ভিসার অপব্যবহার ও জালিয়াতি রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে মার্কিন সরকার। ভিসা সংক্রান্ত যেকোনো অনিয়ম, জালিয়াতি বা অপব্যবহারের সুনির্দিষ্ট তথ্য মার্কিন কর্তৃপক্ষকে সরাসরি জানানোর জন্য একটি নতুন অনলাইন পোর্টাল চালু করা হয়েছে।
ভ্রমণ সংক্রান্ত নিউজ পোর্টাল ভিসানিউজ জানিয়েছে, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বা বার্থ ট্যুরিজমের নামে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের ওপর নতুন ভিসা বিধিনিষেধ জারির পাশাপাশি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই অনলাইন পোর্টাল চালুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন। বিশেষ করে যারা এই ধরনের ভ্রমণে সহায়তা করেন কিংবা ভিসা আবেদনে জেনেশুনে ভুল বা মিথ্যা তথ্য দিতে আবেদনকারীদের উৎসাহিত করেন, তাদের সবাইকেই নতুন এই বিধিনিষেধের কঠোর আওতায় আনা হয়েছে।
অফিসিয়াল ওয়েবসাইট travel.state.gov-এ প্রবেশ করে ‘রিপোর্ট ভিসা ফ্রড’ নামক নির্দিষ্ট ফরম পূরণ করার মাধ্যমে যে কেউ ভিসা জালিয়াতির তথ্য কর্তৃপক্ষকে জমা দিতে পারবেন। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, ভিসা অপব্যবহারের ক্ষেত্রে যত বেশি সম্ভব সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রদান করা হলে তা তদন্তের কাজে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। এই পোর্টালের মাধ্যমে অভিযোগকারীর গোপনীয়তা পুরোপুরি বজায় রাখা হয়েছে।
অভিযোগ দাখিলের সময় নাম বা ইমেইল ঠিকানা দেওয়া সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক রাখা হয়েছে, অর্থাৎ নাম প্রকাশ না করেও যে কেউ জালিয়াতির তথ্য জানাতে পারবেন। তবে তদন্তের স্বার্থে পরবর্তীতে কর্তৃপক্ষের যোগাযোগের প্রয়োজন হলে চাইলে যে কেউ স্বেচ্ছায় নিজের নাম ও ঠিকানা যুক্ত করতে পারেন।
ভ্রমণের ভুয়া পরিকল্পনা তৈরি, জালিয়াতির জাল কাগজপত্র ব্যবহার, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ভুয়া বিয়ে, নামসর্বস্ব ভুয়া প্রতিষ্ঠান, ভুয়া চাকরি এবং জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার বার্থ ট্যুরিজম সংক্রান্ত যেকোনো ধরনের সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের তথ্য এই পোর্টালে জমা দেওয়া যাবে।
জমা পড়া এসব অভিযোগ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করা হবে এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভিসা অবিলম্বে বাতিল করাসহ পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের জন্য উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।
উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের শাসনকাল শুরু হওয়ার পর থেকেই ভিসা জালিয়াতির সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ১০ হাজারের বেশি ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভিন্ন কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ভিসা আবেদনকারীদের সামগ্রিক যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া আরও বেশি জোরদার করার অংশ হিসেবেই মূলত এই নতুন অনলাইন পোর্টালটি চালু করা হয়েছে।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভিসার অপব্যবহার ও জালিয়াতি রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে মার্কিন সরকার। ভিসা সংক্রান্ত যেকোনো অনিয়ম, জালিয়াতি বা অপব্যবহারের সুনির্দিষ্ট তথ্য মার্কিন কর্তৃপক্ষকে সরাসরি জানানোর জন্য একটি নতুন অনলাইন পোর্টাল চালু করা হয়েছে।
ভ্রমণ সংক্রান্ত নিউজ পোর্টাল ভিসানিউজ জানিয়েছে, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বা বার্থ ট্যুরিজমের নামে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের ওপর নতুন ভিসা বিধিনিষেধ জারির পাশাপাশি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই অনলাইন পোর্টাল চালুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন। বিশেষ করে যারা এই ধরনের ভ্রমণে সহায়তা করেন কিংবা ভিসা আবেদনে জেনেশুনে ভুল বা মিথ্যা তথ্য দিতে আবেদনকারীদের উৎসাহিত করেন, তাদের সবাইকেই নতুন এই বিধিনিষেধের কঠোর আওতায় আনা হয়েছে।
অফিসিয়াল ওয়েবসাইট travel.state.gov-এ প্রবেশ করে ‘রিপোর্ট ভিসা ফ্রড’ নামক নির্দিষ্ট ফরম পূরণ করার মাধ্যমে যে কেউ ভিসা জালিয়াতির তথ্য কর্তৃপক্ষকে জমা দিতে পারবেন। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, ভিসা অপব্যবহারের ক্ষেত্রে যত বেশি সম্ভব সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রদান করা হলে তা তদন্তের কাজে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। এই পোর্টালের মাধ্যমে অভিযোগকারীর গোপনীয়তা পুরোপুরি বজায় রাখা হয়েছে।
অভিযোগ দাখিলের সময় নাম বা ইমেইল ঠিকানা দেওয়া সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক রাখা হয়েছে, অর্থাৎ নাম প্রকাশ না করেও যে কেউ জালিয়াতির তথ্য জানাতে পারবেন। তবে তদন্তের স্বার্থে পরবর্তীতে কর্তৃপক্ষের যোগাযোগের প্রয়োজন হলে চাইলে যে কেউ স্বেচ্ছায় নিজের নাম ও ঠিকানা যুক্ত করতে পারেন।
ভ্রমণের ভুয়া পরিকল্পনা তৈরি, জালিয়াতির জাল কাগজপত্র ব্যবহার, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ভুয়া বিয়ে, নামসর্বস্ব ভুয়া প্রতিষ্ঠান, ভুয়া চাকরি এবং জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার বার্থ ট্যুরিজম সংক্রান্ত যেকোনো ধরনের সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের তথ্য এই পোর্টালে জমা দেওয়া যাবে।
জমা পড়া এসব অভিযোগ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করা হবে এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভিসা অবিলম্বে বাতিল করাসহ পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের জন্য উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।
উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের শাসনকাল শুরু হওয়ার পর থেকেই ভিসা জালিয়াতির সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ১০ হাজারের বেশি ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভিন্ন কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ভিসা আবেদনকারীদের সামগ্রিক যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া আরও বেশি জোরদার করার অংশ হিসেবেই মূলত এই নতুন অনলাইন পোর্টালটি চালু করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন