পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে ঠাকুরগাঁওয়ে শেষ হলো পাঁচ দিনব্যাপী বিশেষ সাঁতার প্রশিক্ষণ। সদর উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী ১০০ শিশু এই প্রশিক্ষণে অংশ নিয়ে সাঁতারের প্রাথমিক পাঠ সম্পন্ন করেছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের চণ্ডীপুর গ্রামে এই প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘সার্ভিস ইমার্জেন্সি ফর রুরাল পিপল’ (সার্প) এই ব্যতিক্রমী আয়োজনের উদ্যোক্তা। নেদারল্যান্ডসভিত্তিক সংস্থা ‘কার্ক ইন একশন’-এর সহযোগিতায় ‘রীজ’ প্রকল্পের অধীনে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
আয়োজকেরা জানান, বর্ষাকালে বা অসাবধানতাবশত পানিতে পড়ে শিশুদের প্রাণহানির ঘটনা বাড়ছে। এই ঝুঁকি থেকে শিশুদের রক্ষা করতেই তাদের দক্ষ করে তোলা হচ্ছে। চলতি বছর জেলায় অন্তত ৩০০ শিশুকে সাঁতারের এই প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থাটির।
প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া খুদে সাঁতারুরা জানায়, আগে পানিতে নামতে ভয় পেলেও এখন তারা অনায়াসেই সাঁতার কাটতে পারে। আত্মরক্ষার পাশাপাশি পানিতে অন্য কেউ বিপদে পড়লে কী করতে হবে, সেই কৌশলও শিখেছে তারা।
সার্পের রীজ প্রকল্পের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মালেক সরকার বলেন, ‘কেবল প্রশিক্ষণ দিলেই হবে না, অভিভাবকদেরও সচেতন হতে হবে। সচেতনতা আর দক্ষতা–এই দুইয়ের সমন্বয়েই পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর হার কমিয়ে আনা সম্ভব।’
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে উৎসাহমূলক বক্তব্য ও দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। পর্যায়ক্রমে জেলার অন্যান্য ইউনিয়নেও এই সাঁতার প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকেরা।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে ঠাকুরগাঁওয়ে শেষ হলো পাঁচ দিনব্যাপী বিশেষ সাঁতার প্রশিক্ষণ। সদর উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী ১০০ শিশু এই প্রশিক্ষণে অংশ নিয়ে সাঁতারের প্রাথমিক পাঠ সম্পন্ন করেছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের চণ্ডীপুর গ্রামে এই প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘সার্ভিস ইমার্জেন্সি ফর রুরাল পিপল’ (সার্প) এই ব্যতিক্রমী আয়োজনের উদ্যোক্তা। নেদারল্যান্ডসভিত্তিক সংস্থা ‘কার্ক ইন একশন’-এর সহযোগিতায় ‘রীজ’ প্রকল্পের অধীনে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
আয়োজকেরা জানান, বর্ষাকালে বা অসাবধানতাবশত পানিতে পড়ে শিশুদের প্রাণহানির ঘটনা বাড়ছে। এই ঝুঁকি থেকে শিশুদের রক্ষা করতেই তাদের দক্ষ করে তোলা হচ্ছে। চলতি বছর জেলায় অন্তত ৩০০ শিশুকে সাঁতারের এই প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থাটির।
প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া খুদে সাঁতারুরা জানায়, আগে পানিতে নামতে ভয় পেলেও এখন তারা অনায়াসেই সাঁতার কাটতে পারে। আত্মরক্ষার পাশাপাশি পানিতে অন্য কেউ বিপদে পড়লে কী করতে হবে, সেই কৌশলও শিখেছে তারা।
সার্পের রীজ প্রকল্পের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মালেক সরকার বলেন, ‘কেবল প্রশিক্ষণ দিলেই হবে না, অভিভাবকদেরও সচেতন হতে হবে। সচেতনতা আর দক্ষতা–এই দুইয়ের সমন্বয়েই পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর হার কমিয়ে আনা সম্ভব।’
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে উৎসাহমূলক বক্তব্য ও দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। পর্যায়ক্রমে জেলার অন্যান্য ইউনিয়নেও এই সাঁতার প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকেরা।

আপনার মতামত লিখুন