রংপুরে একই পরিবারের চার সদস্যকে নিজ বাড়িতে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ বলছে, ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় দুই তরুণ পরিকল্পিতভাবে চারজনকে হত্যা করেছে। গ্রেপ্তারকৃত দুজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে।
হত্যাকাণ্ড নিয়ে ভিকটিমদের স্বজনেরা কিছু প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের প্রশ্ন হচ্ছে, দুই তরুণ কীভাবে একটি পরিবারের চারজনকে একে একে হত্যা করল। এত বড় একটি ঘটনা ঘটলেও আশপাশের কেউ কিছু টের পেলেন না কেন সেই প্রশ্ন তুলেছেন তারা। নিহতদের লাশ বাড়ির বিভিন্ন স্থানে পাওয়া গেছে। একজনের লাশ ছাদে, দুজনের সিঁড়িতে এবং শিশুটির লাশ শোবার ঘরে পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। এ কারণেও হত্যাকাণ্ডের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
হত্যাকাণ্ড নিয়ে ওঠা এসব প্রশ্নের উত্তর মিলতে পারে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তে। সুষ্ঠু বিচারের জন্য তদন্ত হতে হবে স্বচ্ছ, পেশাদার ও প্রমাণনির্ভর। অপরাধীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। আবার নিরপরাধ কেউ যাতে হয়রানি বা অন্যায়ের শিকার না হন, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।
আদালতে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার আগে কাউকে চূড়ান্তভাবে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা সমীচীন নয়। একই সঙ্গে পুলিশ যে কারণ ও ঘটনার বর্ণনা দিয়েছে, তা কতটা বাস্তবসম্মত, সেটিও তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। প্রয়োজনে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জনসাধারণকে তথ্য জানাতে হবে, যাতে গুজব ও বিভ্রান্তির সুযোগ না থাকে।
হত্যার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং দোষীদের বিচারের আওতায় আনা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। রংপুরের এই হত্যাকাণ্ড যেন আরেকটি অমীমাংসিত ঘটনা হয়ে না থাকে।

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
রংপুরে একই পরিবারের চার সদস্যকে নিজ বাড়িতে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ বলছে, ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় দুই তরুণ পরিকল্পিতভাবে চারজনকে হত্যা করেছে। গ্রেপ্তারকৃত দুজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে।
হত্যাকাণ্ড নিয়ে ভিকটিমদের স্বজনেরা কিছু প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের প্রশ্ন হচ্ছে, দুই তরুণ কীভাবে একটি পরিবারের চারজনকে একে একে হত্যা করল। এত বড় একটি ঘটনা ঘটলেও আশপাশের কেউ কিছু টের পেলেন না কেন সেই প্রশ্ন তুলেছেন তারা। নিহতদের লাশ বাড়ির বিভিন্ন স্থানে পাওয়া গেছে। একজনের লাশ ছাদে, দুজনের সিঁড়িতে এবং শিশুটির লাশ শোবার ঘরে পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। এ কারণেও হত্যাকাণ্ডের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
হত্যাকাণ্ড নিয়ে ওঠা এসব প্রশ্নের উত্তর মিলতে পারে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তে। সুষ্ঠু বিচারের জন্য তদন্ত হতে হবে স্বচ্ছ, পেশাদার ও প্রমাণনির্ভর। অপরাধীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। আবার নিরপরাধ কেউ যাতে হয়রানি বা অন্যায়ের শিকার না হন, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।
আদালতে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার আগে কাউকে চূড়ান্তভাবে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা সমীচীন নয়। একই সঙ্গে পুলিশ যে কারণ ও ঘটনার বর্ণনা দিয়েছে, তা কতটা বাস্তবসম্মত, সেটিও তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। প্রয়োজনে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জনসাধারণকে তথ্য জানাতে হবে, যাতে গুজব ও বিভ্রান্তির সুযোগ না থাকে।
হত্যার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং দোষীদের বিচারের আওতায় আনা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। রংপুরের এই হত্যাকাণ্ড যেন আরেকটি অমীমাংসিত ঘটনা হয়ে না থাকে।

আপনার মতামত লিখুন