দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর মিছিল থামছে না। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় এক হাজারে পৌঁছেছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত একদিনে দেশে হাম ও উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছেন ৯১৭ জন। একই সময়ে মৃত্যু হয়েছে চারজনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছর হাম ও উপসর্গে এ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৯১ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত্যু ১০০ জন এবং হামের উপসর্গে ৮৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৪৩ জন সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ১০৫ জনে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশের হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৪৩ হাজার ২১৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৯২১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বিভাগভিত্তিক মৃত্যু বিশ্লেষণে দেখা যায়—ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ৪২৮ জন। চট্টগ্রাম বিভাগে ১২৪ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০২ জন, খুলনা বিভাগে ৬১ জন, বরিশাল বিভাগে ৮১ জন, সিলেট বিভাগে ১১৪ জন, রংপুর বিভাগে ১৯ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে ৬২ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, আক্রান্তদের মধ্যে ৬০ শতাংশই শিশু। রোগতত্ত্ববিদরা বলছেন, হাম অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সময়মতো টিকা না নেওয়া ও অপুষ্টি এই প্রাদুর্ভাব বাড়ার অন্যতম কারণ। বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও শহরের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় সংক্রমণ বেশি দেখা যাচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অভিভাবকদের শিশুদের হামের টিকা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। পাশাপাশি হামের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর মিছিল থামছে না। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় এক হাজারে পৌঁছেছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত একদিনে দেশে হাম ও উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছেন ৯১৭ জন। একই সময়ে মৃত্যু হয়েছে চারজনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছর হাম ও উপসর্গে এ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৯১ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত্যু ১০০ জন এবং হামের উপসর্গে ৮৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৪৩ জন সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ১০৫ জনে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশের হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৪৩ হাজার ২১৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৯২১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বিভাগভিত্তিক মৃত্যু বিশ্লেষণে দেখা যায়—ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ৪২৮ জন। চট্টগ্রাম বিভাগে ১২৪ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০২ জন, খুলনা বিভাগে ৬১ জন, বরিশাল বিভাগে ৮১ জন, সিলেট বিভাগে ১১৪ জন, রংপুর বিভাগে ১৯ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে ৬২ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, আক্রান্তদের মধ্যে ৬০ শতাংশই শিশু। রোগতত্ত্ববিদরা বলছেন, হাম অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সময়মতো টিকা না নেওয়া ও অপুষ্টি এই প্রাদুর্ভাব বাড়ার অন্যতম কারণ। বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও শহরের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় সংক্রমণ বেশি দেখা যাচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অভিভাবকদের শিশুদের হামের টিকা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। পাশাপাশি হামের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন