রাজধানীর ডেমরার সারুলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুটি তাজা হাতবোমাসহ 'নব্য জেএমবির সদস্য' জুয়েল ভূঁইয়া ওরফে 'ওস্তাদকে' গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (১৬ আগস্ট) সারুলিয়ার পশ্চিম নিঝুমবাগ থেকে পুলিশ ও অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) যৌথ অভিযানে তিনি গ্রেপ্তার হন।
গ্রেপ্তার জুয়েল 'নব্য জেএমবির' 'বোমারু মামুন' হিসেবে পরিচিত নাজমুল হাসান মামুনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তল্লাশির পর উদ্ধার হওয়া বোমা দুটি নিষ্ক্রিয় করে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিম।
অভিযান সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে ডিএমপির ডেমরা জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোহসিন মাসুদ বলেন, "বোমারু মামুনের সহযোগী হিসেবে সন্দেহভাজন জুয়েল ওই এলাকায় অবস্থান করছেন এমন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ও এটিইউ যৌথভাবে এ অভিযান চালায়। অভিযানে দুটি হাতে তৈরি বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরেকজনকে আটক করা হয়েছে।"
পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংসতার মধ্যে নরসিংদী জেলা কারাগারে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটলে ৯ জন 'জঙ্গিসহ' মোট ৮২৬ জন কয়েদি পালিয়ে যান। সে সময় লুট হয় ৮৫টি অস্ত্র ও ৮ হাজার ১৫০টি গুলি। কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া ৯ জঙ্গির একজন ছিলেন জুয়েল। ছয় দিন পর ২৫ জুলাই নরসিংদী জেলা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করলেও সরকার পতনের পর ওই বছরের সেপ্টেম্বরে তিনি জামিনে মুক্তি পান।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে কেরানীগঞ্জের একটি মাদরাসায় বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণ, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে যাত্রাবাড়ীতে পুলিশকে ছুরিকাঘাত করে বোমার ব্যাগ ফেলে পালানো, মার্চে কুমিল্লার শিব মন্দিরে হামলা এবং একই মাসে সায়েদাবাদে তল্লাশির সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এসব অপতৎপরতায় নব্য জেএমবির বোমারু মামুন ও তার শিষ্য আরিফ ওরফে ইমরানের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়। সেই চক্রের সদস্যদের বিরুদ্ধে চলমান ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবেই সবশেষ ডেমরা থেকে জুয়েল ওরফে ওস্তাদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীর ডেমরার সারুলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুটি তাজা হাতবোমাসহ 'নব্য জেএমবির সদস্য' জুয়েল ভূঁইয়া ওরফে 'ওস্তাদকে' গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (১৬ আগস্ট) সারুলিয়ার পশ্চিম নিঝুমবাগ থেকে পুলিশ ও অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) যৌথ অভিযানে তিনি গ্রেপ্তার হন।
গ্রেপ্তার জুয়েল 'নব্য জেএমবির' 'বোমারু মামুন' হিসেবে পরিচিত নাজমুল হাসান মামুনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তল্লাশির পর উদ্ধার হওয়া বোমা দুটি নিষ্ক্রিয় করে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিম।
অভিযান সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে ডিএমপির ডেমরা জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোহসিন মাসুদ বলেন, "বোমারু মামুনের সহযোগী হিসেবে সন্দেহভাজন জুয়েল ওই এলাকায় অবস্থান করছেন এমন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ও এটিইউ যৌথভাবে এ অভিযান চালায়। অভিযানে দুটি হাতে তৈরি বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরেকজনকে আটক করা হয়েছে।"
পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংসতার মধ্যে নরসিংদী জেলা কারাগারে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটলে ৯ জন 'জঙ্গিসহ' মোট ৮২৬ জন কয়েদি পালিয়ে যান। সে সময় লুট হয় ৮৫টি অস্ত্র ও ৮ হাজার ১৫০টি গুলি। কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া ৯ জঙ্গির একজন ছিলেন জুয়েল। ছয় দিন পর ২৫ জুলাই নরসিংদী জেলা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করলেও সরকার পতনের পর ওই বছরের সেপ্টেম্বরে তিনি জামিনে মুক্তি পান।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে কেরানীগঞ্জের একটি মাদরাসায় বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণ, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে যাত্রাবাড়ীতে পুলিশকে ছুরিকাঘাত করে বোমার ব্যাগ ফেলে পালানো, মার্চে কুমিল্লার শিব মন্দিরে হামলা এবং একই মাসে সায়েদাবাদে তল্লাশির সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এসব অপতৎপরতায় নব্য জেএমবির বোমারু মামুন ও তার শিষ্য আরিফ ওরফে ইমরানের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়। সেই চক্রের সদস্যদের বিরুদ্ধে চলমান ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবেই সবশেষ ডেমরা থেকে জুয়েল ওরফে ওস্তাদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন