ইতালির ভেনিসে জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে হেনস্তার শিকার হওয়ার ঘটনায় তাৎক্ষণিক কূটনৈতিক ও আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার।
মঙ্গলবার
জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে রংপুর-৪ আসনের সংসদ
সদস্য আখতার হোসেনের এক সুনির্দিষ্ট প্রশ্নের
জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এই তথ্য
জানান।
সংসদ
অধিবেশনে রংপুর-৪ আসনের সংসদ
সদস্য আখতার হোসেন গভীর দুঃখ ও
ক্ষোভ প্রকাশ করে স্পিকারকে অবহিত
করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার অপরাধে
ইতালিতে গিয়ে আওয়ামী লীগ
ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত হামলার মুখে পড়েছেন অভিনেত্রী
বাঁধন।
তিনি
নিজেই এর আগে যুক্তরাষ্ট্র
সফরে গিয়ে একইভাবে আওয়ামী
সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হওয়ার কথা তুলে ধরে
জানান, বিদেশের মাটিতে জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা
ধারাবাহিকভাবে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন। এমন হামলাকারীদের দ্রুত
আইনের আওতায় আনতে সরকারের দৃঢ়
পদক্ষেপ রয়েছে কি না, তিনি
তা জানতে চান।
জবাবে
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির প্রথমে সব
জুলাই শহীদ ও আহত
গণতন্ত্রপ্রেমীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন
করে বলেন, একজন জুলাই যোদ্ধার
ওপর হামলা মানেই দেশের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার ওপর নগ্ন আক্রমণ।
ঘটনার
বিবরণ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান,
গত ৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায়
ভেনিসের একটি পার্কে পরিবারের
সদস্যদের নিয়ে অবস্থান করার
সময় বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত আওয়ামী
লীগের কয়েকজন চিহ্নিত ক্যাডার বাঁধনের ওপর অতর্কিত ও
কাপুরুষোচিত হামলা চালায়।
এই ন্যক্কারজনক ঘটনা জানার সঙ্গে
সঙ্গেই সরকার তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন,
তিনি নিজে সকালে পররাষ্ট্র
সচিবের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং
রোমের বাংলাদেশ দূতাবাসকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। রোম দূতাবাস ইতোমধ্যে
ইতালির পুলিশ প্রশাসন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
সঙ্গে উচ্চপর্যায়ে যোগাযোগ করে বাঁধনের সর্বোচ্চ
কনস্যুলার সহায়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত
করেছে।
বাঁধন
ইতালি পুলিশে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করার পর দেশটির
সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা আরও জোরদার করা
হবে বলে তিনি জানান।
প্রতিমন্ত্রী
আরও দৃঢ় কণ্ঠে ঘোষণা
করেন, দেশের ভেতর হত্যা, লুণ্ঠন
ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে বিদেশে পালিয়ে থাকা শেখ হাসিনাসহ
সব আওয়ামী সন্ত্রাসীকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার
মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে এনে
বিচারের মুখোমুখি করতে সরকার বিন্দুমাত্র
দ্বিধাবোধ করবে না। জনগণের
ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকার রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুণ্ঠনকারী ও গণহত্যায় জড়িতদের
বিচার নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের সর্বশক্তি
প্রয়োগ করবে।
আন্তর্জাতিক
কূটনীতিতে বাংলাদেশ এখন অত্যন্ত শক্তিশালী
অবস্থানে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি স্পষ্ট
ভাষায় জানান, বাংলাদেশ আর কোনো পরাশক্তির
দাসত্ব করবে না।

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইতালির ভেনিসে জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে হেনস্তার শিকার হওয়ার ঘটনায় তাৎক্ষণিক কূটনৈতিক ও আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার।
মঙ্গলবার
জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে রংপুর-৪ আসনের সংসদ
সদস্য আখতার হোসেনের এক সুনির্দিষ্ট প্রশ্নের
জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এই তথ্য
জানান।
সংসদ
অধিবেশনে রংপুর-৪ আসনের সংসদ
সদস্য আখতার হোসেন গভীর দুঃখ ও
ক্ষোভ প্রকাশ করে স্পিকারকে অবহিত
করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার অপরাধে
ইতালিতে গিয়ে আওয়ামী লীগ
ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত হামলার মুখে পড়েছেন অভিনেত্রী
বাঁধন।
তিনি
নিজেই এর আগে যুক্তরাষ্ট্র
সফরে গিয়ে একইভাবে আওয়ামী
সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হওয়ার কথা তুলে ধরে
জানান, বিদেশের মাটিতে জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা
ধারাবাহিকভাবে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন। এমন হামলাকারীদের দ্রুত
আইনের আওতায় আনতে সরকারের দৃঢ়
পদক্ষেপ রয়েছে কি না, তিনি
তা জানতে চান।
জবাবে
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির প্রথমে সব
জুলাই শহীদ ও আহত
গণতন্ত্রপ্রেমীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন
করে বলেন, একজন জুলাই যোদ্ধার
ওপর হামলা মানেই দেশের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার ওপর নগ্ন আক্রমণ।
ঘটনার
বিবরণ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান,
গত ৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায়
ভেনিসের একটি পার্কে পরিবারের
সদস্যদের নিয়ে অবস্থান করার
সময় বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত আওয়ামী
লীগের কয়েকজন চিহ্নিত ক্যাডার বাঁধনের ওপর অতর্কিত ও
কাপুরুষোচিত হামলা চালায়।
এই ন্যক্কারজনক ঘটনা জানার সঙ্গে
সঙ্গেই সরকার তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন,
তিনি নিজে সকালে পররাষ্ট্র
সচিবের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং
রোমের বাংলাদেশ দূতাবাসকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। রোম দূতাবাস ইতোমধ্যে
ইতালির পুলিশ প্রশাসন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
সঙ্গে উচ্চপর্যায়ে যোগাযোগ করে বাঁধনের সর্বোচ্চ
কনস্যুলার সহায়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত
করেছে।
বাঁধন
ইতালি পুলিশে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করার পর দেশটির
সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা আরও জোরদার করা
হবে বলে তিনি জানান।
প্রতিমন্ত্রী
আরও দৃঢ় কণ্ঠে ঘোষণা
করেন, দেশের ভেতর হত্যা, লুণ্ঠন
ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে বিদেশে পালিয়ে থাকা শেখ হাসিনাসহ
সব আওয়ামী সন্ত্রাসীকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার
মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে এনে
বিচারের মুখোমুখি করতে সরকার বিন্দুমাত্র
দ্বিধাবোধ করবে না। জনগণের
ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকার রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুণ্ঠনকারী ও গণহত্যায় জড়িতদের
বিচার নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের সর্বশক্তি
প্রয়োগ করবে।
আন্তর্জাতিক
কূটনীতিতে বাংলাদেশ এখন অত্যন্ত শক্তিশালী
অবস্থানে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি স্পষ্ট
ভাষায় জানান, বাংলাদেশ আর কোনো পরাশক্তির
দাসত্ব করবে না।

আপনার মতামত লিখুন