সংবাদ

পাহাড় রক্ষায় কঠোর হতে হবে


প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৮ এএম

পাহাড় রক্ষায় কঠোর হতে হবে

বান্দরবানের লামা উপজেলায় পাহাড় কাটা বন্ধে হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনকে তিন দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। ডিসি, পুলিশ সুপার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নিয়ে মনিটরিং টিম গঠনের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর সহায়তা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

লামায় দীর্ঘদিন ধরে পাহাড় কাটার অভিযোগ রয়েছে। ইটভাটাসহ বিভিন্ন কাজে পাহাড়ের মাটি ব্যবহারের ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। পাহাড় কাটা হলে মাটির ক্ষয়, পাহাড়ধস ও জীববৈচিত্র‍্যরে ক্ষতি বাড়ে। এর প্রভাব স্থানীয় মানুষের জীবনেও পড়ে।

দেশে পরিবেশ রক্ষায় আইন আছে। সমস্যা হচ্ছে, আইনের যথাযথ প্রয়োগ  হয় না। আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়ায় পাহাড় কাটা বন্ধ হচ্ছে না। প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কারণে অনেক সময় প্রশাসনও কঠোর হতে পারে না। যে কারণে অপরাধীরা অন্যায় উৎসাহ পায়। এই অবস্থার অবসান হওয়া দরকার।

হাই কোর্ট পাহাড় কাটায় জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তি ও অর্থদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে। এই নির্দেশ দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। শুধু জরিমানা করলেই হবে না। অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে দখল হওয়া পাহাড় পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নিতে হবে।

লামার ঘটনা দেশের অন্যান্য পাহাড়ি এলাকার জন্যও সতর্কবার্তা। পাহাড় রক্ষায় নিয়মিত নজরদারি থাকতে হবে। পাহাড় ধ্বংস হওয়ার পর তা ফিরিয়ে আনা কঠিন। ধ্বংস হওয়ার আগেই পাহাড় রক্ষা করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পাহাড় রক্ষায় কঠোর হতে হবে

প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বান্দরবানের লামা উপজেলায় পাহাড় কাটা বন্ধে হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনকে তিন দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। ডিসি, পুলিশ সুপার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নিয়ে মনিটরিং টিম গঠনের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর সহায়তা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

লামায় দীর্ঘদিন ধরে পাহাড় কাটার অভিযোগ রয়েছে। ইটভাটাসহ বিভিন্ন কাজে পাহাড়ের মাটি ব্যবহারের ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। পাহাড় কাটা হলে মাটির ক্ষয়, পাহাড়ধস ও জীববৈচিত্র‍্যরে ক্ষতি বাড়ে। এর প্রভাব স্থানীয় মানুষের জীবনেও পড়ে।

দেশে পরিবেশ রক্ষায় আইন আছে। সমস্যা হচ্ছে, আইনের যথাযথ প্রয়োগ  হয় না। আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়ায় পাহাড় কাটা বন্ধ হচ্ছে না। প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কারণে অনেক সময় প্রশাসনও কঠোর হতে পারে না। যে কারণে অপরাধীরা অন্যায় উৎসাহ পায়। এই অবস্থার অবসান হওয়া দরকার।

হাই কোর্ট পাহাড় কাটায় জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তি ও অর্থদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে। এই নির্দেশ দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। শুধু জরিমানা করলেই হবে না। অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে দখল হওয়া পাহাড় পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নিতে হবে।

লামার ঘটনা দেশের অন্যান্য পাহাড়ি এলাকার জন্যও সতর্কবার্তা। পাহাড় রক্ষায় নিয়মিত নজরদারি থাকতে হবে। পাহাড় ধ্বংস হওয়ার পর তা ফিরিয়ে আনা কঠিন। ধ্বংস হওয়ার আগেই পাহাড় রক্ষা করতে হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত