞ্চলীয় ভূখণ্ড’ হিসেবে দাবি করে থাকে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানান, পুতিনের এই সফর রাশিয়ার প্রতি জাপানিদের মনোভাবকে আরও নেতিবাচক করে তুলবে। দ্বীপগুলো আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী জাপানের অবিচ্ছেদ্য ভূখণ্ড উল্লেখ করে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিতসু মোতেগিও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

রাশিয়ার জন্য কুরিল দ্বীপপুঞ্জ কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত এক দশকে ক্রেমলিন এই অঞ্চলে নিজেদের সামরিক শক্তি ব্যাপক বাড়িয়েছে। বিশেষ করে ইতুরুপ দ্বীপে রাশিয়ার একটি প্রধান সামরিক বিমানঘাঁটি রয়েছে। সম্প্রতি এই এলাকায় চীন ও রাশিয়ার যৌথ নৌ-টহল এবং নিয়মিত সামরিক মহড়াকে কেন্দ্র করে টোকিও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত