আলোচিত সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে এক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের প্রাথমিক সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তবে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম এখনই প্রকাশ করতে চাননি তিনি।
রোববার (৩০ আগস্ট) আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চিফ প্রসিকিউটর এসব তথ্য প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালে অন্য একটি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা তদন্ত পরিচালনা করতে গিয়ে হঠাৎ করেই সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের এই গুরুত্বপূর্ণ সূত্রের সন্ধান পাওয়া যায়।
তবে এই নতুন ক্লু প্রসঙ্গে বিস্তারিত বলতে গিয়ে আমিনুল ইসলাম স্পষ্ট করেন, ‘সাগর-রুনি হত্যা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকার্য প্রচলিত বিচারিক আদালতেই সম্পন্ন হবে। ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন থেকে নতুন প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত ও আলামত সরবরাহ করে তদন্ত সংস্থাকে সহযোগিতা করা হবে।’
গুমের ঘটনাগুলোর বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে দিকনির্দেশনা দিয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘যেসব গুমের ঘটনা সরাসরি মানবতাবিরোধী অপরাধ আইনের আওতাভুক্ত হবে, কেবল সেগুলোরই বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সম্পন্ন হবে। আর যেগুলো স্বতন্ত্র বা একক গুমের ঘটনা, সেগুলোর বিচার দেশের প্রচলিত সাধারণ আদালতেই পরিচালিত হবে।’
প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি দম্পতি খুন হন। এ হত্যাকাণ্ডের বিচার এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। দীর্ঘ ১৪ বছর পর নতুন এই সূত্র মামলাটিতে নতুন মোড় আনতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
আলোচিত সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে এক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের প্রাথমিক সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তবে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম এখনই প্রকাশ করতে চাননি তিনি।
রোববার (৩০ আগস্ট) আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চিফ প্রসিকিউটর এসব তথ্য প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালে অন্য একটি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা তদন্ত পরিচালনা করতে গিয়ে হঠাৎ করেই সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের এই গুরুত্বপূর্ণ সূত্রের সন্ধান পাওয়া যায়।
তবে এই নতুন ক্লু প্রসঙ্গে বিস্তারিত বলতে গিয়ে আমিনুল ইসলাম স্পষ্ট করেন, ‘সাগর-রুনি হত্যা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকার্য প্রচলিত বিচারিক আদালতেই সম্পন্ন হবে। ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন থেকে নতুন প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত ও আলামত সরবরাহ করে তদন্ত সংস্থাকে সহযোগিতা করা হবে।’
গুমের ঘটনাগুলোর বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে দিকনির্দেশনা দিয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘যেসব গুমের ঘটনা সরাসরি মানবতাবিরোধী অপরাধ আইনের আওতাভুক্ত হবে, কেবল সেগুলোরই বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সম্পন্ন হবে। আর যেগুলো স্বতন্ত্র বা একক গুমের ঘটনা, সেগুলোর বিচার দেশের প্রচলিত সাধারণ আদালতেই পরিচালিত হবে।’
প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি দম্পতি খুন হন। এ হত্যাকাণ্ডের বিচার এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। দীর্ঘ ১৪ বছর পর নতুন এই সূত্র মামলাটিতে নতুন মোড় আনতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন