দক্ষিণ-পশ্চিম ইংল্যান্ডের গ্লুচেস্টারশায়ারের ওয়েলফোর্ড এলাকায় হঠাৎ করেই থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ব্যবহার করে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রিটিশ বিমানঘাঁটির ঠিক পাশেই এই ঘটনা ঘটে।
পরিস্থিতির চরম গুরুত্ব বিবেচনা করে ওই এলাকায় তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। রবিবার সম্ভাব্য যেকোনো ধরনের বড় ঝুঁকি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে সেখানকার কয়েকটি বাড়ির বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নেয় এবং তাদের কাছের একটি অবকাশকেন্দ্রে আশ্রয় দেয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিস্ফোরক আইনের আওতায় অপরাধের জোরালো সন্দেহে ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে গ্লুচেস্টারশায়ার পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর বিশেষায়িত বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থলে ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে। এমনকি সন্দেহজনক কয়েকটি যানবাহনও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়টার্সের এক প্রতিবেদক জানান, ভারী অস্ত্রসজ্জায় সজ্জিত পুলিশ বিমানঘাঁটির প্রধান ফটকে যাতায়াতের পথ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে। এছাড়া বিমানঘাঁটি সংলগ্ন বিভিন্ন প্রবেশপথের সামনে কঠোর নিরাপত্তা সরঞ্জাম বসানো হয়েছে।
মূলত এই ওয়েলফোর্ড এলাকার পাশেই অবস্থিত রয়্যাল এয়ার ফোর্সের ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটি, যা দীর্ঘদিন ধরে ব্রিটিশদের পাশাপাশি মার্কিন সামরিক বাহিনী অপারেশনাল কাজে ব্যবহার করে আসছে। ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মার্কিন বাহিনী এই ঘাঁটিটি বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে কৌশলগত হামলা চালাতে ব্যবহার করেছে বলে জানা গেছে।
এদিকে ফেয়ারফোর্ড শহরেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখানে পুলিশ, অ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের প্রায় ৩০টি জরুরি সেবার গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং পুরো পরিস্থিতি সাহসিকতার সঙ্গে মোকাবিলা করার জন্য জরুরি সেবা ও বিশেষজ্ঞ দলগুলোর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে যে তিনি নিজেই পুরো ঘটনার ওপর নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন।
তবে ঠিক কী কারণে ওই ব্যক্তিদের আটক করা হলো কিংবা ঘাঁটির সঙ্গে তাদের কোনো সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু স্পষ্ট করেনি। গত জুলাইয়ে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী সতর্ক করেছিল যে তাদের ওপর হামলায় ব্যবহৃত যেকোনো ঘাঁটি বৈধ লক্ষ্যবস্তু হতে পারে, তবে আজকের ঘটনার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক আছে কি না তা তদন্তের পরই জানা যাবে।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দক্ষিণ-পশ্চিম ইংল্যান্ডের গ্লুচেস্টারশায়ারের ওয়েলফোর্ড এলাকায় হঠাৎ করেই থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ব্যবহার করে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রিটিশ বিমানঘাঁটির ঠিক পাশেই এই ঘটনা ঘটে।
পরিস্থিতির চরম গুরুত্ব বিবেচনা করে ওই এলাকায় তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। রবিবার সম্ভাব্য যেকোনো ধরনের বড় ঝুঁকি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে সেখানকার কয়েকটি বাড়ির বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নেয় এবং তাদের কাছের একটি অবকাশকেন্দ্রে আশ্রয় দেয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিস্ফোরক আইনের আওতায় অপরাধের জোরালো সন্দেহে ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে গ্লুচেস্টারশায়ার পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর বিশেষায়িত বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থলে ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে। এমনকি সন্দেহজনক কয়েকটি যানবাহনও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়টার্সের এক প্রতিবেদক জানান, ভারী অস্ত্রসজ্জায় সজ্জিত পুলিশ বিমানঘাঁটির প্রধান ফটকে যাতায়াতের পথ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে। এছাড়া বিমানঘাঁটি সংলগ্ন বিভিন্ন প্রবেশপথের সামনে কঠোর নিরাপত্তা সরঞ্জাম বসানো হয়েছে।
মূলত এই ওয়েলফোর্ড এলাকার পাশেই অবস্থিত রয়্যাল এয়ার ফোর্সের ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটি, যা দীর্ঘদিন ধরে ব্রিটিশদের পাশাপাশি মার্কিন সামরিক বাহিনী অপারেশনাল কাজে ব্যবহার করে আসছে। ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মার্কিন বাহিনী এই ঘাঁটিটি বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে কৌশলগত হামলা চালাতে ব্যবহার করেছে বলে জানা গেছে।
এদিকে ফেয়ারফোর্ড শহরেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখানে পুলিশ, অ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের প্রায় ৩০টি জরুরি সেবার গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং পুরো পরিস্থিতি সাহসিকতার সঙ্গে মোকাবিলা করার জন্য জরুরি সেবা ও বিশেষজ্ঞ দলগুলোর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে যে তিনি নিজেই পুরো ঘটনার ওপর নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন।
তবে ঠিক কী কারণে ওই ব্যক্তিদের আটক করা হলো কিংবা ঘাঁটির সঙ্গে তাদের কোনো সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু স্পষ্ট করেনি। গত জুলাইয়ে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী সতর্ক করেছিল যে তাদের ওপর হামলায় ব্যবহৃত যেকোনো ঘাঁটি বৈধ লক্ষ্যবস্তু হতে পারে, তবে আজকের ঘটনার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক আছে কি না তা তদন্তের পরই জানা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন