সংবাদ

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের অধ্যাদেশ আইন হচ্ছে


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৪ পিএম

 আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের অধ্যাদেশ আইন হচ্ছে

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করাসন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশকেপূর্ণাঙ্গ আইনে রূপান্তর করতে যাচ্ছে বর্তমান বিএনপি সরকার। এই নতুন আইনে নিষিদ্ধ থাকা অবস্থায় রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করলে কঠোর শাস্তির বিধান যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

গত ১৩ মার্চ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ উত্থাপন করা হয়। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ১২ এপ্রিলের মধ্যে এগুলো সংসদে পাস না হলে কার্যকারিতা হারাবে। গত বৃহস্পতিবার সংসদের বিশেষ কমিটি ৯৮টি অধ্যাদেশ বিনা পরিবর্তনে এবং ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধনীসহ পাসের সুপারিশ করেছে। এই ১৫টির মধ্যেই রয়েছে আলোচিতসন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ

২০২৫ সালের ১১ মে জারি করা এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ এর অঙ্গসংগঠনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তবে আগের অধ্যাদেশে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে সুনির্দিষ্ট শাস্তির উল্লেখ ছিল না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিশে এখন এতে শাস্তির বিধান যুক্ত করা হচ্ছে। আইন অনুযায়ী:

  • কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা অবস্থায় মিছিল, সভা-সমাবেশ বা সংবাদ সম্মেলন করা যাবে না।
  • দলীয় কার্যালয় বন্ধ থাকবে এবং ব্যাংক হিসাব জব্দ থাকবে।
  • পোস্টার, ব্যানার বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো প্রচার চালানো যাবে না।
  • নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে থেকে ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রাখা হতে পারে।

গত বছর মে এনসিপিসহ বিভিন্ন দলের আন্দোলনের মুখে অন্তর্বর্তী সরকার এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। যদিও বিএনপি তখন নির্বাহী আদেশে দল নিষিদ্ধের বিপক্ষে ছিল, তবে সরকার গঠনের পর তারা এই অধ্যাদেশটিকে আইনি ভিত্তি দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক তৎপরতার ওপর আইনি বাধা বহাল থাকছে।

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬


আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের অধ্যাদেশ আইন হচ্ছে

প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করাসন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশকেপূর্ণাঙ্গ আইনে রূপান্তর করতে যাচ্ছে বর্তমান বিএনপি সরকার। এই নতুন আইনে নিষিদ্ধ থাকা অবস্থায় রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করলে কঠোর শাস্তির বিধান যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

গত ১৩ মার্চ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ উত্থাপন করা হয়। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ১২ এপ্রিলের মধ্যে এগুলো সংসদে পাস না হলে কার্যকারিতা হারাবে। গত বৃহস্পতিবার সংসদের বিশেষ কমিটি ৯৮টি অধ্যাদেশ বিনা পরিবর্তনে এবং ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধনীসহ পাসের সুপারিশ করেছে। এই ১৫টির মধ্যেই রয়েছে আলোচিতসন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ

২০২৫ সালের ১১ মে জারি করা এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ এর অঙ্গসংগঠনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তবে আগের অধ্যাদেশে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে সুনির্দিষ্ট শাস্তির উল্লেখ ছিল না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিশে এখন এতে শাস্তির বিধান যুক্ত করা হচ্ছে। আইন অনুযায়ী:

  • কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা অবস্থায় মিছিল, সভা-সমাবেশ বা সংবাদ সম্মেলন করা যাবে না।
  • দলীয় কার্যালয় বন্ধ থাকবে এবং ব্যাংক হিসাব জব্দ থাকবে।
  • পোস্টার, ব্যানার বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো প্রচার চালানো যাবে না।
  • নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে থেকে ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রাখা হতে পারে।

গত বছর মে এনসিপিসহ বিভিন্ন দলের আন্দোলনের মুখে অন্তর্বর্তী সরকার এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। যদিও বিএনপি তখন নির্বাহী আদেশে দল নিষিদ্ধের বিপক্ষে ছিল, তবে সরকার গঠনের পর তারা এই অধ্যাদেশটিকে আইনি ভিত্তি দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক তৎপরতার ওপর আইনি বাধা বহাল থাকছে।

 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত