রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ভূমি ভবনে দেশব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা-২০২৬’-এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধন শেষে সেখানকার শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে (ডে-কেয়ার সেন্টার) শিশুদের সঙ্গে আনন্দময় কিছু সময় কাটান তিনি। মঙ্গলবার (১৯ মে) সরকারি আনুষ্ঠানিকতার মাঝে শিশুদের হাসির ছোঁয়ায় কিছুক্ষণের জন্য প্রধানমন্ত্রী যেন ফিরে গিয়েছিলেন তার শৈশবে।
সকাল সোয়া ১১টার
দিকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ডে-কেয়ার সেন্টারটিতে
পরিদর্শনে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে প্রবেশের পরপরই শিশুদের সঙ্গে মিশে যান তিনি।
নিরাপত্তার কড়া দেয়াল ভেঙে প্রায় ১৮ মিনিট সময় কাটান শিশুদের সঙ্গে। ছোট্ট শিশুরা তাকে
ঘিরে ধরে; কেউ হাত বাড়িয়ে করমর্দন করে, কেউ নিজেদের আঁকা ছবি দেখায়, আবার কেউ খেলনার
কাছে টেনে নিয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রীও তাদের কথায় প্রাণ খুলে হাসেন, মাথায় হাত বুলিয়ে
দেন এবং মুগ্ধ হয়ে তাদের প্রশংসা করেন।
কেন্দ্রে আগে থেকেই
রাখা একটি কেক দেখে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের কাছে জানতে চান, ‘আজকে কার জন্মদিন বলো তো?’
একেকজন শিশু উত্তর দেয়, ‘আংকেল আমার, আংকেল আমার।’ তখন প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে তোমাদের
সবার জন্মদিন। আসো আমরা এক সাথে কেক কাটি।’
এরপর শিশুদের হাতে
হাত রেখে কেক কাটেন তিনি। আনন্দে করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো কক্ষ। শিশুরা সমস্বরে
গাইতে থাকে, ‘হ্যাপি হ্যাপি, হ্যাপি ডে, হ্যাপি বার্থ ডে।’ এর মধ্যেই এক শিশু প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানকে মুখে তুলে কেক খাইয়ে দেয়। প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে শিশুদের চকলেট, টফি,
ললিপপ ও গিফট ব্যাগ তুলে দেন এবং জানতে চান কেউ বাদ পড়েছে কি না।
প্রধানমন্ত্রীকে
কাছে পেয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে ছোট্ট শিশু আরিবা। সে বলে, ‘প্রধানমন্ত্রী আংকেলকে
দেখে আমি যে কী খুশি বলতে পারছি না। আংকেলের সাথে মজা করে কেক খেয়েছি। আংকেলও কেক খেয়েছেন।
কি মজা কি মজা! আংকেল খুব ভালো, খুব সুইট।’
প্রধানমন্ত্রীর
সঙ্গে থাকা মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন দিবাযতœ কেন্দ্রগুলো সম্পর্কে
বেশ কিছু তথ্য জানান। তিনি জানান, মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয় ঢাকাসহ সারা দেশে এ ধরনের
মোট ২০টি ডে-কেয়ার সেন্টার পরিচালনা করছে। এসব ডে-কেয়ার সেন্টারে ৪ থেকে ৬ বছর বয়সী
শিশুরা সাড়ে ১০ ঘণ্টা সেবা পেয়ে থাকে। ভূমি ভবনের কেন্দ্রে মোট শিশুর সংখ্যা ৬০ জন,
যার মধ্যে উপস্থিত ছিল ৫৫ জন।
ডে-কেয়ার সেন্টারের
কর্মকর্তা মাহিয়া তাসনুভ তামান্না শিশুদের যতেœর বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী শিশুদের খাবার এবং তাদের মানসিক বিকাশ ঠিকমতো হচ্ছে কি না সে বিষয়ে
খোঁজখবর নেন। পরিদর্শনের সময় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ছাড়াও ভূমি প্রতিমন্ত্রী
মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ভূমি ভবনে দেশব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা-২০২৬’-এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধন শেষে সেখানকার শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে (ডে-কেয়ার সেন্টার) শিশুদের সঙ্গে আনন্দময় কিছু সময় কাটান তিনি। মঙ্গলবার (১৯ মে) সরকারি আনুষ্ঠানিকতার মাঝে শিশুদের হাসির ছোঁয়ায় কিছুক্ষণের জন্য প্রধানমন্ত্রী যেন ফিরে গিয়েছিলেন তার শৈশবে।
সকাল সোয়া ১১টার
দিকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ডে-কেয়ার সেন্টারটিতে
পরিদর্শনে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে প্রবেশের পরপরই শিশুদের সঙ্গে মিশে যান তিনি।
নিরাপত্তার কড়া দেয়াল ভেঙে প্রায় ১৮ মিনিট সময় কাটান শিশুদের সঙ্গে। ছোট্ট শিশুরা তাকে
ঘিরে ধরে; কেউ হাত বাড়িয়ে করমর্দন করে, কেউ নিজেদের আঁকা ছবি দেখায়, আবার কেউ খেলনার
কাছে টেনে নিয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রীও তাদের কথায় প্রাণ খুলে হাসেন, মাথায় হাত বুলিয়ে
দেন এবং মুগ্ধ হয়ে তাদের প্রশংসা করেন।
কেন্দ্রে আগে থেকেই
রাখা একটি কেক দেখে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের কাছে জানতে চান, ‘আজকে কার জন্মদিন বলো তো?’
একেকজন শিশু উত্তর দেয়, ‘আংকেল আমার, আংকেল আমার।’ তখন প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে তোমাদের
সবার জন্মদিন। আসো আমরা এক সাথে কেক কাটি।’
এরপর শিশুদের হাতে
হাত রেখে কেক কাটেন তিনি। আনন্দে করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো কক্ষ। শিশুরা সমস্বরে
গাইতে থাকে, ‘হ্যাপি হ্যাপি, হ্যাপি ডে, হ্যাপি বার্থ ডে।’ এর মধ্যেই এক শিশু প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানকে মুখে তুলে কেক খাইয়ে দেয়। প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে শিশুদের চকলেট, টফি,
ললিপপ ও গিফট ব্যাগ তুলে দেন এবং জানতে চান কেউ বাদ পড়েছে কি না।
প্রধানমন্ত্রীকে
কাছে পেয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে ছোট্ট শিশু আরিবা। সে বলে, ‘প্রধানমন্ত্রী আংকেলকে
দেখে আমি যে কী খুশি বলতে পারছি না। আংকেলের সাথে মজা করে কেক খেয়েছি। আংকেলও কেক খেয়েছেন।
কি মজা কি মজা! আংকেল খুব ভালো, খুব সুইট।’
প্রধানমন্ত্রীর
সঙ্গে থাকা মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন দিবাযতœ কেন্দ্রগুলো সম্পর্কে
বেশ কিছু তথ্য জানান। তিনি জানান, মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয় ঢাকাসহ সারা দেশে এ ধরনের
মোট ২০টি ডে-কেয়ার সেন্টার পরিচালনা করছে। এসব ডে-কেয়ার সেন্টারে ৪ থেকে ৬ বছর বয়সী
শিশুরা সাড়ে ১০ ঘণ্টা সেবা পেয়ে থাকে। ভূমি ভবনের কেন্দ্রে মোট শিশুর সংখ্যা ৬০ জন,
যার মধ্যে উপস্থিত ছিল ৫৫ জন।
ডে-কেয়ার সেন্টারের
কর্মকর্তা মাহিয়া তাসনুভ তামান্না শিশুদের যতেœর বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী শিশুদের খাবার এবং তাদের মানসিক বিকাশ ঠিকমতো হচ্ছে কি না সে বিষয়ে
খোঁজখবর নেন। পরিদর্শনের সময় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ছাড়াও ভূমি প্রতিমন্ত্রী
মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন