আজ ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। ১২ রবিউল আউয়াল মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। প্রচলিত ইসলামি ঐতিহ্য অনুযায়ী, এই দিনে মক্কা নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। একই দিনে তার ওফাতও ঘটে।
বিশ্বজুড়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা কোরআন তিলাওয়াত, দরুদ পাঠ, দান-খয়রাত ও নফল ইবাদতের মাধ্যমে দিনটি পালন করেন। দিনটি শুধু স্মরণ ও আনুষ্ঠানিকতার নয়। মহানবী (সা.)-এর জীবন, শিক্ষা ও আদর্শ থেকে নিজেদের জীবনকে আলোকিত করারও উপলক্ষ।
হজরত মুহাম্মদ (সা.) এমন এক সময়ে আবির্ভূত হন, যখন আরব সমাজ কুসংস্কার, অজ্ঞতা, গোত্রীয় সংঘাত ও নানা সামাজিক অনাচারে জর্জরিত ছিল। মানুষের মর্যাদা ও অধিকারের ক্ষেত্রে ছিল গভীর বৈষম্য। এমন বাস্তবতায় তিনি তাওহিদ, ন্যায়, সত্য, মানবিক মর্যাদা ও শান্তির বাণী নিয়ে মানুষের সামনে দাঁড়ান। অন্যায় ও জুলুম থেকে বেরিয়ে সত্য ও ন্যায়ের পথে আসার আহ্বান জানান তিনি।
মানুষের প্রতি তার আচরণে ছিল গভীর মমতা ও সহমর্মিতা। তিনি প্রতিশোধের বদলে ক্ষমা, বিদ্বেষের বদলে ভালোবাসা এবং সংঘাতের বদলে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ দেখিয়েছেন। সামাজিক ন্যায়বিচার, পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব, দুর্বল ও অসহায়ের অধিকার এবং মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।
আজকের পৃথিবীর দিকে তাকালে মহানবী (সা.)-এর এসব শিক্ষার প্রয়োজন আরও গভীরভাবে অনুভূত হয়। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, সহিংসতা, বিদ্বেষ ও অসহিষ্ণুতা মানুষের জীবনকে বিপন্ন করছে। আমাদের দেশেও রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভাজন, হানাহানি এবং নানা ধরনের অসহিষ্ণুতা শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পথে বাধা সৃষ্টি করছে। এ পরিস্থিতিতে মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পথনির্দেশ হতে পারে। মহানবী (সা.)-এর আদর্শের কথা বলাই যথেষ্ট নয়। সেই আদর্শ নিজেদের আচরণে বাস্তবায়ন করতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
আজ ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। ১২ রবিউল আউয়াল মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। প্রচলিত ইসলামি ঐতিহ্য অনুযায়ী, এই দিনে মক্কা নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। একই দিনে তার ওফাতও ঘটে।
বিশ্বজুড়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা কোরআন তিলাওয়াত, দরুদ পাঠ, দান-খয়রাত ও নফল ইবাদতের মাধ্যমে দিনটি পালন করেন। দিনটি শুধু স্মরণ ও আনুষ্ঠানিকতার নয়। মহানবী (সা.)-এর জীবন, শিক্ষা ও আদর্শ থেকে নিজেদের জীবনকে আলোকিত করারও উপলক্ষ।
হজরত মুহাম্মদ (সা.) এমন এক সময়ে আবির্ভূত হন, যখন আরব সমাজ কুসংস্কার, অজ্ঞতা, গোত্রীয় সংঘাত ও নানা সামাজিক অনাচারে জর্জরিত ছিল। মানুষের মর্যাদা ও অধিকারের ক্ষেত্রে ছিল গভীর বৈষম্য। এমন বাস্তবতায় তিনি তাওহিদ, ন্যায়, সত্য, মানবিক মর্যাদা ও শান্তির বাণী নিয়ে মানুষের সামনে দাঁড়ান। অন্যায় ও জুলুম থেকে বেরিয়ে সত্য ও ন্যায়ের পথে আসার আহ্বান জানান তিনি।
মানুষের প্রতি তার আচরণে ছিল গভীর মমতা ও সহমর্মিতা। তিনি প্রতিশোধের বদলে ক্ষমা, বিদ্বেষের বদলে ভালোবাসা এবং সংঘাতের বদলে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ দেখিয়েছেন। সামাজিক ন্যায়বিচার, পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব, দুর্বল ও অসহায়ের অধিকার এবং মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।
আজকের পৃথিবীর দিকে তাকালে মহানবী (সা.)-এর এসব শিক্ষার প্রয়োজন আরও গভীরভাবে অনুভূত হয়। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, সহিংসতা, বিদ্বেষ ও অসহিষ্ণুতা মানুষের জীবনকে বিপন্ন করছে। আমাদের দেশেও রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভাজন, হানাহানি এবং নানা ধরনের অসহিষ্ণুতা শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পথে বাধা সৃষ্টি করছে। এ পরিস্থিতিতে মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পথনির্দেশ হতে পারে। মহানবী (সা.)-এর আদর্শের কথা বলাই যথেষ্ট নয়। সেই আদর্শ নিজেদের আচরণে বাস্তবায়ন করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন